• শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০৪:৫২
সর্বশেষ :
নিরাপদ খুলনা চাই’ সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী কে ফুলেল শুভেচ্ছা ১৩ নং ওয়ার্ডবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মো: রফিকুল ইসলাম খান খুলনাবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী রাসেল শিকদার ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও খুলনা মহানগর যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য নাসির উদ্দীন আকন ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: আবুল কালাম ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন যুবদল নেতা শাহীন পাটোয়ারী খুলনায় উদ্বোধনী দিনে ফ্যামিলি কার্ড পাচ্ছেন ১ হাজার নারী ১২ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ রমযানে মানব সেবায় ওব্যাট হেল্পার্স ৬০০ পরিবারকে মানবিক সহায়তা ওব্যাট হেল্পার্স ও হিউম্যানিটি’র দুঃস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

স্বামী হত্যার বিচারের দাবীতে শ্যামনগর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

এস এম মিজানুর রহমান শ্যামনগর, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ২২৬ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৪
শ্যামনগর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর গ্রামের আরিফ বিল্লাহ’র স্ত্রী আকলিমা খাতুন (৩৬) স্বামী হত্যার বিচারের দাবীতে শ্যামনগর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন, এসময়ে তার  সাথে ছিলেন শাশুড়ী ও কন্যা।  ২২ আগষ্ট দুপুর ১২ টায় শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে লিখিত বক্তব্যে আকলিমা খাতুন বলেন, আমার স্বামী অসহায় ও হতদরিদ্র ছিলেন। আমার ৩ কন্যা সন্তান। আমার স্বামী বিভিন্ন খাল বিলে জাল দিয়ে মাছ ধরে সেই মাছ বিক্রি করে সংসার চালায়।
একই গ্রামের আব্দুল গফ্ফার শেখের পুত্র আলমগীর হোসেন, মৃত ইন্দু বাছাড়ের পুত্র হরিপদ ও অরুন বাছাড় ও মৃত হাজড়া বাছাড়ের পুত্র অসিত বাছাড় আমার স্বামীর সাথে শত্রুতা পোষন করে আসছিল।
শত্রুতার জের ধরে গত ২৪/০৩/২০২৩ তারিখ আনুমানিক রাত সাড়ে ১২ টায় মৎস্য ঘেরের আউটড্রেনে মাছধরা কালীন উক্ত ব্যক্তিগণ পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আমার স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মৎস্য ঘেরে ফেলে দেয়।
সকালে এ খবর পেয়ে শ্যামনগর থানা থেকে কর্তব্যরত অফিসার ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে আমার স্বামীর লাশ থানায় নিয়ে আসে এবং ময়নাতদন্তে মর্গে প্রেরণ করে। তৎকালীন এম,পি, ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বর আমাকে উক্ত হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করতে দেয়নাই। আমার স্বামীর দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর হত্যাকারীরা অজ্ঞতনামা ব্যক্তি বলে মামলা রজু করে। বর্তমান বৈসম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আওয়ামী সরকার পতন হওয়ায় সাধারণ মানুষ বাক স্বাধীনতা ফিরে পাওয়ায় আমার দেবর মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন আইনী প্রক্রিয়ায় এ মামলায় উক্ত হত্যাকারীদের আসামী করার জন্য আমাকে সহায়তা করায় উক্ত হত্যাকারীরা আমার দেবরকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক যখম করে।
এ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আমার স্বামীর হত্যাকারীদের শাস্তির দাবীতে সঠিক সত্যতা উদঘাটন করে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com