• শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫৭
সর্বশেষ :
নিরাপদ খুলনা চাই’ সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী কে ফুলেল শুভেচ্ছা ১৩ নং ওয়ার্ডবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মো: রফিকুল ইসলাম খান খুলনাবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী রাসেল শিকদার ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও খুলনা মহানগর যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য নাসির উদ্দীন আকন ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: আবুল কালাম ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন যুবদল নেতা শাহীন পাটোয়ারী খুলনায় উদ্বোধনী দিনে ফ্যামিলি কার্ড পাচ্ছেন ১ হাজার নারী ১২ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ রমযানে মানব সেবায় ওব্যাট হেল্পার্স ৬০০ পরিবারকে মানবিক সহায়তা ওব্যাট হেল্পার্স ও হিউম্যানিটি’র দুঃস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

সহকারী শিক্ষক পদে চাকুরী দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ

এস এম মিজানুর রহমান শ্যামনগর, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ১৮২ দেখেছেন:
পাবলিশ: শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
অভিযোগ

সাতক্ষীরা’র শ্যামনগর উপজেলার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের শ্রীফলকাটি গ্রামের মৃত ক্বারী তৈয়েবুর রহমানের প্রতারক পুত্র জি এম ফিরোজ আহমেদ আটুলিয়া ইউনিয়নের বয়ারসিংহ গ্রামের সত্যসরণ মন্ডলের স্ত্রী সুজিতা রানী মন্ডলকে প্রাইমারির স্কুলের সহকারী শিক্ষক পদে চাকুরি দেওয়ার নাম করে নগদ তিন লক্ষ বারো হাজার পাঁচশত টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত দরখাস্ত দায়ের করেছে।
শনিবার ১৪ সেপ্টেম্বর বারসিংহ গ্রামের স্ত্রী সুজিতা রানী মন্ডলের স্বামী সত্যসরণ মন্ডল বাদী হয়ে মৃত ক্বারী তৈয়েবুর রহমানের ছেলে ফিরোজ আহমেদকে বিবাদী করে অভিযোগ করে।
লিখিত অভিযোগ থেকে জানাযায়,বাদী একজন গ্রাম্য প্রাণী সম্পদ (পশু) চিকিৎসক ও টেকনিশিয়ান প্রশিক্ষন প্রাপ্ত ব্যক্তি। বিবাদীর বাড়ীতে গরুর খামার থাকায় প্রায় সময় যাওয়া আসার সুবাদে বাদীর সহিত বন্ধুত্ব পরিচয় সর্ম্পক গড়ে উঠে। বিবাদী আমার স্ত্রী সুজিতা রানী মন্ডল কে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চাকুরী দেওয়ার প্রলোভন দেখাইয়া ও ভুল বুঝাইয়া বিগত ২০১৩ সালে তৎকালিন এমপির নাম ভাঙ্গাইয়া আমার নিকট থেকে তিন কিস্তিতে নগদ তিন লক্ষ বার হাজার পাঁচশত টাকা গ্রহন করে। টাকা গ্রহন করার পর বিবাদী আমার স্ত্রীকে প্রাইমারী স্কুলে সহকারীশিক্ষকা পদে চাকুরী দেয় নাই বা দিতে পারে নাই।
আমি বিবাদীর কাছে বার বার টাকা চাহিলে এবং চাকুরীর কথা বলিলে সে বিভিন্ন ধরনের টালবাহনা ও অজুহাত সৃষ্টি করিয়া আমাকে অযথা হয়রানী করছে। বাদী দারুন ভাবে হয়রানীর স্বীকার হচ্ছে এবং আর্থিক ভাবে বহু ক্ষতি গ্রস্থ হচ্ছে। সেকারনে প্রতারনা ও বিশ্বাস ভঙ্গের দায়ে টাকা গুলি আদায় সহ তাহার বিরুদ্ধে সরকারী বিধি মোতাবেক আইনগত ব্যবস্থ গ্রহণের জন্য উদ্বোধন কর্তৃপক্ষ দৃষ্টি কামনা করছি।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com