• শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:১৮
সর্বশেষ :
নিরাপদ খুলনা চাই এর মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা খুলনার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দায় প্রশাসন এড়াতে পারেনা। নিরাপদ খুলনা চাই এর মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা খুলনার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দায় প্রশাসন এড়াতে পারেনা বিকেলে সিইসির মুখোমুখি হচ্ছে বিএনপি দরজায় তালা লাগিয়ে’ বিএনপি নেতার ঘরে আগুন, ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু, দগ্ধ আরও ৩ মেয়েকে নিয়ে ২৫ ডিসেম্বর সকালে ফিরবেন তারেক রহমান তফসিল ঘোষণার পর নিজেই পোস্টার অপসারণ করলেন খুলনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল ঝাঁকঝমকপূর্ণ আয়োজনে ওব্যাট থিংক ট্যাংক খুলনার সপ্তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন আরো ৩৬ টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি চাঁদা তুলতে গিয়ে ছাত্রদল নেতাসহ আটক ৩ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ঢাকা-ময়মনসিংহে ট্রেন চলাচল বন্ধ

হাইতি বন্দর থেকে ইউনিসেফের ত্রাণের কন্টেইনার লুট

প্রতিনিধি: / ২০৯ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ১৭ মার্চ, ২০২৪

বিদেশ : জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ শনিবার হাইতির প্রধান বন্দর থেকে তাদের একটি ত্রাণবোঝাই কন্টেইনার লুট হয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে। লুট হওয়া কন্টেইনারে ‘মাতৃত্ব, নবজাতক এবং শিশুদের প্রাণ রক্ষার জন্য জরুরি’ পণ্য ছিল। ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের দেশ হাইতিতে রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা দীর্ঘদিনের। যার সমাধান না হওয়ায় এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশটির অর্থনীতিতে। খাদ্যাভাব চরমে পৌঁছেছে, দেখা দিয়েছে মানবিক সংকট। ইউনিসেফ থেকে সতর্ক করে বলা হয়, দেশটিতে রেকর্ড পরিমাণ মানুষ অনাহারে ভুগছে এবং রাজধানী পোর্ট- ঔ-প্রিন্স এর বিভিন্ন অংশে প্রাণঘাতী অপুষ্টি দেখা দিয়েছে। দেশটির অনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী এরিয়েল হেনরি এ সপ্তাহে বলেছেন, একটি অন্তর্র্বতীকালীন কাউন্সিল চালু হলে তিনি পদত্যাগ করবেন। সশস্ত্র বিভিন্ন গ্যাং বর্তমানে রাজধানীর বিভিন্ন অংশের নিয়ন্ত্রণ করছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা থেকে বলা হয়, এইসব গ্যাং গণহারে হত্যা, অপহরণ ও ধর্ষণ করছে। ইউনিসেফ জানায়, পোর্ট-ঔ-প্রিন্স বন্দরে তাদের ত্রাণের ১৭টি কন্টেইনার এসেছে। সেগুলো থেকে একটি লুট হয়েছে। ইউনিসেফের হাইতি প্রতিনিধি ব্রæনো মায়েস এক বিবৃতিতে বলেছেন, “শিশুদের জীবন রক্ষার জন্য জরুরি ত্রাণ সরবরাহ লুটপাট অবশ্যই দ্রæত বন্ধ করতে হবে। “এমন একটি সংকটময় মুহূর্তে লুটের ঘটনা ঘটছে যখন শিশুদের ওইসব জিনিসের সবচেয়ে বেশি দরকার।” এদিকে,নিরাপত্তা জনিত কারণে রাজধানীর কয়েকটি হাসপাতাল নিজেদের কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে। নগরীতে বর্তমানে মাত্র দুইটি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা আছে বলেও জানিয়েছে ইউনিসেফ। বিদ্যুৎ, জ্বলানি এবং চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাবে হাইতি জুড়ে কমবেশি সব হাসপাতালই নিজেদের কার্যক্রম ঠিকমত চালাতে পারছে না। ১০টির মধ্যে ছয়টি চিকিৎসাকেন্দ্রই তাই বন্ধ হতে বসেছে বলেও জানিয়েছে ইউনিসেফ।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com