• শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৩
সর্বশেষ :
নিরাপদ খুলনা চাই’ সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী কে ফুলেল শুভেচ্ছা ১৩ নং ওয়ার্ডবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মো: রফিকুল ইসলাম খান খুলনাবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী রাসেল শিকদার ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও খুলনা মহানগর যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য নাসির উদ্দীন আকন ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: আবুল কালাম ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন যুবদল নেতা শাহীন পাটোয়ারী খুলনায় উদ্বোধনী দিনে ফ্যামিলি কার্ড পাচ্ছেন ১ হাজার নারী ১২ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ রমযানে মানব সেবায় ওব্যাট হেল্পার্স ৬০০ পরিবারকে মানবিক সহায়তা ওব্যাট হেল্পার্স ও হিউম্যানিটি’র দুঃস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

শ্যামনগর নওয়াবেঁকীতে খোলপেটুয়া নদীর চর দখল করে ভবন নির্মাণ

এস এম মিজানুর রহমান, শ্যামনগর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ১৭০ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৫

শ্যামনগরে আঁটুলিয়া ইউনিয়নের নওয়াবেকী বাজারে পাশে খোলপেটুয়া নদীর চর দখল করে সরকারিভাবে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও অদৃশ্য কোন এক পাওয়ারে অবৈধ স্থাপনা অব্যাহত রেখেছে আব্দুল আজিজ বাহিনী।

 

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় স্থানীয় প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে নওয়াবেঁকী বাজার সংলগ্ন এলাকায় খোলপেটুয়া নদীর চর দখল করে বালু ভরাট করে চলছে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ। নদীর চরে অবৈধ পাকা স্থাপনা নির্মাণ কাজ বন্ধের নির্দেশনা সম্বলিত সাইনবোর্ড লাগানো থাকলেও তা মানছে না কেউ।অবৈধ এই দখলপ্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছেন স্থানীয়প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ ও ব্যবসায়ীরা।

 

খোলপেটুয়া নদীর চর দখল করে স্থাপনা নির্মাণের বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, প্রশাসনের লোকজন এসে দেখার পর কয়েকদিন কাজ বন্ধ থাকে। কিন্ত রহস্যজনক কারণে কিছুদিন পর আবারো শুরু হয় ভবন নির্মাণের কাজ। এমন চোর-পুলিশ খেলার মাঝেই নদীর চর দখল করে গড়ে উঠছে একের পর এক অবৈধ স্থাপনা।

 

বিশেষ করে গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার সুযোগের বেপরোয়া হয়ে উঠেছে স্থানীয় একাধিক ব্যবসায়ী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ। তারা প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে অবৈধ এই কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
সচেতন নাগরিক সমাজের অভিমত, সরকারি খাস জায়গার উপর দালান ঘর নির্মাণ করা হলে সরকারের মূল্যবান সম্পত্তি বেহাত হয়ে যাবে। শুধু তাই নই এভাবে সরকারি খাস জায়গার উপর পাকা ঘর নির্মাণ অব্যাহত থাকলে পার্শ্ববর্তী পড়ে থাকা সরকারি খাস জায়গা গুলো প্রভাবশালীর হাতে চলে যেতে পারে। তাই দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে সরকারি খাস জায়গা দখলমুক্ত করতে উপজেলা প্রশাসন কে এগিয়ে আসা উচিত বলে মনে করেন সুশীল সমাজ।

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় ব্যাবসায়ী জানান আব্দুল আজিজ ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে জোরপূর্বক ভাবে সরকারি খাস জায়গা দখল করে রাখলেও সরকারি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ রহস্য জনক কারণে নিরব ছিল।

 

সরকারি জায়গায় অবৈধভাবে গড়ে উঠা অবৈধ স্হাপনা বা পাকা ঘরে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে সরকারি সম্পত্তি রক্ষা করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার ভূমি’র হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা।

 

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ রনি খাতুন বলেন সরকারি জায়গায় খোলপেটুয়া নদীর চর অবৈধ দখল করে পাকা ঘর স্থাপনা তৈরি করলে সেটি উচ্ছেদ করা হবে।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com