• শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:২৫
সর্বশেষ :
নিরাপদ খুলনা চাই এর মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা খুলনার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দায় প্রশাসন এড়াতে পারেনা। নিরাপদ খুলনা চাই এর মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা খুলনার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দায় প্রশাসন এড়াতে পারেনা বিকেলে সিইসির মুখোমুখি হচ্ছে বিএনপি দরজায় তালা লাগিয়ে’ বিএনপি নেতার ঘরে আগুন, ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু, দগ্ধ আরও ৩ মেয়েকে নিয়ে ২৫ ডিসেম্বর সকালে ফিরবেন তারেক রহমান তফসিল ঘোষণার পর নিজেই পোস্টার অপসারণ করলেন খুলনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল ঝাঁকঝমকপূর্ণ আয়োজনে ওব্যাট থিংক ট্যাংক খুলনার সপ্তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন আরো ৩৬ টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি চাঁদা তুলতে গিয়ে ছাত্রদল নেতাসহ আটক ৩ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ঢাকা-ময়মনসিংহে ট্রেন চলাচল বন্ধ

শ্যামনগরে শিশু ছাত্রীদের যৌ ন নিপিড়নের হাত থেকে রক্ষা পেতে সংবাদ সম্মেলন

এস এম মিজানুর রহমান শ্যামনগর, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ১৭৫ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ৮ জুলাই, ২০২৪
ছাত্রীদের যৌন নিপিড়নের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

সাতক্ষীরা’র শ্যামনগর উপজেলার ১৭১ নং টেংরাখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আবুল কাসেম কর্তৃক চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রীদের যৌন নিপিড়নের হাত থেকে রক্ষা পেতে শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে  সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।  ৮ জুলাই সোমবার বেলা ৩টায় উপজেলা প্রেসক্লাব হল রুমে রমজানগর ইউনিয়নের টেংরাখালী গ্রামের মৃত শহর আলী গাজীর ছেলে মোঃ মুনছুর আলী সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
লিখিত বক্তব্য বলেন,১৭১ নং টেংরাখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আবুল কাসেম একজন দুঃচরিত্রবান,লম্পট ব্যক্তি। তিনি অত্র   বিদ্যালয়ের শিশুছাত্রীদের যৌন নিপিড়ন করে আসছে। বিষয়টি নিয়ে ইতি পূর্বে তার বিরুদ্ধে কয়েকবার অভিযোগ উঠলে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে ধামাচাঁপা দিয়েছেন।
মুজিবর গাজীর কন্যা ৪র্থ শ্রেনী ও তার বড় ছেলে মিজানুর রহমানের কন্যা একই শ্রেনীতে অত্র বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত আছে।গত ৭ জুলাই রবিবার স্কুল চলাকালীন সময়ে প্রধান শিক্ষকের শ্রেনী কক্ষে  ঘটনাটি ঘাটে পরে তারা বাড়ীতে এসে বলে। একজন অভিভাবক বলেন আমার মেয়েকে ইতি পূর্বে বার বার যৌন নিপিড়ন করার চেষ্টা করলে তাকে অত্র বিদ্যালয় হতে বাহির করে অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করি বর্তমানে জহিরনগর মাদ্রাসায় সপ্তম শ্রেণীতে পড়াশোনা করছে।তাহার এমন অপকর্মের কারনে অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা কমে যাচেছ। তার বিরুদ্ধে বার বার এমন ধরনের অভিযোগ উঠলেও মোটা অঙ্কের টাকা ও ক্ষমতার দাপটে বার বার স্থানীয় ভাবে রক্ষা পেয়েছে।আপনাদের লিখনের মাধ্যমে উর্দ্ধতন  কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
অপার দিকে অভিযুক্ত ১৭১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেমের কাছে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এই সমস্ত কাজের সাথে কোনভাবে জড়িত না। আমার মান-সম্মান নষ্ট করার জন্য এবং স্কুলের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে। আমি আগামী কাল মঙ্গলবার সকালে এই বিষয়ে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সাথে মিটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যদি প্রমাণিত হয় তাহলে আইনগত যে সাজা হবে আমি সেটা মেনে নেব।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com