• বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ১১:৪৩
সর্বশেষ :
খুলনাবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী রাসেল শিকদার ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও খুলনা মহানগর যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য নাসির উদ্দীন আকন ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: আবুল কালাম ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন যুবদল নেতা শাহীন পাটোয়ারী খুলনায় উদ্বোধনী দিনে ফ্যামিলি কার্ড পাচ্ছেন ১ হাজার নারী ১২ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ রমযানে মানব সেবায় ওব্যাট হেল্পার্স ৬০০ পরিবারকে মানবিক সহায়তা ওব্যাট হেল্পার্স ও হিউম্যানিটি’র দুঃস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ স্ত্রী-কন্যাকে নিয়ে বইমেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী স্ত্রী-কন্যাকে নিয়ে বইমেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বাগেরহাটে প্রধান শিক্ষকের কারনে স্কুলে ভর্তি হতে পারলো না শিশু শাওন

প্রতিনিধি: / ২৬৯ দেখেছেন:
পাবলিশ: শুক্রবার, ৮ মার্চ, ২০২৪

আবু-হানিফ,বাগেরহাট অফিসঃ বাগেরহাটে চিতলমারীতে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির
নিয়ে দ্বন্ধে মোঃ শাওন সরদার নামের এক শিশুকে স্কুলে ভর্তি না করার অভিযোগ
উঠেছে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগি ওই শিশুটির পিতা
প্রতিকার চেয়ে বাগেরহাট জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের
করেছেন।
লিখিত অভিযোগ ও শিশু শাওনের পিতা এ্যাড. বেল্লাল সরদার বলেন, জেলার চিতলমারী
উপজেলার সন্তোষপুর ইউনিয়নের কাঠিপাড়া গ্রামে আমার বাড়ী। এই গ্রামে
কাঠিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এলাকার শিশুরা পড়াশুনা করে। আইনজীবী
হওয়ার কারনে এলাকায় আমার পরিচিতি রয়েছে। তাই এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিদের
অনুরোধে বিদ্যালয়ের ম্যনেজিং কমিটির নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেই।
এ কারনে অভিভাবক হওয়ার জন্য গত ৯ ফেব্রæয়ারী আমার ছেলের ভর্তির জন্য
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস,এম জাহাঙ্গীর হাসানের
কাছে জমা দেই। কিন্তু বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমার ছেলেকে নিয়োম অনুয়ায়ী
অনলাইনের মাধ্যমে বিদ্যালয়ে ভর্তি না করে শুধুমাত্র রেজিস্ট্রি খাতায় নাম লিখে
রাখে। পরবর্তিতে সরকার নির্ধারিত সময় পার হওয়ার প্রধান শিক্ষক আমাকে জানায়
যে, আমার ছেলেকে ভর্তি করা হয়নি। এমন অবস্থায় বিষয়টি নিয়ে আমি প্রধান
শিক্ষক জাহাঙ্গীর হাসানের কাছে জানতে চাইলে তিনি আমাকে নানাবিধ
কটুবাক্য শোনায় এবং স্থানীয় লোকজন নিয়ে আমাকে সায়েস্তা করার হুমকী দেয়।
এছাড়া প্রধান শিক্ষক একই এলাকার বাসিন্দা হওয়া কারনে অবৈধ ভাবে কোচিং
সেন্টার চালানোর পাশাপাশি নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস,এম জাহাঙ্গীর হাসান বলেন, এ্যাড. বেল্লাল
সরদারের ছেলেকে স্কুলে ভর্তি না করার বিষয়ে যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা মিথ্যা।
মূল বিষয় হচ্ছে আমি তাকে একাধিকবার তার ছেলেকে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসতে
বলেছি, কিন্তু তার ছেলে একদিনও বিদ্যালয়ে আসেনি। এ কারনে রেজিস্টার খাতায়
তার ছেলে শাওনের নাম থাকলেও সরকারি নিয়োম অনুয়ায়ী অনলাইনে আবেদন না
করায় শিশুটিতে আমরা ভর্তি করতে পারেনি।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com