• শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৫১
সর্বশেষ :
নিরাপদ খুলনা চাই এর মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা খুলনার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দায় প্রশাসন এড়াতে পারেনা। নিরাপদ খুলনা চাই এর মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা খুলনার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দায় প্রশাসন এড়াতে পারেনা বিকেলে সিইসির মুখোমুখি হচ্ছে বিএনপি দরজায় তালা লাগিয়ে’ বিএনপি নেতার ঘরে আগুন, ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু, দগ্ধ আরও ৩ মেয়েকে নিয়ে ২৫ ডিসেম্বর সকালে ফিরবেন তারেক রহমান তফসিল ঘোষণার পর নিজেই পোস্টার অপসারণ করলেন খুলনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল ঝাঁকঝমকপূর্ণ আয়োজনে ওব্যাট থিংক ট্যাংক খুলনার সপ্তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন আরো ৩৬ টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি চাঁদা তুলতে গিয়ে ছাত্রদল নেতাসহ আটক ৩ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ঢাকা-ময়মনসিংহে ট্রেন চলাচল বন্ধ

শ্যামনগরে বন্দুক, গুলিসহ সুন্দরবনের দুই বনদ স্যু আ ট ক

এস এম মিজানুর রহমান, শ্যামনগর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ২৪৫ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ১৭ জুন, ২০২৫

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার উপকূলবর্তী যতীন্দ্রনগর ও মীরগাং এলাকা থেকে মুন্সিগঞ্জ দক্ষিণ কদমতলা এলাকার নওশাদ গাজীর ছেলে নজির গাজী (৬০) ও কৈখালী ইউনিয়নের বৈসখালি এলাকার শফিকুল ইসলামের ছেলে দিদারুল ইসলাম (২৭ )নামে দুই সুন্দরবনের জলদস্যুকে আটক করেছে থানা পুলিশ। সোমবার (১৬ জুন) রাত সাড়ে ৯টা ও ১১টার দিকে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

 

আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে তাদের ব্যবহৃত মাছ ধরার নৌকা থেকে একটি একনলা বন্দুক ও একটি ধারালো দা উদ্ধার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্যা।

 

স্থানীয়রা জানান, রাত সাড়ে আটটার দিকে ৫-৭ জন অপরিচিত ব্যক্তি সুন্দরবন তীরবর্তী যতীন্দ্রনগর বাজারে পৌঁছে একটি মাইক্রোবাস ও ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলের সন্ধান করছিল। আচরণে সন্দেহ হলে এলাকাবাসী নাম-পরিচয়সহ জিজ্ঞাসা করলে তারা পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় দিদারুল ইসলামকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নজির গাজীকেও আটক করে।

 

আটক নজির গাজী জানিয়েছেন, তিনি সুন্দরবনের কুখ্যাত ‘জোনাব বাহিনী’র সদস্যদের লোকালয় থেকে সুন্দরবনে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করেন। সোমবারে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে বাহিনীর দুই সদস্যকে যতীন্দ্রনগর বাজার পর্যন্ত পৌঁছে দেন।

 

অপর জলদস্যু দিদারুল ইসলাম জানান, তিনি নজিরের অধীনে কাজ করেন এবং সুন্দরবনে জেলেদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করেন। তবে তার কাছে পাওয়া মোবাইল ও পাওয়ার ব্যাংক সম্পর্কিত প্রশ্নের উত্তর তিনি দেননি।স্থানীয়দের দাবি, জোনাব বাহিনীর নামে বর্তমানে নজির, তার ছেলে আব্দুর রহিম, দিদারুল এবং আরও কয়েকজন জলদস্যু সুন্দরবনে তৎপর। তারা একটি পরিবহন ব্যবসায়ীর নৌকা ব্যবহার করে মাছ ধরার ছদ্মবেশে দস্যুতা চালিয়ে যাচ্ছে।তারা আরও বলেন, ওই ব্যবসায়ীর কোনো নৌকা থেকে জেলে অপহরণের ঘটনা ঘটেনি, যা সন্দেহ সৃষ্টি করছে।

 

শ্যামনগর থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানান, আটক দু’জন প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে যে তারা মাছ শিকারের ছদ্মবেশে সুন্দরবনে প্রবেশ করত। নজিরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তাদের ব্যবহারিত নৌকার ভিতর ককশিটের নিচে লুকানো অবস্থায় একটি একনলা বন্দুক ও একটি গুলি একখানা দা উদ্ধার করা হয়েছে। শ্যামনগর থানায় নিয়মিত মামলার অজু করা হয়েছে, মামলা নং (২০) ধারা ৩৯৯/৪০২ পেনাল কোড ১৮৬০ মামলা, নামলা নং ২১ ধারা দি আর্মস একটস১৮৭৮ -১৯ A তারিখ ১৭/৬/২০২৫ আটকদের থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জোনাব বাহিনীর সংগঠন ও সদস্যদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে বলেও তিনি জানান।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com