• সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১২:০০
সর্বশেষ :
খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদারের কবর জিয়ারত ও মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ খবর ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে খুলনা মহানগর ও জেলা তাঁতীদলের নেতৃবৃন্দ খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদার এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় খালিশপুর চিত্রালী মার্কেট বাজার জামে মসজিদে বাদ জুম্মা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি সোনা মিয়া সরদারকে হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচী গ্রহনের লক্ষ্যে খালিশপুর থানা তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ‘পোস্টারে আমার ছবি নয়’ – সদস্য সচিব রুবেল। এপ্রিলে সাঁড়াশি অভিযান, প্রস্তুত অপরাধীদের তালিকা! দালাল নির্ভরতা কমাতে না পারলে রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়বে”—রুবেলের সতর্কবার্তা

আশাশুনিতে জনগণের জানমাল রক্ষায় কঠোর অবস্থানে সেনাবাহিনী

বিএম আলাউদ্দীন আশাশুনি ব্যুরো / ২৭২ দেখেছেন:
পাবলিশ: শনিবার, ১০ আগস্ট, ২০২৪
জনগণের জানমাল রক্ষায় কঠোর অবস্থানে সেনাবাহিনী

আশাশুনিতে জনগণের জানমাল রক্ষা সহ পরিবেশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কঠোর অবস্থানে রয়েছে। শনিবার বিকালে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে আশাশুনির দায়িত্বে কর্মরত মেজার মারুফ এর নেতৃত্বে সেনা সদস্যরা বিরতিহীন ভাবে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে টহল জোরদার করেছে। ফলে উপজেলার আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে।

 

সে কারণে সাধারণ মানুষ নিরাপদে নির্ভয় চলাফেরা করছেন।

 

তাছাড়া এলাকার বিচ্ছিন্ন কিছু অভিযোগের ভিত্তিতে বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষ অভিযোগকারীদের উপস্থিতিতে সে বিষয়গুলো সমস্যার সমাধানপূর্বক এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ আসামী গুলো থানা হেফাজতে রাখা হয়। যাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয় তাদেরকে বলা হয় এরপরে জনগণ যদি কোন অভিযোগ করে তাহলে কোনরুপ ছাড় দেওয়া হবে না। তাদেরকে কঠোর ভাবে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

দায়িত্বে কর্মরত মেজর মারুফ বলেন সার্বক্ষণিক জনগণের জানমাল রক্ষায় নিরাপত্তা দিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পাশাপাশি পুলিশ, আনসার ও গ্রাম পুলিশসহ অন্যান্য বাহিনীর সদস্য বৃন্দ মাঠে রয়েছে। কোনভাবেই সহিংসতা করতে দেওয়া হবে না। যারা করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কোন ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিকভাবে সেনাবাহিনী সহ থানা পুলিশকে অবহিত করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।

 

এছাড়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে জনগণকে সচেতন করতে ও দুর্বৃত্ত দুষ্কৃতকারীদের ধরিয়ে দিতে মাইকিং প্রচার অব্যাহত রয়েছে। কোন স্থানে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিকভাবে থানায় এসে অভিযোগ করবেন।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com