• বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৮:১৫
সর্বশেষ :
খুলনাবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী রাসেল শিকদার ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও খুলনা মহানগর যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য নাসির উদ্দীন আকন ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: আবুল কালাম ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন যুবদল নেতা শাহীন পাটোয়ারী খুলনায় উদ্বোধনী দিনে ফ্যামিলি কার্ড পাচ্ছেন ১ হাজার নারী ১২ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ রমযানে মানব সেবায় ওব্যাট হেল্পার্স ৬০০ পরিবারকে মানবিক সহায়তা ওব্যাট হেল্পার্স ও হিউম্যানিটি’র দুঃস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ স্ত্রী-কন্যাকে নিয়ে বইমেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী স্ত্রী-কন্যাকে নিয়ে বইমেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আবারও গোলাগুলির শব্দ টেকনাফ সীমান্তে , সতর্ক বিজিবি

প্রতিনিধি: / ৩০৪ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

কক্সবাজারের টেকনাফে উনছিপ্রাং সীমান্তের নাফ নদীর ওপারে আবারও গোলাগুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে।  রোববার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে মিয়ানমার সীমান্তে গোলাগুলির শব্দ পায় সীমান্তের লোকজন। তবে সীমান্ত দিয়ে যাতে নতুন করে অনুপ্রবেশ ঘটতে না পারে সে জন্য বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। মিয়ানমারের সরকারি বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহীদের গোলাগুলি এখনও চলমান রয়েছে। এর আগে, গত শনিবার সকাল ১১টা থেকে সারা দিন টেকনাফ সীমান্তের ওপারে কোনো গোলাগুলির শব্দ শোনা না গেলেও ভোররাত থেকে সকাল পর্যন্ত ওই এলাকা থেকে গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়। আরাকান আর্মি ও অন্যান্য বিদ্রোহীরা টেকনাফ অংশে মিয়ানমারের শহর বলিবাজার ও কুমিরখালী ঘাঁটি দখল নিতে এই হামলা চালাচ্ছে। কুমিরখালী ঘাঁটি বড় হাওয়ায় বিদ্রোহীরা সহজে দখল নিতে পারছে না। জানতে চাইলে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান নুর আহমেদ আনোয়ারী বলেন, ‘লম্বাবিল, উনচিপ্রাং, কানজরপাড়া সীমান্তের নাফ নদীর ওপারে গুলি, মর্টার শেল বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা যাচ্ছে। লোকজনকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। সীমান্ত দিয়ে যেন কোনো লোকজন অনুপ্রবেশ করতে না পারে সে জন্য আমরাও সতর্ক অবস্থানে বয়েছি।’ এ বিষয়ে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘সীমান্তে কিছু জায়গায় গুলিবর্ষণের খবর পেয়েছি। তবে অন্যদিনের তুলনায় সীমান্তে গোলাগুলি কমেছে। সীমান্ত দিয়ে যাতে কেউ অনুপ্রবেশ করতে না পারে সে জন্য সতর্ক অবস্থানে রয়েছি আমরা।’ এদিকে রাখাইনের একটি শহর নিজেদের দখলে নিয়ে নেয় আরাকান আর্মি। এরপরই আশপাশের গ্রামে তীব্র গোলাগুলি শুরু হয়। গত ৪ থেকে ৭ ফেব্রæয়ারির মধ্যে বাংলাদেশে আসে মিয়ানমার সেনাসহ বিভিন্ন বাহিনীর ৩৩০ জন সদস্য। তাদের ফেরত পাঠানোর বিষয়ে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে আলোচনা চলছে।

 


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com