• রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১১:১০
সর্বশেষ :
খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদারের কবর জিয়ারত ও মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ খবর ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে খুলনা মহানগর ও জেলা তাঁতীদলের নেতৃবৃন্দ খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদার এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় খালিশপুর চিত্রালী মার্কেট বাজার জামে মসজিদে বাদ জুম্মা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি সোনা মিয়া সরদারকে হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচী গ্রহনের লক্ষ্যে খালিশপুর থানা তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ‘পোস্টারে আমার ছবি নয়’ – সদস্য সচিব রুবেল। এপ্রিলে সাঁড়াশি অভিযান, প্রস্তুত অপরাধীদের তালিকা! দালাল নির্ভরতা কমাতে না পারলে রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়বে”—রুবেলের সতর্কবার্তা

শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ‘পোস্টারে আমার ছবি নয়’ – সদস্য সচিব রুবেল।

প্রতিনিধি: / ২২৪ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা

রাজনীতি মানেই দেয়ালে দেয়ালে পোস্টারের পাহাড় আর অলিগলি ছেয়ে যাওয়া প্যানা-ব্যানার—এমন চিরাচরিত সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার এক সাহসী ডাক দিলেন খুলনা মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব। সম্প্রতি এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি নেতাকর্মীদের প্রতি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তার অনুমতি ছাড়া কোনো ধরনের প্যানা বা পোস্টারে যেন তার ছবি ব্যবহার করা না হয়।

খুলনার নান্দনিক সৌন্দর্য রক্ষা এবং রাজনীতিকে ‘টাউট-বাটপার’ মুক্ত করে একটি পরিচ্ছন্ন ধারায় ফিরিয়ে আনতেই তার এই বিশেষ অনুরোধ।

স্মৃতিচারণ ও বর্তমানের প্রেক্ষাপট:

সদস্য সচিব তার বার্তায় বিগত আমলের রাজনৈতিক অপসংস্কৃতির কথা স্মরণ করে বলেন, আগে দেখা যেত সারা বছর কারণে-অকারণে শহর জুড়ে পোস্টার সাঁটানো হতো, যার বেশিরভাগই ছিল জনবিদ্বেষী বা নামসর্বস্ব নেতাকর্মীদের প্রচারণার হাতিয়ার। চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর মানুষের রাজনৈতিক চিন্তাধারায় যে আমূল পরিবর্তন এসেছে, তা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এসব প্যানা-পোস্টার এখন আর সাধারণ মানুষ পছন্দ করে না। অকারণে শহর নোংরা করা অত্যন্ত বিরক্তিকর।”

ডিজিটাল প্রচারণায় গুরুত্বারোপ:

আসন্ন ঈদ ও স্থানীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অতি-উৎসাহী কিছু নেতাকর্মী ইতিমধ্যে পোস্টার লাগিয়ে রেখেছেন। এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন:

“স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অন্যতম প্রধান কাজ হলো এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা। অথচ প্রচারণার নামে আমরাই যদি শহর নোংরা করি, তবে তা হবে স্ববিরোধী। আমি ব্যক্তিগতভাবে পরিচ্ছন্ন ও ক্রিয়েটিভ রাজনীতিতে বিশ্বাসী। তাই কাগজের পোস্টারের বদলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ডিজিটাল প্রচারণায় গুরুত্ব দেওয়া উচিত।”

কঠোর নির্দেশনা ও দেশপ্রেম

তিনি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে খুলনা মহানগর যুবদলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, কোনো প্যানা বা পোস্টারে যেন তার ছবি ব্যবহার না করা হয়। রাজনীতিকে কলুষমুক্ত করার এই লড়াইকে তিনি তার ‘ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তার এই বার্তার শেষে ছিল গভীর দেশপ্রেমের বহিঃপ্রকাশ— “সবার আগে বাংলাদেশ।”

তার এই সিদ্ধান্তকে খুলনার সাধারণ মানুষ এবং সচেতন সমাজ সাধুবাদ জানিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, যদি সব রাজনৈতিক নেতা এভাবে নিজ শহরকে ভালোবাসতেন, তবে আমাদের দেশটা আরও অনেক বেশি সুন্দর ও বাসযোগ্য হতো।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com