• বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ১১:০৯
সর্বশেষ :
নিরাপদ খুলনা চাই’ সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী কে ফুলেল শুভেচ্ছা ১৩ নং ওয়ার্ডবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মো: রফিকুল ইসলাম খান খুলনাবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী রাসেল শিকদার ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও খুলনা মহানগর যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য নাসির উদ্দীন আকন ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: আবুল কালাম ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন যুবদল নেতা শাহীন পাটোয়ারী খুলনায় উদ্বোধনী দিনে ফ্যামিলি কার্ড পাচ্ছেন ১ হাজার নারী ১২ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ রমযানে মানব সেবায় ওব্যাট হেল্পার্স ৬০০ পরিবারকে মানবিক সহায়তা ওব্যাট হেল্পার্স ও হিউম্যানিটি’র দুঃস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

সাতক্ষীরার আলোচিত জনপদ খলিশাখালিতে পুলিশ ফাঁড়ি’র দাবী

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ১৯৯ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই, ২০২৫

মারপিট, হামলা-মামলার জন্য আলোচিত জনপদ সাতক্ষীরার দেবহাটার খলিশাখালি এলাকা। এই জনপদে অপরাধ দমনের জন্য একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন এখন স্থানীয়দের সময়ের দবী।

 

 

জানা গেছে, খলিশাখালি একটি জনবহুল এলাকা। এই এলাকায় ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসীরা ব্যক্তিমালিকানাধীন ১৩’শ ২০ বিঘা জমি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে আবাসন প্রকল্প করে দখল হয়ে আছে। বর্তমানে সেখানে মাদক আখড়াসহ বিভিন্ন ধরণের অপরাধের স্বর্গরাজ্য হিসেবে গড়ে উঠেছে।

 

এলাকাবাসীরা বলছেন, দেবহাটা থানা থেকে খলিসাখালির দুরুত্ব প্রায় ১০ কি.মি. হওয়ার কারণে প্রতিনিয়িত ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অপরাধের জন্য আইনের দ্বারস্থ হতে হিমশিম খেতে হয়। তাই এখানে একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা হলে, এটি অপরাধ দমনে সহায়ক হবে এবং এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে।

 

খলিশাখালি এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রহমান , সামাদ আলী, আশরাফ উদ্দীনসহ অনেকে জানান- এই এলাকায় ভুমিদস্যুরা মালিকানাধীন ভূমিগ্রাস করে এখানে অবস্থান করে সন্ত্রাসীরা দেশের বিভিন্ন এলাকায় অপরাধ কর্মকান্ডের আস্থানা গেড়ে বসেছে। এই কারণে, এখানে অপরাধের সম্ভাবনাও বেশি। তাই এখানে একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা হলে, পুলিশ খুব দ্রুত ঘটনাস্থলে যেতে পারবে এবং অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে পারবে। এছাড়াও একটি পুলিশ ফাঁড়ি এলাকার মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা বোধ সৃষ্টি করবে। যখন মানুষ জানবে যে তাদের এলাকায় একটি পুলিশ ফাঁড়ি আছে, তখন তারা আরও বেশি নিরাপদ বোধ করবে এবং অপরাধের শিকার হওয়ার ভয় কম পাবে।

 

তাই এলাকাবাসীর দাবি, খলিশাখালি এলাকায় একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা অত্যন্ত জরুরি। এটি এলাকার নিরাপত্তা ও শান্তি বজায় রাখতে সহায়ক হবে এবং মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।

 

এবিষয়ে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মুকিত হাসান খাঁন বলেন, সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ জনগনের সেবা দিতেই কাজ করে যাচ্ছে। সেবা নেওয়া স্বার্থে জনগনের কোন প্রত্যাশা থাকলে পুলিশ সেটি পূরণ করবে। তাছাড়া দেবহাটার খলিশাখালি এলাকায় সময় বিভিন্ন অপরাধ সংগঠিত হয়ে থাকে। স্থানীয়রা যদি সেখানে পুলিশ ফাঁড়ির দাবি করে সেটি সম্ভব।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com