• শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৩৭
সর্বশেষ :
নিরাপদ খুলনা চাই এর মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা খুলনার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দায় প্রশাসন এড়াতে পারেনা। নিরাপদ খুলনা চাই এর মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা খুলনার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দায় প্রশাসন এড়াতে পারেনা বিকেলে সিইসির মুখোমুখি হচ্ছে বিএনপি দরজায় তালা লাগিয়ে’ বিএনপি নেতার ঘরে আগুন, ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু, দগ্ধ আরও ৩ মেয়েকে নিয়ে ২৫ ডিসেম্বর সকালে ফিরবেন তারেক রহমান তফসিল ঘোষণার পর নিজেই পোস্টার অপসারণ করলেন খুলনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল ঝাঁকঝমকপূর্ণ আয়োজনে ওব্যাট থিংক ট্যাংক খুলনার সপ্তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন আরো ৩৬ টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি চাঁদা তুলতে গিয়ে ছাত্রদল নেতাসহ আটক ৩ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ঢাকা-ময়মনসিংহে ট্রেন চলাচল বন্ধ

ডুমুরিয়ার মাল্টা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হচ্ছে বিক্রয়

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া, খুলনা প্রতিনিধি  / ১৯৬ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৪
মাল্টা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হচ্ছে বিক্রয়

ডুমুরিয়া উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে মাল্টা চাষ শুরু হয়েছে। এই উৎপাদিত মাল্টা এখানকার স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রেরণ করা হচ্ছে। এই উপজেলার উৎপাদিত মাল্টা খুবই সুস্বাদু ও রসালো। মাল্টা চাষ লাভজনক হওয়ায় রসালো ফল মাল্টার চাষ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

 

উপজেলা ঘুরে মাল্টা চাষিদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে মাল্টার গাছগুলোতে প্রচুর পরিমাণ মাল্টার ফলন হয়েছে। মাল্টার বাগানে গাছে গাছে থোকায় থোকায় মাল্টা শোভা পাচ্ছে। প্রতিটি গাছে এতই বেশি মাল্টা ধরেছে যে, ফলের ভারে গাছের ডালগুলো মাটির দিকে নুয়ে পড়েছে। আর এই মাল্টা চাষেই খুলছে এই উপজেলার মানুষের ভাগ্যে চাকা। দূর-দূরান্ত হতে মাল্টা বাগানে ব্যবসায়ীরা আসছেন মাল্টা কেনার জন্য। বর্তমানে এই মাল্টাগুলো স্থানীয় বাজারগুলোতে ১শ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা ৩ হাজার টাকা মণ দরে বাগান হতে মাল্টা ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছেন।

 

এমনি একটি চিত্র চোখে পড়ে উপজেলার রঘুনাথপুর ইউনিয়নের থুকড়া গ্রামে। এই গ্রামের মাল্টা চাষি সেলিম জানান, উপজেলা কৃষি অফিসার সহযোগিতায় ২০০০ সালে ২০শতক জমিতে মাল্টা বাগান গড়ে তুলি। গত বছরে ৫০ হাজার টাকার মাল্টা বিক্রি করেছি। চলতি মৌসুমে পাইকাররা ১০০শত টাকা দাম কমে বিক্রি করবেন না বলেছেন, তিনি ৫০হাজার টাকার মাল্টা বিক্রির দাবি করছেন।

 

ডুমুরিয়া মহিলা কলেজের অবসরপ্রাপ্ত প্রফেসার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জি এম আমানুল্লাহ, জানান, তাদের উৎপাদিত পাকা মাল্টা উত্তোলন করা শুরু হয়েছে। তাদের উৎপাদিত মাল্টাগুলো বাজারে প্রচুর চাহিদা রয়েছে। মাল্টা চাষ করে তারা লাভবান হবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ ইনসাদ ইবনে আমিন বলেন, এই উপজেলার মাটি মাল্টা চাষের জন্য উপযোগী। উপজেলা কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় দিন দিন এই উপজেলায় মাল্টা চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে এই এলাকার মাল্টা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের অন্যান্য জেলায় প্রেরণ করা হচ্ছে। এ উপজেলায় ২৫ হেক্টর জমিতে মাল্টা চাষ হচ্ছে। চলতি মৌসুমে কুমারেশ মন্ডল নামে এক মাল্টা চাষি সরাফ পুর ইউনিয়নে
কালিকাপুর দত্ত ডাঙ্গায় ১শ শতক জমিতে মাল্টার বাগান লাগানো শুরু করেছেন।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com