• সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫০
সর্বশেষ :
নিরাপদ খুলনা চাই’ সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী কে ফুলেল শুভেচ্ছা ১৩ নং ওয়ার্ডবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মো: রফিকুল ইসলাম খান খুলনাবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী রাসেল শিকদার ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও খুলনা মহানগর যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য নাসির উদ্দীন আকন ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: আবুল কালাম ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন যুবদল নেতা শাহীন পাটোয়ারী খুলনায় উদ্বোধনী দিনে ফ্যামিলি কার্ড পাচ্ছেন ১ হাজার নারী ১২ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ রমযানে মানব সেবায় ওব্যাট হেল্পার্স ৬০০ পরিবারকে মানবিক সহায়তা ওব্যাট হেল্পার্স ও হিউম্যানিটি’র দুঃস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

সুন্দরবনের গরান ও জ্বালানীকাঠ কাটার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

এস এম মিজানুর রহমান, শ্যামনগর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ১৩৫ দেখেছেন:
পাবলিশ: শনিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৫

পূর্ব-পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা খুলনা রেঞ্জে সুন্দরবনের সীমিত পরিসরে গরান কাঠ কাটার দাবীতে শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৪ জানুয়ারী (শনিবার) শ্যামনগর উপজেলা প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে লিখিত সংবাদ সম্মেলন পাঠ করেন-সুন্দরবন বনজীবি ব্যবসায়ী বাওয়ালী মালিক ফেডারেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক বদরুজ্জামান। তিনি তার বক্তব্যে বলেন,পূর্ব-পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা ও খুলনা রেঞ্জে সুন্দরবনের দীর্য ১৭ বছর যাবৎ গরান কাঠ কাটা সরকারি ভাবে নিষিদ্ধ রয়েছে। ফলে গরান জ্বালানী আহরন বন্ধ রয়েছে। এতে সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকার জ্বালানী সংকট ও বনজীবিরা কর্মসংস্থানের অভাবে দুঃখ কষ্টে জীবন যাপন করছেন। সুন্দরবনের গরান গাছের ছায়ার কারনে বড় বড় প্রজাতির গাছ গুলো বেড়ে উঠতে পারছেনা এবং নতুন করে গাছ জন্মাচ্ছে না। সরকারের রাজস্ব হ্রাস পাচ্ছে।

গরান জ্বালানী কাঠ আহরনের বনজীবি -বাওয়ালীদের দাবীর প্রেক্ষিতে খুলনা ও সাতক্ষীরা রেঞ্জের স্টেশন কর্মকর্তারা সীমিত পরিসরে গরান জ্বালানী কাঠ আহরন সম্ভব মর্মে প্রতিবেদন দেন। তৎকালীন খুলনা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড.আবু নাসের মোহাম্মদ মোহসিন হোসেন খুলনা বিভাগের ২ রেঞ্জ থেকে ৫০ হাজার মণ গরাণ জ্বালানি আহরণের স্বপক্ষে মতামত দিয়ে প্রতিবেদন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রদান করেন। সুন্দরবনে ব্যাপক হারে গরান বৃদ্ধি পাওয়ায় সুন্দরী, বাইন, ধুন্দল, পশুর সহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ বংশবৃদ্ধি করতে পারছে না।

রাজস্ব বৃদ্ধিতে সুন্দরবন বনজীবি বাওয়ালীরা সীমিত আকারে গরান জ্বালানী কাঠ আহরনের অনুমতির জন্য বনবিভাগ সহ উর্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

 

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-সুন্দরবন বনজীবি ব্যবসায়ী বাওয়ালী মালিক ফেডারেশনের সভাপতি কামরুজ্জামান বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিজ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলি, বাওয়ালী আব্দুল হাই, নুর মোহাম্মদ, সিরাজুল ইসলাম ও মফিদুল ইসলাম প্রমূখ।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com