• বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৬:২২
সর্বশেষ :
নিরাপদ খুলনা চাই’ সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী কে ফুলেল শুভেচ্ছা ১৩ নং ওয়ার্ডবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মো: রফিকুল ইসলাম খান খুলনাবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী রাসেল শিকদার ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও খুলনা মহানগর যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য নাসির উদ্দীন আকন ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: আবুল কালাম ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন যুবদল নেতা শাহীন পাটোয়ারী খুলনায় উদ্বোধনী দিনে ফ্যামিলি কার্ড পাচ্ছেন ১ হাজার নারী ১২ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ রমযানে মানব সেবায় ওব্যাট হেল্পার্স ৬০০ পরিবারকে মানবিক সহায়তা ওব্যাট হেল্পার্স ও হিউম্যানিটি’র দুঃস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

আশাশুনির মরিচ্চাপ নদী ভা’ঙ্গনে মসজিদ ও মাদ্রাসা হু’ম’কি’তে

বি এম আলাউদ্দিন, আশাশুনি প্রতিনিধি / ১৯৩ দেখেছেন:
পাবলিশ: শনিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৫

আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়নের তেঁতুলিয়ায় মরিচ্চাপ নদী ভাঙ্গনে জামে মসজিদ ও মাদ্রাসা চরম হুমকীতে পড়েছে। যে কোন সময় প্রতিষ্ঠান দুটি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। ২০০৩ সালে তেঁতুলিয়া হামিউচ্ছুন্নাহ কওমিয়া ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা এবং সংলগ্ন চর জামে মসজিদ প্রতিষ্ঠিত।

 

নদী খননের সময় ভরাট এলাকা দিয়ে খনন কাজ না করে ভাঙ্গন এলাকা দিয়ে খনন করায় বছর না ঘুরতেই পুনরায় ভাঙ্গন ক্রিয়া শুরু হয়। একমাস পূর্বে এখানে দৃশ্যমান ভাঙ্গন শুরু হয় এবং এক সপ্তাহ আগে ২০/২৫ হাত বাঁধ ভেঙ্গে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

 

এলাকার মানুষ স্বেচ্ছাশ্রমে ও নিজেদের চেষ্টায় শতাধিক বাঁশ জোগাড় করে পাইলিং কাজ করান। বুধবার দুপুর নাগাদ পাইলিংসহ নতুন করে বাঁধ ভেঙ্গে নদীতে চলে যায়। বর্তমানে মসজিদ ভবনের পাশ ধরা করেছে, ইমাম সাহেবের বাসা ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে। মাদ্রাসাটি হুমকীর মধ্যে রয়েছে।

 

দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে মসজিদ, মাদ্রাসাসহ এলাকার অসংখ্য ঘরবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে বলে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

 

কাদাকাটি ইউনিয়ন বিএনপি সাবেক আহবায়ক জহির উদ্দীন বলেন, আমরা এলাকার মানুষের সহযোগিতায় ভাঙ্গন রোধে কাজ করছি। ইউএনও মহোদয়ের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের সহযোগিতায় দ্রুত বাঁধ রক্ষায় সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাব।

 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার কৃষ্ণা রায় ভাঙ্গন স্থান পরিদর্শন করেছেন। তিনি ভাঙ্গনের ভয়াবহতা দেখে শঙ্কা প্রকাশ করেন এবং উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে দ্রুত পদক্ষেপ নিবেন বলে জানান।

 

পানি উন্নয়ন বোর্ড সাতক্ষীরার উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী রাশিদুল ইসলাম জানান, আমরা বাঁধ রক্ষায় প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করেছি। পরবর্তীতে সার্ভে শেষে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com