• বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫৪
সর্বশেষ :
খুলনাবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী রাসেল শিকদার ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও খুলনা মহানগর যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য নাসির উদ্দীন আকন ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: আবুল কালাম ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন যুবদল নেতা শাহীন পাটোয়ারী খুলনায় উদ্বোধনী দিনে ফ্যামিলি কার্ড পাচ্ছেন ১ হাজার নারী ১২ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ রমযানে মানব সেবায় ওব্যাট হেল্পার্স ৬০০ পরিবারকে মানবিক সহায়তা ওব্যাট হেল্পার্স ও হিউম্যানিটি’র দুঃস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ স্ত্রী-কন্যাকে নিয়ে বইমেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী স্ত্রী-কন্যাকে নিয়ে বইমেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

পাইকগাছা পৌরসভায় লবন পানি উত্তোলন বন্ধে ব্যবস্থাগ্রহণে কর্তৃপক্ষকে আইনী নোটিশ

প্রতিনিধি: / ৩৯৮ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি : পাইকগাছা পৌরসভায় লবন পানি উত্তোলন বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষদের
নামে লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছেন পাইকগাছা প্রেসক্লাব সভাপতি আইনজীবী
এফএমএ রাজ্জাক। জানাগেছে, ৬ ফেব্রæয়ারী সংশ্লিষ্টদের নামে এ লিগ্যাল
নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় চিংড়ি নীতিমালা
২০০৮ এবং মহামান্য হাইকোর্টের রিটপিটিশন নং ৫৭/১০ মতে সুন্দরবন
উপকূলীয় বসতী এলাকা ও কৃষি জমিতে নোনা পানি তুলে চিংড়ি চাষ করে
আর্থসামাজিক ও পরিবেশের ক্ষতি থেকে বিরত থাকার আদেশ রয়েছে। কিন্তু
নির্দেশনা উপেক্ষা করে পৌরসভাসহ এ অঞ্চলে বছরের পর বছর ধরে পরিবেশ বিধ্বংসী
লবন পানির চিংড়ি ঘের অব্যাহত আছে।
পাইকগাছা পৌর এলাকায় লবনপানি উত্তোলন বন্ধে ইতোপূর্বে উপজেলা
পরিষদ ও পৌরসভায় সিদ্ধান্ত থাকলেও অদ্যাবধি তা বাস্তবায়ন হয়নি। প্রভাবশালী
ব্যক্তিরা কৌশলে স্লুইস গেট ও ব্যক্তিগত কল গই দিয়ে লবন পানি উত্তোলন করে
চিংড়ি ঘের করছেন। স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড যৌথভাবে চেষ্টা
করলে বিতর্কিত ব্যক্তিদের ইন্ধনে বয়রা ও শিববাটি  স্লুইস গেট দিয়ে প্রথম
শ্রেনির এ পৌরসভায় নোনা পানি উত্তোলন বন্ধ করা যায়নি। এতে বসতি এলাকার
পরিবেশ নষ্ট ও কৃষি কাজ ব্যাহত হচ্ছে, একই সাথে জীববৈচিত্র হুমকির মুখে
পড়েছে। নোনার কারনে পৌর এলাকার মানুষের ঘরবাড়ী নষ্ট হচ্ছে। প্রাণীসম্পদ,
গাছপালা ও উদ্ভিদ এর মারাত্মক ক্ষতিসাধন হচ্ছে। মিষ্টি পানির সংকট দেখা
দিচ্ছে। নোনা পানির কারনে মানুষ নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এঅবস্থা
অব্যাহত থাকলে পৌরসভার অবকাঠামো গুলো ধংস হবে, পরিবেশ ও কৃষি ব্যবস্থা
সংকটের মুখোমুখি পড়বে। এ অবস্থায় লবনপানি মুক্ত করতে পৌরসভার বাসিন্দা
আইনজীবী ও সাংবাদিক এফএম এ রাজ্জাক, পৌর মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান,
উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্টদের
নামে নোটিশ দিয়েছেন। যার অনুলিপি কৃষি সম্পদ মন্ত্রনালয়, পানি সম্পদ
মন্ত্রনালয়, খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্যসহ খুলনা জেলা প্রশাসককে দেওয়া
হয়েছে।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com