• সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০৩:৩৭
সর্বশেষ :
খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদারের কবর জিয়ারত ও মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ খবর ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে খুলনা মহানগর ও জেলা তাঁতীদলের নেতৃবৃন্দ খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদার এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় খালিশপুর চিত্রালী মার্কেট বাজার জামে মসজিদে বাদ জুম্মা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি সোনা মিয়া সরদারকে হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচী গ্রহনের লক্ষ্যে খালিশপুর থানা তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ‘পোস্টারে আমার ছবি নয়’ – সদস্য সচিব রুবেল। এপ্রিলে সাঁড়াশি অভিযান, প্রস্তুত অপরাধীদের তালিকা! দালাল নির্ভরতা কমাতে না পারলে রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়বে”—রুবেলের সতর্কবার্তা

দেবহাটা উপজেলায় বোরো ধান কাটার ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষকরা

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ২৫৩ দেখেছেন:
পাবলিশ: শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৫
Oplus_131072

বোরো ধান কাটা ও মাড়াইয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন দেবহাটা উপজেলার কৃষকরা। প্রতিবছর খাদ্য ঘাটতি পূরণ ও লাভের আশায় ব্যাপক পরিমাণ জমিতে বোরো ধান চাষ করেন কৃষকরা। বর্তমান দেবহাটা উপজেলায় মাঠে মাঠে চলছে ধান কাটার উৎসব। কৃষকরা স্বপ্নের ফসল ঘরে তুলতে তোড়জোড় শুরু করেছেন।

 

এবার দেবহাটা উপজেলায় অধিকাংশ কৃষি জমিতে বোরো চাষ হয়েছে। তবে কালবৈশাখী ঝড়ের আতঙ্কে রয়েছেন কৃষকরা। ঝড়ের তান্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়ে যেতে পারে ক্ষেতের ফসল। তাই ঝড়ের আশঙ্কায় পাকা আধা-পাকা ধান কেটে ঘরে তোলার ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। আকাশে উত্তর পূর্ব কোণে কালো মেঘ জমতে দেখলেই মুখ যায় শুকিয়ে তাদের। মাঠ থেকে ধান কেটেই দ্রুত নেওয়া হচ্ছে বাড়ির আঙিনায়। সাথে সাথে ধান মাড়াই মেশিন দিয়ে গাছ থেকে ধান ছাটাই করে বস্তা ভর্তি করছেন কৃষকরা।

 

কোড় গ্রামের আকবার আলী জানায়, তিনি লোকের জমি ভাগে নিয়ে পাঁচ বিঘা জমিতে বোরো আবাদ করেছেন। প্রতি বিঘা জমি থেকে কুড়ি বস্তা (৩০ মণ) ধান পাওয়ার আশা করছেন তিনি। প্রতি বস্তায় ধানের পরিমাণ ৬০ কেজি অর্থাৎ দেড় মণ। সেই হিসেবে ৫ বিঘা জমিতে তিনি ১০০বস্তা ধান পাওয়ার আশা করছেন। কৃষক আব্দুল মাজেদ জানান, এবার বোরো চাষে পোকা মাকড়ের উপদ্রব কম থাকায় কীটনাশক ব্যবহার অনেকটা কমে গেছে। তবে তেল, সার, ও কীটনাশক ব্যবহারে খরচ কিছুটা বেড়েছে।

 

মোহাম্মদআলীপুর আবুল বাশার বলেন, কৃষকরা বোরো ধানের ন্যায্য বাজার মূল্য পেলে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম রয়েছে। ইতোমধ্যে দেবহাটা উপজেলার পাতনার বিল, জৈইরে বিল, শ্রীপুর, দেবহাটা সদর, সখিপুর, চন্ডিপুর, মাগরি, নাংলা মৎস্য ঘেরাঞ্চলের কৃষি জমিতে রোপন করা বোরো ধান কাটা ও মাড়াই করার তোড়জোড় শুরু হয়েছে।

 

দেবহাটা উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মো: শওকত ওসমান জানান, বোরো ধান কাটার মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কৃষকরা নির্বিঘ্নে ধান ঘরে তুলতে পারবেন। এছাড়া সরকার এবার কৃষকদের নিকট থেকে ন্যায্য মূল্যে বোরো ক্রয় করারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আশা করা হচ্ছে, দেবহাটা উপজেলার কৃষকেরা এবার ধানের ন্যায্য মূল্য পাবেন।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com