• শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৪৭
সর্বশেষ :
নিরাপদ খুলনা চাই এর মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা খুলনার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দায় প্রশাসন এড়াতে পারেনা। নিরাপদ খুলনা চাই এর মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা খুলনার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দায় প্রশাসন এড়াতে পারেনা বিকেলে সিইসির মুখোমুখি হচ্ছে বিএনপি দরজায় তালা লাগিয়ে’ বিএনপি নেতার ঘরে আগুন, ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু, দগ্ধ আরও ৩ মেয়েকে নিয়ে ২৫ ডিসেম্বর সকালে ফিরবেন তারেক রহমান তফসিল ঘোষণার পর নিজেই পোস্টার অপসারণ করলেন খুলনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল ঝাঁকঝমকপূর্ণ আয়োজনে ওব্যাট থিংক ট্যাংক খুলনার সপ্তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন আরো ৩৬ টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি চাঁদা তুলতে গিয়ে ছাত্রদল নেতাসহ আটক ৩ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ঢাকা-ময়মনসিংহে ট্রেন চলাচল বন্ধ

আবারও গোলাগুলির শব্দ টেকনাফ সীমান্তে , সতর্ক বিজিবি

প্রতিনিধি: / ২৯২ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

কক্সবাজারের টেকনাফে উনছিপ্রাং সীমান্তের নাফ নদীর ওপারে আবারও গোলাগুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে।  রোববার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে মিয়ানমার সীমান্তে গোলাগুলির শব্দ পায় সীমান্তের লোকজন। তবে সীমান্ত দিয়ে যাতে নতুন করে অনুপ্রবেশ ঘটতে না পারে সে জন্য বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। মিয়ানমারের সরকারি বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহীদের গোলাগুলি এখনও চলমান রয়েছে। এর আগে, গত শনিবার সকাল ১১টা থেকে সারা দিন টেকনাফ সীমান্তের ওপারে কোনো গোলাগুলির শব্দ শোনা না গেলেও ভোররাত থেকে সকাল পর্যন্ত ওই এলাকা থেকে গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়। আরাকান আর্মি ও অন্যান্য বিদ্রোহীরা টেকনাফ অংশে মিয়ানমারের শহর বলিবাজার ও কুমিরখালী ঘাঁটি দখল নিতে এই হামলা চালাচ্ছে। কুমিরখালী ঘাঁটি বড় হাওয়ায় বিদ্রোহীরা সহজে দখল নিতে পারছে না। জানতে চাইলে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান নুর আহমেদ আনোয়ারী বলেন, ‘লম্বাবিল, উনচিপ্রাং, কানজরপাড়া সীমান্তের নাফ নদীর ওপারে গুলি, মর্টার শেল বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা যাচ্ছে। লোকজনকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। সীমান্ত দিয়ে যেন কোনো লোকজন অনুপ্রবেশ করতে না পারে সে জন্য আমরাও সতর্ক অবস্থানে বয়েছি।’ এ বিষয়ে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘সীমান্তে কিছু জায়গায় গুলিবর্ষণের খবর পেয়েছি। তবে অন্যদিনের তুলনায় সীমান্তে গোলাগুলি কমেছে। সীমান্ত দিয়ে যাতে কেউ অনুপ্রবেশ করতে না পারে সে জন্য সতর্ক অবস্থানে রয়েছি আমরা।’ এদিকে রাখাইনের একটি শহর নিজেদের দখলে নিয়ে নেয় আরাকান আর্মি। এরপরই আশপাশের গ্রামে তীব্র গোলাগুলি শুরু হয়। গত ৪ থেকে ৭ ফেব্রæয়ারির মধ্যে বাংলাদেশে আসে মিয়ানমার সেনাসহ বিভিন্ন বাহিনীর ৩৩০ জন সদস্য। তাদের ফেরত পাঠানোর বিষয়ে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে আলোচনা চলছে।

 


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com