• শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০৮:০২
সর্বশেষ :
নিরাপদ খুলনা চাই’ সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী কে ফুলেল শুভেচ্ছা ১৩ নং ওয়ার্ডবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মো: রফিকুল ইসলাম খান খুলনাবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী রাসেল শিকদার ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও খুলনা মহানগর যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য নাসির উদ্দীন আকন ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: আবুল কালাম ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন যুবদল নেতা শাহীন পাটোয়ারী খুলনায় উদ্বোধনী দিনে ফ্যামিলি কার্ড পাচ্ছেন ১ হাজার নারী ১২ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ রমযানে মানব সেবায় ওব্যাট হেল্পার্স ৬০০ পরিবারকে মানবিক সহায়তা ওব্যাট হেল্পার্স ও হিউম্যানিটি’র দুঃস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

দেবহাটা উপজেলায় বোরো ধান কাটার ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষকরা

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ২২১ দেখেছেন:
পাবলিশ: শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৫
Oplus_131072

বোরো ধান কাটা ও মাড়াইয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন দেবহাটা উপজেলার কৃষকরা। প্রতিবছর খাদ্য ঘাটতি পূরণ ও লাভের আশায় ব্যাপক পরিমাণ জমিতে বোরো ধান চাষ করেন কৃষকরা। বর্তমান দেবহাটা উপজেলায় মাঠে মাঠে চলছে ধান কাটার উৎসব। কৃষকরা স্বপ্নের ফসল ঘরে তুলতে তোড়জোড় শুরু করেছেন।

 

এবার দেবহাটা উপজেলায় অধিকাংশ কৃষি জমিতে বোরো চাষ হয়েছে। তবে কালবৈশাখী ঝড়ের আতঙ্কে রয়েছেন কৃষকরা। ঝড়ের তান্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়ে যেতে পারে ক্ষেতের ফসল। তাই ঝড়ের আশঙ্কায় পাকা আধা-পাকা ধান কেটে ঘরে তোলার ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। আকাশে উত্তর পূর্ব কোণে কালো মেঘ জমতে দেখলেই মুখ যায় শুকিয়ে তাদের। মাঠ থেকে ধান কেটেই দ্রুত নেওয়া হচ্ছে বাড়ির আঙিনায়। সাথে সাথে ধান মাড়াই মেশিন দিয়ে গাছ থেকে ধান ছাটাই করে বস্তা ভর্তি করছেন কৃষকরা।

 

কোড় গ্রামের আকবার আলী জানায়, তিনি লোকের জমি ভাগে নিয়ে পাঁচ বিঘা জমিতে বোরো আবাদ করেছেন। প্রতি বিঘা জমি থেকে কুড়ি বস্তা (৩০ মণ) ধান পাওয়ার আশা করছেন তিনি। প্রতি বস্তায় ধানের পরিমাণ ৬০ কেজি অর্থাৎ দেড় মণ। সেই হিসেবে ৫ বিঘা জমিতে তিনি ১০০বস্তা ধান পাওয়ার আশা করছেন। কৃষক আব্দুল মাজেদ জানান, এবার বোরো চাষে পোকা মাকড়ের উপদ্রব কম থাকায় কীটনাশক ব্যবহার অনেকটা কমে গেছে। তবে তেল, সার, ও কীটনাশক ব্যবহারে খরচ কিছুটা বেড়েছে।

 

মোহাম্মদআলীপুর আবুল বাশার বলেন, কৃষকরা বোরো ধানের ন্যায্য বাজার মূল্য পেলে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম রয়েছে। ইতোমধ্যে দেবহাটা উপজেলার পাতনার বিল, জৈইরে বিল, শ্রীপুর, দেবহাটা সদর, সখিপুর, চন্ডিপুর, মাগরি, নাংলা মৎস্য ঘেরাঞ্চলের কৃষি জমিতে রোপন করা বোরো ধান কাটা ও মাড়াই করার তোড়জোড় শুরু হয়েছে।

 

দেবহাটা উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মো: শওকত ওসমান জানান, বোরো ধান কাটার মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কৃষকরা নির্বিঘ্নে ধান ঘরে তুলতে পারবেন। এছাড়া সরকার এবার কৃষকদের নিকট থেকে ন্যায্য মূল্যে বোরো ক্রয় করারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আশা করা হচ্ছে, দেবহাটা উপজেলার কৃষকেরা এবার ধানের ন্যায্য মূল্য পাবেন।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com