• বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪১
সর্বশেষ :
নিরাপদ খুলনা চাই’ সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী কে ফুলেল শুভেচ্ছা ১৩ নং ওয়ার্ডবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মো: রফিকুল ইসলাম খান খুলনাবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী রাসেল শিকদার ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও খুলনা মহানগর যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য নাসির উদ্দীন আকন ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: আবুল কালাম ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন যুবদল নেতা শাহীন পাটোয়ারী খুলনায় উদ্বোধনী দিনে ফ্যামিলি কার্ড পাচ্ছেন ১ হাজার নারী ১২ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ রমযানে মানব সেবায় ওব্যাট হেল্পার্স ৬০০ পরিবারকে মানবিক সহায়তা ওব্যাট হেল্পার্স ও হিউম্যানিটি’র দুঃস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

ডুমুরিয়ার মাল্টা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হচ্ছে বিক্রয়

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া, খুলনা প্রতিনিধি  / ২০৮ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৪
মাল্টা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হচ্ছে বিক্রয়

ডুমুরিয়া উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে মাল্টা চাষ শুরু হয়েছে। এই উৎপাদিত মাল্টা এখানকার স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রেরণ করা হচ্ছে। এই উপজেলার উৎপাদিত মাল্টা খুবই সুস্বাদু ও রসালো। মাল্টা চাষ লাভজনক হওয়ায় রসালো ফল মাল্টার চাষ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

 

উপজেলা ঘুরে মাল্টা চাষিদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে মাল্টার গাছগুলোতে প্রচুর পরিমাণ মাল্টার ফলন হয়েছে। মাল্টার বাগানে গাছে গাছে থোকায় থোকায় মাল্টা শোভা পাচ্ছে। প্রতিটি গাছে এতই বেশি মাল্টা ধরেছে যে, ফলের ভারে গাছের ডালগুলো মাটির দিকে নুয়ে পড়েছে। আর এই মাল্টা চাষেই খুলছে এই উপজেলার মানুষের ভাগ্যে চাকা। দূর-দূরান্ত হতে মাল্টা বাগানে ব্যবসায়ীরা আসছেন মাল্টা কেনার জন্য। বর্তমানে এই মাল্টাগুলো স্থানীয় বাজারগুলোতে ১শ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা ৩ হাজার টাকা মণ দরে বাগান হতে মাল্টা ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছেন।

 

এমনি একটি চিত্র চোখে পড়ে উপজেলার রঘুনাথপুর ইউনিয়নের থুকড়া গ্রামে। এই গ্রামের মাল্টা চাষি সেলিম জানান, উপজেলা কৃষি অফিসার সহযোগিতায় ২০০০ সালে ২০শতক জমিতে মাল্টা বাগান গড়ে তুলি। গত বছরে ৫০ হাজার টাকার মাল্টা বিক্রি করেছি। চলতি মৌসুমে পাইকাররা ১০০শত টাকা দাম কমে বিক্রি করবেন না বলেছেন, তিনি ৫০হাজার টাকার মাল্টা বিক্রির দাবি করছেন।

 

ডুমুরিয়া মহিলা কলেজের অবসরপ্রাপ্ত প্রফেসার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জি এম আমানুল্লাহ, জানান, তাদের উৎপাদিত পাকা মাল্টা উত্তোলন করা শুরু হয়েছে। তাদের উৎপাদিত মাল্টাগুলো বাজারে প্রচুর চাহিদা রয়েছে। মাল্টা চাষ করে তারা লাভবান হবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ ইনসাদ ইবনে আমিন বলেন, এই উপজেলার মাটি মাল্টা চাষের জন্য উপযোগী। উপজেলা কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় দিন দিন এই উপজেলায় মাল্টা চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে এই এলাকার মাল্টা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের অন্যান্য জেলায় প্রেরণ করা হচ্ছে। এ উপজেলায় ২৫ হেক্টর জমিতে মাল্টা চাষ হচ্ছে। চলতি মৌসুমে কুমারেশ মন্ডল নামে এক মাল্টা চাষি সরাফ পুর ইউনিয়নে
কালিকাপুর দত্ত ডাঙ্গায় ১শ শতক জমিতে মাল্টার বাগান লাগানো শুরু করেছেন।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com