• সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০১:২২
সর্বশেষ :
খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদারের কবর জিয়ারত ও মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ খবর ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে খুলনা মহানগর ও জেলা তাঁতীদলের নেতৃবৃন্দ খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদার এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় খালিশপুর চিত্রালী মার্কেট বাজার জামে মসজিদে বাদ জুম্মা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি সোনা মিয়া সরদারকে হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচী গ্রহনের লক্ষ্যে খালিশপুর থানা তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ‘পোস্টারে আমার ছবি নয়’ – সদস্য সচিব রুবেল। এপ্রিলে সাঁড়াশি অভিযান, প্রস্তুত অপরাধীদের তালিকা! দালাল নির্ভরতা কমাতে না পারলে রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়বে”—রুবেলের সতর্কবার্তা

আশাশুনির মরিচ্চাপ নদী ভা’ঙ্গনে মসজিদ ও মাদ্রাসা হু’ম’কি’তে

বি এম আলাউদ্দিন, আশাশুনি প্রতিনিধি / ২২৯ দেখেছেন:
পাবলিশ: শনিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৫

আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়নের তেঁতুলিয়ায় মরিচ্চাপ নদী ভাঙ্গনে জামে মসজিদ ও মাদ্রাসা চরম হুমকীতে পড়েছে। যে কোন সময় প্রতিষ্ঠান দুটি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। ২০০৩ সালে তেঁতুলিয়া হামিউচ্ছুন্নাহ কওমিয়া ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা এবং সংলগ্ন চর জামে মসজিদ প্রতিষ্ঠিত।

 

নদী খননের সময় ভরাট এলাকা দিয়ে খনন কাজ না করে ভাঙ্গন এলাকা দিয়ে খনন করায় বছর না ঘুরতেই পুনরায় ভাঙ্গন ক্রিয়া শুরু হয়। একমাস পূর্বে এখানে দৃশ্যমান ভাঙ্গন শুরু হয় এবং এক সপ্তাহ আগে ২০/২৫ হাত বাঁধ ভেঙ্গে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

 

এলাকার মানুষ স্বেচ্ছাশ্রমে ও নিজেদের চেষ্টায় শতাধিক বাঁশ জোগাড় করে পাইলিং কাজ করান। বুধবার দুপুর নাগাদ পাইলিংসহ নতুন করে বাঁধ ভেঙ্গে নদীতে চলে যায়। বর্তমানে মসজিদ ভবনের পাশ ধরা করেছে, ইমাম সাহেবের বাসা ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে। মাদ্রাসাটি হুমকীর মধ্যে রয়েছে।

 

দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে মসজিদ, মাদ্রাসাসহ এলাকার অসংখ্য ঘরবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে বলে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

 

কাদাকাটি ইউনিয়ন বিএনপি সাবেক আহবায়ক জহির উদ্দীন বলেন, আমরা এলাকার মানুষের সহযোগিতায় ভাঙ্গন রোধে কাজ করছি। ইউএনও মহোদয়ের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের সহযোগিতায় দ্রুত বাঁধ রক্ষায় সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাব।

 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার কৃষ্ণা রায় ভাঙ্গন স্থান পরিদর্শন করেছেন। তিনি ভাঙ্গনের ভয়াবহতা দেখে শঙ্কা প্রকাশ করেন এবং উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে দ্রুত পদক্ষেপ নিবেন বলে জানান।

 

পানি উন্নয়ন বোর্ড সাতক্ষীরার উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী রাশিদুল ইসলাম জানান, আমরা বাঁধ রক্ষায় প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করেছি। পরবর্তীতে সার্ভে শেষে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com