• শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:১০
সর্বশেষ :
নিরাপদ খুলনা চাই এর মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা খুলনার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দায় প্রশাসন এড়াতে পারেনা। নিরাপদ খুলনা চাই এর মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা খুলনার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দায় প্রশাসন এড়াতে পারেনা বিকেলে সিইসির মুখোমুখি হচ্ছে বিএনপি দরজায় তালা লাগিয়ে’ বিএনপি নেতার ঘরে আগুন, ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু, দগ্ধ আরও ৩ মেয়েকে নিয়ে ২৫ ডিসেম্বর সকালে ফিরবেন তারেক রহমান তফসিল ঘোষণার পর নিজেই পোস্টার অপসারণ করলেন খুলনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল ঝাঁকঝমকপূর্ণ আয়োজনে ওব্যাট থিংক ট্যাংক খুলনার সপ্তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন আরো ৩৬ টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি চাঁদা তুলতে গিয়ে ছাত্রদল নেতাসহ আটক ৩ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ঢাকা-ময়মনসিংহে ট্রেন চলাচল বন্ধ

ভারত নিজ নাগরিকদের রাখাইন ত্যাগ করার নির্দেশ দিলো

প্রতিনিধি: / ২৯৪ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

বিদেশ : অবিলম্বে ভারতের নাগরিকদের মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য ত্যাগ করতে নির্দেশ দিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে ওই অঞ্চল সফরে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে নাগরিকদের প্রতি আহবান জানিয়েছে তারা। বার্তা সংস্থা পিটিআইকে উদ্ধৃত করে এ খবর দিয়েছে অনলাইন ইন্ডিয়া টুডে। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দেশটিতে সেনাবাহিনী ও জাতিগত বিদ্রোহীদের মধ্যে চলমান ভয়াবহ যুদ্ধের প্রেক্ষিতে জারি করা বিবৃতিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে- নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি, টেলিযোগাযোগে বিঘ্ন, স্থল মাইন, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মারাত্মক সঙ্কট সেখানে। এর প্রেক্ষিতে মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশ সফরে না যেতে ভারতীয় সব নাগরিকদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। যারা এরইমধ্যে ওই রাজ্যে অবস্থান করছেন তাদেরকে অবিলম্বে রাখাইন ত্যাগ করতে বলা হচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ১লা ফেব্রæয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানে অং সান সুচিকে ক্ষমতাচ্যুত করে সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং ক্ষমতা দখল করেন। কিন্তু গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে পুরো মিয়ানমারে ব্যাপক সহিংস প্রতিবাদ শুরু হয়। তা নিয়ে রাখাইন রাজ্য ও অন্য বহু এলাকায় জাতিগত সশস্ত্র বিদ্রোহী জাতিগোষ্ঠী এবং সামরিক জান্তার মধ্যে গত অক্টোবরে ভয়াবহ যুদ্ধ শুরু হয়। মিয়ানমারের গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু শহর, ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্তের কাছের রাজ্যগুলোতে নভেম্বরে দ্রæত এই যুদ্ধ তীব্র আকার ধারণ করে। এর ফলে মনিপুর এবং মিজোরামের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে নয়া দিল্লি। কারণ, বিদ্রোহীদের দমন করতে তাদের বিরুদ্ধে আকাশপথে হামলা চালাচ্ছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে মিয়ানমারের আছে ১৬৪০ কিলোমিটার সীমান্ত। এর মধ্যে আছে সক্রিয় মিলিট্যান্টদের নাগাল্যান্ড এবং মনিপুর। গত সপ্তাহে সহিংসতা পুরোপুরি বন্ধ করার আহŸান জানায় ভারত। সবার অংশগ্রহণমূলক একটি কেন্দ্রীয় গণতন্ত্রের দিকে অগ্রসর হওয়ারও আহŸান জানায় ভারত।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com