• বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৮
সর্বশেষ :
নিরাপদ খুলনা চাই’ সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী কে ফুলেল শুভেচ্ছা ১৩ নং ওয়ার্ডবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মো: রফিকুল ইসলাম খান খুলনাবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী রাসেল শিকদার ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও খুলনা মহানগর যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য নাসির উদ্দীন আকন ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: আবুল কালাম ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন যুবদল নেতা শাহীন পাটোয়ারী খুলনায় উদ্বোধনী দিনে ফ্যামিলি কার্ড পাচ্ছেন ১ হাজার নারী ১২ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ রমযানে মানব সেবায় ওব্যাট হেল্পার্স ৬০০ পরিবারকে মানবিক সহায়তা ওব্যাট হেল্পার্স ও হিউম্যানিটি’র দুঃস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

এলাবাসীর উদ্যোগে হাড়কাটার ফাঁকা বিলের মাঝে মসজিদ নির্মাণ

মো: আল মামুন / ৩২৫ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ২৮ জুলাই, ২০২৫

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার নগরঘাটা ইউনিয়নের হাড়কাটার জামতলায় গত ২৪ সালে স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে ফাঁকা বিলের মাঝে নির্মিত হয়েছে একটি সুন্দর মসজিদ। যেখানে রয়েছে অজুখানাসহ টিউবওয়েল। দীর্ঘদিন ধরে ওই স্থানে ধর্মীয় উপাসনার কোনো স্থান না থাকায় এলাকাবাসীর মধ্যে এই উদ্যোগ নেওয়ার তাগিদ সৃষ্টি হয়।

 

স্থানীয়রা জানান, বছরের অধিকাংশ সময় ফাঁকা থাকা এই বিলে আশপাশের গ্রামের পথচারী, ঘের ব্যবসায়ী, কৃষক ও বিভিন্ন পেশার মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করেন। নামাজের সময় হলে অনেকেই বিপাকে পড়তেন। বিশেষ করে গ্রীষ্মের তপ্ত দুপুরে দূরের পথ চলা মানুষজন নামাজ আদায়ের পাশাপাশি একটু জিরিয়ে নেওয়ার মতো স্থানের অভাব বোধ করতেন।

 

আরো পড়ুন – সুন্দরবনের চুনকুড়ি নদী থেকে আহত কচ্ছপ উদ্ধার করে অবমুক্ত

 

এই প্রয়োজনীয়তা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এলাকাবাসী নিজ উদ্যোগে জমি নির্ধারণ, অর্থ সংগ্রহ ও শ্রম দিয়ে মসজিদ নির্মাণ শুরু করেন। এই কাজে এলাকার যুব সমাজ থেকে শুরু করে বৃদ্ধ, কৃষক, কর্মচারী, ঘের মালিক সবাই একসঙ্গে অংশ নেন। সরকারি কোনো অনুদান ছাড়াই, সম্পূর্ণ স্থানীয়দের অনুদান ও পরিশ্রমেই জামতলার এই মসজিদটির কাজ সম্পন্ন হয়।

 

মসজিদের কার্যকারিতা নিয়ে পথচারী ফারুক হোসাইন বলেন, প্রতিনিয়ত কাজের প্রয়োজনে আমি এই রাস্তা দিয়ে যাই। আগে নামাজ পড়ার জায়গা পেতাম না। এখন এখানে এসে অজু করে নামাজ পড়তে পারি, আল্লাহর রহমতে অনেক শান্তি পাই। জায়গাটা এখন শুধু ইবাদতের না, মানসিক প্রশান্তিরও।

 

কৃষক রুবেল সরদার বলেন, বিলে কাজ করতে করতে যখন আযান শুনি, তখন এই মসজিদে এসে নামাজ পড়ি। আগের মতো আর দূরে যেতে হয় না। আমাদের জন্য এটা বড় নেয়ামত।

 

ঘের ব্যবসায়ী মো: রনি বলেন, প্রায় সময় ঘেরে কাজ করি। দুপুরে রোদে ক্লান্ত হয়ে গেলে এই মসজিদেই বসি, পানি পান করি। কখনো কল্পনাও করিনি এখানে কেউ মসজিদ বানাবে, এখন দেখি সবাই একসাথে মিলেই বানিয়ে ফেলেছে। গর্ব হয়!

 

এলাকাবাসী জানান, মসজিদকে ঘিরে এখানে ২টা দোকানও বসেছে। মসজিদটি খুব ছোট হলেও সময় মত সালাত আদায় করা যায়।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com