• শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫৪
সর্বশেষ :
নিরাপদ খুলনা চাই এর মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা খুলনার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দায় প্রশাসন এড়াতে পারেনা। নিরাপদ খুলনা চাই এর মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা খুলনার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দায় প্রশাসন এড়াতে পারেনা বিকেলে সিইসির মুখোমুখি হচ্ছে বিএনপি দরজায় তালা লাগিয়ে’ বিএনপি নেতার ঘরে আগুন, ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু, দগ্ধ আরও ৩ মেয়েকে নিয়ে ২৫ ডিসেম্বর সকালে ফিরবেন তারেক রহমান তফসিল ঘোষণার পর নিজেই পোস্টার অপসারণ করলেন খুলনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল ঝাঁকঝমকপূর্ণ আয়োজনে ওব্যাট থিংক ট্যাংক খুলনার সপ্তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন আরো ৩৬ টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি চাঁদা তুলতে গিয়ে ছাত্রদল নেতাসহ আটক ৩ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ঢাকা-ময়মনসিংহে ট্রেন চলাচল বন্ধ

বগুড়ায় এক যুবককে মরিচ চুরির সন্দেহে খুঁটির সাথে বেঁধে নি র্যা ত ন

বগুড়া সংবাদদাতা / ২০০ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
মরিচ চুরির সন্দেহে নির্যাতন

বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলায় সুমন (২৪) নামে এক দিনমজুর যুবককে মরিচ চুরির অভিযোগে খুঁটির সাথে বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। দেশের সুনামধন্য একটি প্রতিষ্ঠানের সারিয়াকান্দিস্থ মরিচ সংগ্রহ কেন্দ্রের কর্মচারীরা সুমনকে পিটিয়েছে। সুমন ফুলবাড়ী ইউনিয়নের ফুলবাড়ী গ্রামের মামুদ আলী মন্ডলের ছেলে। মারপিট ছাড়াও ওই যুবকের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে তাকে ছেড়ে দিয়েছে ওই কোম্পানির লোকজন।
এলাকাবাসী সূত্র জানা গেছে, উপজেলার হাটফুলবাড়ী ইউনিয়নের গাবতলা পাড়ার কাঁঠালতলা এলাকায় ওই কোম্পানির একটি মরিচ সংগ্রহ কেন্দ্র রয়েছে। সেই মরিচ সংগ্রহ কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার রাতে দিনমজুর সুমনকে চোর সন্দেহে আটক করা হয়। এরপর সুমনকে ওই কেন্দ্রের বারান্দার খুঁটির সাথে বেঁধে সারারাত এবং গতকাল শুক্রবার বিকাল ৩টা পর্যন্ত নির্যাতন চালায়।
পরে সুমনের বাবাকে ঘটনাস্থলে ডাকা হয় এবং সুমনের বাবা মামুদ আলীর কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে  সুমনকে ছেড়ে দেয়।
এ বিষয়ে সুমনের বাবা মামুদ আলী বলেন, আমরা অনেক গরীব অসহায় মানুষ। আমিও দিনমজুর এবং আমার ছেলেও দিনমজুর। তাই আমরা কোনও পুলিশি ঝামেলায় জড়ায়নি। মানুষের কাছে থেকে ১০ হাজার টাকা ঋণ করে জরিমানার টাকা পরিশোধ করেছি। আমার ছেলেকে ওরা অনেক মারধোর করেছে। আমরা গরীব তাই কারও কাছে এর বিচার চাইনা।
ওই কোম্পানির সারিয়াকান্দি মরিচ সংগ্রহ কেন্দ্রের কর্মকর্তা মামুন জানান, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। ছুটিতে থাকার কারণে ঘটনার বিস্তারিত তিনি বলতে পারছেন না।
এ বিষয়ে বগুড়া সারিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)  রবিউল ইসলাম জানান  বিষয়টি সম্পর্কে আমাকে কিছুই জানানো হয়নি। তবে এ বিষয়ে কোনও অভিযোগ পাওয়া গেলে অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com