• সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০৩:০৪
সর্বশেষ :
খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদারের কবর জিয়ারত ও মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ খবর ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে খুলনা মহানগর ও জেলা তাঁতীদলের নেতৃবৃন্দ খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদার এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় খালিশপুর চিত্রালী মার্কেট বাজার জামে মসজিদে বাদ জুম্মা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি সোনা মিয়া সরদারকে হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচী গ্রহনের লক্ষ্যে খালিশপুর থানা তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ‘পোস্টারে আমার ছবি নয়’ – সদস্য সচিব রুবেল। এপ্রিলে সাঁড়াশি অভিযান, প্রস্তুত অপরাধীদের তালিকা! দালাল নির্ভরতা কমাতে না পারলে রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়বে”—রুবেলের সতর্কবার্তা

শ্যামনগরের ছোটকুপট গ্রামে কাফনের কাপড় মোড়ানো অক্ষত লা শ উদ্ধার 

এস এম মিজানুর রহমান শ্যামনগর, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ২৫১ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
কাফনের কাপড় মোড়ানো অক্ষত লাশ উদ্ধার 

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে মসজিদ সংস্কারের জন্য খনন করা হচ্ছিল মাটি, সেখানে কাফনের কাপড়ে মোড়ানো একটি মরদেহ পাওয়া গেছে ,আট বছর ৬ মাস আগের দাফন করা মরদেহটি এখনো অক্ষত।

সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে শ্যামনগর উপজেলার আটুলিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ছোটকুপট (যোগিন্দ্রনগর) দ্বিতল মসজিদের পাশে এ ঘটনা ঘটে। মৃত ব্যক্তির নাম আব্দুল গণি। তিনি ওই গ্রামের মৃত শামসুদ্দিন গাজীর ছেলে।

 

আব্দুল গণির ছেলে আবু সুফিয়ান বলেন, ‘২০১৬ সালের ৭ মার্চ আমার বাবা মারা যান। সেসময় মসজিদের পাশেই বাবাকে কবর দিই। কিছুদিন আগে মসজিদটি সংস্কার করার জন্য মসজিদের পাশে থাকা বাবার কবরসহ আরও একটি কবর স্থানান্তরের প্রস্তাব দেয় মসজিদ কমিটি। তাতে আমরা সম্মতি দিয়েছি। আজ সকালে কবর খুঁড়লে সেখানে থাকা বাবার কবরের ভেতরে মরদেহটি অক্ষত দেখতে পাই। পরে ওলামায়ে কেরামদের সঙ্গে পরামর্শ করে নতুন করে কবর খুঁড়ে জানাজা ছাড়াই দাফন করা হয়েছে।

 

আব্দুল গণি ইসলামি অনুশাসন মেনে চলতেন বলেও জানান তার ছেলে আবু সুফিয়ান।

 

স্থানীয় হাম্মাদিয়া মাদরাসার মুহতামিম মুফতি মাউসুফ সিদ্দিকী বলেন, আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেছেন, ‘যারা আল্লাহর রাস্তায় মারা যায়, তাদের তোমরা মৃত বলো না। বরং তারা জীবিত এবং কবরে আল্লাহ তাদের রিজিক দেন। তাই এটি অস্বাভাবিক কোনো ঘটনা নয়।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com