• সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০২:১১
সর্বশেষ :
খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদারের কবর জিয়ারত ও মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ খবর ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে খুলনা মহানগর ও জেলা তাঁতীদলের নেতৃবৃন্দ খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদার এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় খালিশপুর চিত্রালী মার্কেট বাজার জামে মসজিদে বাদ জুম্মা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি সোনা মিয়া সরদারকে হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচী গ্রহনের লক্ষ্যে খালিশপুর থানা তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ‘পোস্টারে আমার ছবি নয়’ – সদস্য সচিব রুবেল। এপ্রিলে সাঁড়াশি অভিযান, প্রস্তুত অপরাধীদের তালিকা! দালাল নির্ভরতা কমাতে না পারলে রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়বে”—রুবেলের সতর্কবার্তা

স্বামী হত্যার বিচারের দাবীতে শ্যামনগর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

এস এম মিজানুর রহমান শ্যামনগর, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ২৬৩ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৪
শ্যামনগর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর গ্রামের আরিফ বিল্লাহ’র স্ত্রী আকলিমা খাতুন (৩৬) স্বামী হত্যার বিচারের দাবীতে শ্যামনগর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন, এসময়ে তার  সাথে ছিলেন শাশুড়ী ও কন্যা।  ২২ আগষ্ট দুপুর ১২ টায় শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে লিখিত বক্তব্যে আকলিমা খাতুন বলেন, আমার স্বামী অসহায় ও হতদরিদ্র ছিলেন। আমার ৩ কন্যা সন্তান। আমার স্বামী বিভিন্ন খাল বিলে জাল দিয়ে মাছ ধরে সেই মাছ বিক্রি করে সংসার চালায়।
একই গ্রামের আব্দুল গফ্ফার শেখের পুত্র আলমগীর হোসেন, মৃত ইন্দু বাছাড়ের পুত্র হরিপদ ও অরুন বাছাড় ও মৃত হাজড়া বাছাড়ের পুত্র অসিত বাছাড় আমার স্বামীর সাথে শত্রুতা পোষন করে আসছিল।
শত্রুতার জের ধরে গত ২৪/০৩/২০২৩ তারিখ আনুমানিক রাত সাড়ে ১২ টায় মৎস্য ঘেরের আউটড্রেনে মাছধরা কালীন উক্ত ব্যক্তিগণ পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আমার স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মৎস্য ঘেরে ফেলে দেয়।
সকালে এ খবর পেয়ে শ্যামনগর থানা থেকে কর্তব্যরত অফিসার ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে আমার স্বামীর লাশ থানায় নিয়ে আসে এবং ময়নাতদন্তে মর্গে প্রেরণ করে। তৎকালীন এম,পি, ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বর আমাকে উক্ত হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করতে দেয়নাই। আমার স্বামীর দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর হত্যাকারীরা অজ্ঞতনামা ব্যক্তি বলে মামলা রজু করে। বর্তমান বৈসম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আওয়ামী সরকার পতন হওয়ায় সাধারণ মানুষ বাক স্বাধীনতা ফিরে পাওয়ায় আমার দেবর মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন আইনী প্রক্রিয়ায় এ মামলায় উক্ত হত্যাকারীদের আসামী করার জন্য আমাকে সহায়তা করায় উক্ত হত্যাকারীরা আমার দেবরকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক যখম করে।
এ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আমার স্বামীর হত্যাকারীদের শাস্তির দাবীতে সঠিক সত্যতা উদঘাটন করে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com