• শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০৬:১১
সর্বশেষ :
নিরাপদ খুলনা চাই’ সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী কে ফুলেল শুভেচ্ছা ১৩ নং ওয়ার্ডবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মো: রফিকুল ইসলাম খান খুলনাবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী রাসেল শিকদার ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও খুলনা মহানগর যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য নাসির উদ্দীন আকন ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: আবুল কালাম ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন যুবদল নেতা শাহীন পাটোয়ারী খুলনায় উদ্বোধনী দিনে ফ্যামিলি কার্ড পাচ্ছেন ১ হাজার নারী ১২ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ রমযানে মানব সেবায় ওব্যাট হেল্পার্স ৬০০ পরিবারকে মানবিক সহায়তা ওব্যাট হেল্পার্স ও হিউম্যানিটি’র দুঃস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

সালিশে গিয়ে লা ঞ্ছ নার শিকার স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা নিরব, সুষ্ঠু বিচারের দাবি

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ২২১ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৫

সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সাতক্ষীরা সদরের পরানদাহ ও জগন্নাথপুর এলাকায় জমি দখল ও ধান কেটে নেওয়ার অভিযোগে মোঃ ইসমাইল হোসেন নিরবের নাম জড়ানো হয়, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে জানিয়েছেন তিনি।

 

জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন নিরব জানান, “ঘটনার দিন আমি সাতক্ষীরা শহরের বাজারে অবস্থান করছিলাম। হঠাৎ করে সদর থানা পুলিশের দুইজন সদস্য এসে আমাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জগন্নাথপুরে নিয়ে যান। সেখানে পৌঁছানোর পর অজয় কুমার সরকার, যিনি স্থানীয়ভাবে ‘অজয় মাস্টার’ নামে পরিচিত, তার জমি নিয়ে বিরোধের বিষয়ে তদন্ত চলছিল।”

 

তিনি বলেন, “পুলিশ সদস্যরা অজয় মাস্টারকে কাগজপত্র আনতে বলেন এবং আমি তদন্তকারী দারোগার পেছনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। এ সময় হঠাৎ করে কিছু দুষ্কৃতিকারী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এসে অজয় মাস্টারের ওপর হামলা চালায়। আমি এবং পুলিশ সদস্যরা হামলাকারীদের প্রতিহত করার চেষ্টা করি। কিন্তু সেই সময় আমার উপরেও হামলা চালানো হয়। আমি কোনোমতে নিরাপদে সরে যাই।”

 

ঘটনার পর ইসমাইল হোসেন নিরব জানতে পারেন, তার মোটরসাইকেলটি, যা অজয় মাস্টারের বাড়িতে ছিল, সেটি হামলাকারীরা ভেঙে চুরমার করে দেয়। পরে সাতক্ষীরা সদর থানার সহযোগিতায় পুলিশ বাহিনী মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

 

তিনি আরও বলেন, “আমি ওই জমির মালিক নই, এবং জমি সংক্রান্ত কোনো বিরোধে জড়িত নই। বরং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনুরোধে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। অথচ আমাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অপচেষ্টা চলছে।”

 

মোঃ ইসমাইল হোসেন নিরব প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত দোষীদের বিচারের দাবি জানিয়েছেন। একইসঙ্গে নিজের মানহানির বিরুদ্ধে ন্যায়বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com