• বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ১০:০৪
সর্বশেষ :
খুলনাবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী রাসেল শিকদার ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও খুলনা মহানগর যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য নাসির উদ্দীন আকন ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: আবুল কালাম ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন যুবদল নেতা শাহীন পাটোয়ারী খুলনায় উদ্বোধনী দিনে ফ্যামিলি কার্ড পাচ্ছেন ১ হাজার নারী ১২ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ রমযানে মানব সেবায় ওব্যাট হেল্পার্স ৬০০ পরিবারকে মানবিক সহায়তা ওব্যাট হেল্পার্স ও হিউম্যানিটি’র দুঃস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ স্ত্রী-কন্যাকে নিয়ে বইমেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী স্ত্রী-কন্যাকে নিয়ে বইমেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডুমুরিয়ার চুকনগর ও খর্ণিয়া বাজারের ডিপো-বরফ ফ্যাক্টরি’কে জ’রি’মা’না

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া, খুলনা প্রতিনিধি / ৭২৭ দেখেছেন:
পাবলিশ: শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫

ডুমুরিয়া উপজেলায় বৃহস্পতিবার বিকেলে”মৎস্য ও মৎস্য পণ্য (পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৮৩” অনুযায়ী লাইসেন্সবিহীন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পরিচালিত বরফ ফ্যাক্টরি ও মাছের ডিপোগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়েছে।

 

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

 

লাইসেন্স না থাকা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বরফ ফ্যাক্টরি ও ডিপো পরিচালনার অভিযোগে চুকনগর বাজারের সামাদ শেখ আইস ফ্যাক্টরিকে ২০০০ টাকা, চুকনগর আইস ফ্যাক্টরিকে ২০০০ টাকা, মেসার্স মায়ের দোয়া ফিস কে ১০০০ টাকা এবং খর্ণিয়া বাজারের মেসার্স নুপুর ফিসকে ১০০০ টাকা ও মেসার্স রায়হান ফিসকে ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। তবে এসব ডিপোতে কোন পুশকৃত চিংড়ি পাওয়া যায়নি।

 

অভিযান পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য দপ্তরের টেকনিক্যাল অফিসার প্রণব কুমার দাশ ও আশিকুর রহমান, ক্ষেত্র সহকারী কে এম মহসিন আলম এবং অফিস সহকারী মোঃ সাইফুল্লাহ।

 

খুলনা বিভাগের সম্মানিত ডাইরেক্টর জনাব মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জনাব মোঃ বদরুজ্জামান মহোদয়ের নির্দেশে পরিচালিত এই অভিযানে ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

 

এ বিষয়ে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান জানান, “ এসব প্রতিষ্ঠানগুলোকে লাইসেন্স করার জন্য বারবার তাগেদা দেয়া হয়েছে । কিন্তু তারা লাইসেন্স না করে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিল। এছাড়া, জনস্বাস্থ্য রক্ষা, নিরাপদ মৎস্য বিপণন নিশ্চিতকরণ এবং ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণের লক্ষ্যে এই ধরনের অভিযান চলমান থাকবে। মৎস্য আইনের যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে আমরা সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব এবং মানসম্মত ডিপো ও বরফ কল পরিচালনায় মালিকদের উৎসাহিত করছি।”


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com