• শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪৬
সর্বশেষ :
নিরাপদ খুলনা চাই’ সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী কে ফুলেল শুভেচ্ছা ১৩ নং ওয়ার্ডবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মো: রফিকুল ইসলাম খান খুলনাবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী রাসেল শিকদার ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও খুলনা মহানগর যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য নাসির উদ্দীন আকন ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: আবুল কালাম ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন যুবদল নেতা শাহীন পাটোয়ারী খুলনায় উদ্বোধনী দিনে ফ্যামিলি কার্ড পাচ্ছেন ১ হাজার নারী ১২ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ রমযানে মানব সেবায় ওব্যাট হেল্পার্স ৬০০ পরিবারকে মানবিক সহায়তা ওব্যাট হেল্পার্স ও হিউম্যানিটি’র দুঃস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

হারানো ঐতিহ্যের খোঁজে—শিশুদের হাতে ঘুড়ি ফিরিয়ে আনছে শৈশব

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ১৫৭ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ১৫ জুন, ২০২৫
Oplus_131072

প্রযুক্তির আধিপত্যে যখন বাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা হারিয়ে যেতে বসেছে, তখন সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলার কয়েকজন শিশুর হাতে আবারও দেখা গেলো *বর্ণিল ঘুড়ি*—একটা সময়কার জনপ্রিয় গ্রামীণ খেলনা।

 

 

দেবহাটার এক গ্রামে দেখা যায় তিন শিশু হাতে করে বিশাল আকৃতির একটি ঘুড়ি নিয়ে হাসিমুখে দাঁড়িয়ে আছে। এ দৃশ্য যেন গ্রামীণ বাংলার শৈশবকে ফিরিয়ে আনে।

 

 

এক সময় বিকেল হলেই ছেলেরা মাঠে ছুটে যেত ঘুড়ি উড়াতে। এখন সেই জায়গা নিয়েছে মোবাইল গেম ও ইউটিউব। তবে এই শিশুদের ঘুড়ি বানানোর আগ্রহ প্রমাণ করে—সুযোগ পেলে এখনো শিশুরা ঐতিহ্যকেই আঁকড়ে ধরতে চায়।

 

 

স্থানীয় এক অভিভাবক বলেন, ঘুড়ি শুধু খেলা নয়, এটা এক ধরনের চর্চা, সৃজনশীলতা, আর বন্ধুত্বের বাঁধন। এই চর্চা ফিরিয়ে আনা খুব দরকার।

 

প্রয়োজন শুধু উৎসাহ ও আয়োজনের। স্থানীয় প্রশাসন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো চাইলে ঘুড়ি উৎসব ও প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এই ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে পারে।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com