• শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫২
সর্বশেষ :
নিরাপদ খুলনা চাই এর মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা খুলনার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দায় প্রশাসন এড়াতে পারেনা। নিরাপদ খুলনা চাই এর মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা খুলনার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দায় প্রশাসন এড়াতে পারেনা বিকেলে সিইসির মুখোমুখি হচ্ছে বিএনপি দরজায় তালা লাগিয়ে’ বিএনপি নেতার ঘরে আগুন, ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু, দগ্ধ আরও ৩ মেয়েকে নিয়ে ২৫ ডিসেম্বর সকালে ফিরবেন তারেক রহমান তফসিল ঘোষণার পর নিজেই পোস্টার অপসারণ করলেন খুলনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল ঝাঁকঝমকপূর্ণ আয়োজনে ওব্যাট থিংক ট্যাংক খুলনার সপ্তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন আরো ৩৬ টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি চাঁদা তুলতে গিয়ে ছাত্রদল নেতাসহ আটক ৩ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ঢাকা-ময়মনসিংহে ট্রেন চলাচল বন্ধ

নওগাঁয় ক্লিনিকে ভূল চিকিৎসার সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার  

নওগাঁ প্রতিনিধি / ২২১ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক নির্যাতন

নওগাঁ জেলার পত্নীতলায় অবৈধ ক্লিনিক ডায়াগনস্টিকে ও ভুল চিকিৎসার সংবাদ প্রকাশের জের ধরে দুই সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ক্লিনিক ডায়াগনস্টিকের মালিক, চিকিৎসক ও তাদের ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা তুলে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করে সাংবাদিকতা না করার প্রতিশ্রুতি লিখে নিয়েছে।
এছাড়া জোর করে গলায় জুতার মালা ঝুলিয়ে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেছে। অপমান সইতে না পেরে নির্যাতনের শিকার দৈনিক জয়পুরহাট বার্তার প্রতিনিধি মাহমুদুন নবী বাড়িতে যাননি। তিনি বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। অপর জন দৈনিক মানবকন্ঠের শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে তাদেরকে তুলে নিয়ে গিয়ে পত্নীতলা সিটি ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এই পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়।
ঘটনার শিকার মাহমুদুন নবী জানান, শনিবার বিকেলে তিনি নজিপুর বাজারে সিটি ক্লিনিকের সামনে একটি স্টলে চা পান করছিলেন। এসময় সিটি ক্লিনিকের চিকিৎসক ও মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার দেওয়ান সবুর হোসেন তাকে জোড় করে ক্লিনিকের ভেতরে ধরে নিয়ে যান এবং অতর্কিত মারপিট শুরু করেন। ঘরে আটকে রেখে মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে কয়েক দফায় তাকে মারধর করা হয়। এক পর্যায়ে সন্ত্রাসী কায়দায় মেরে ফেলার হুমকির মুখে সাংবাদিকতা না করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মাহমুদুন নবীর কাছ থেকে একটি সরকারি রাজস্ব স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে নেয় তারা।
এছাড়া ফেসবুকে লাইভে সাংবাদিকতা না করার ঘোষণা এবং গলায় জুতার মালা ঝুলিয়ে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা এসে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, অবৈধ ক্লিনিক ডায়াগনস্টক ও ভুল চিকিৎসার সংবাদ প্রকাশের জের ধরে ক্লিনিক মালিক ও ডাক্তাররা চাঁদাবাজির মিথ্যা অভিযোগ তুলে নির্যাতন করেছে। এখন মামলা না করার হুমকি দিচ্ছে। এ ঘটনার সুষ্ঠ বিচার চান ভুক্তভোগীরা।
এদিকে, একই দিন রাত ১০টার দিকে মানবকন্ঠের প্রতিনিধি রবিউল ইসলামকে বাড়ির সামনে থেকে মোটরসাইকেলে করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় সিটি ক্লিনিকে। সেখনে একটি ঘরে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়।
রবিউল জানান, নির্যাতনের পর জোর করে তাকেও সরকারি রাজস্ব স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টা করে ক্লিনিক মালিকদের ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা ঘটনায় চিকিৎসক ও ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক মালিক পক্ষ একে অপরকে দোষারোপ করছে।
সিটি ক্লিনিকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হারুনুর রশিদ জানান চিকিৎসকদের সঙ্গে সাংবাদিকদের দ্বন্দ্ব হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের কেউ জড়িত নয় দাবি করেন তিনি।
চিকিৎসক দেওয়ান সবুর হোসেন নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন ক্লিনিক ডায়াগনস্টিকের মালিকপক্ষের লোকজন সাংবাদিকদের মারধর করেছে।
এ বিষয়ে পত্নীতলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, খবর পেয়ে সাংবাদিক মাহমুদুন নবী ও রবিউল ইসলামকে উদ্ধার করে আনা হয়েছিলো। তবে তারা এখনও কোনো অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com