• শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:০৩
সর্বশেষ :
সোনাডাঙ্গা থানা তাঁতীদলের সাধারণ সম্পাদকের পিতার আশু রোগ মুক্তি ও সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতীদলের খুলনা মহানগরের অন্তর্গত খানজাহান আলী থানার কমিটি গঠন বাজার কমিটির নব-নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক কে খুলনা জেলা তাঁতী দলের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন। নারী পাচারকারীর নতুন ফাঁদ। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এর ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে খুলনা মহানগর তাঁতীদলের উদ্যোগে ‘বৃক্ষরোপণ” কর্মসূচি অনুষ্ঠিত চুকনগরে অসহনীয় যানজট নিরসন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির দাবিতে সোচ্চার ‘নিরাপদ খুলনা চাই’ বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এর ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকীতে খুলনা মহানগর তাঁতীদলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল ও তৃষ্ণার্তদের মাঝে বিশুদ্ধ খাবার পানি ও স্যালাইন বিতরন খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!!

সুন্দরবনের গরান ও জ্বালানীকাঠ কাটার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

এস এম মিজানুর রহমান, শ্যামনগর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ১৯৯ দেখেছেন:
পাবলিশ: শনিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৫

পূর্ব-পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা খুলনা রেঞ্জে সুন্দরবনের সীমিত পরিসরে গরান কাঠ কাটার দাবীতে শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৪ জানুয়ারী (শনিবার) শ্যামনগর উপজেলা প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে লিখিত সংবাদ সম্মেলন পাঠ করেন-সুন্দরবন বনজীবি ব্যবসায়ী বাওয়ালী মালিক ফেডারেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক বদরুজ্জামান। তিনি তার বক্তব্যে বলেন,পূর্ব-পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা ও খুলনা রেঞ্জে সুন্দরবনের দীর্য ১৭ বছর যাবৎ গরান কাঠ কাটা সরকারি ভাবে নিষিদ্ধ রয়েছে। ফলে গরান জ্বালানী আহরন বন্ধ রয়েছে। এতে সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকার জ্বালানী সংকট ও বনজীবিরা কর্মসংস্থানের অভাবে দুঃখ কষ্টে জীবন যাপন করছেন। সুন্দরবনের গরান গাছের ছায়ার কারনে বড় বড় প্রজাতির গাছ গুলো বেড়ে উঠতে পারছেনা এবং নতুন করে গাছ জন্মাচ্ছে না। সরকারের রাজস্ব হ্রাস পাচ্ছে।

গরান জ্বালানী কাঠ আহরনের বনজীবি -বাওয়ালীদের দাবীর প্রেক্ষিতে খুলনা ও সাতক্ষীরা রেঞ্জের স্টেশন কর্মকর্তারা সীমিত পরিসরে গরান জ্বালানী কাঠ আহরন সম্ভব মর্মে প্রতিবেদন দেন। তৎকালীন খুলনা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড.আবু নাসের মোহাম্মদ মোহসিন হোসেন খুলনা বিভাগের ২ রেঞ্জ থেকে ৫০ হাজার মণ গরাণ জ্বালানি আহরণের স্বপক্ষে মতামত দিয়ে প্রতিবেদন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রদান করেন। সুন্দরবনে ব্যাপক হারে গরান বৃদ্ধি পাওয়ায় সুন্দরী, বাইন, ধুন্দল, পশুর সহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ বংশবৃদ্ধি করতে পারছে না।

রাজস্ব বৃদ্ধিতে সুন্দরবন বনজীবি বাওয়ালীরা সীমিত আকারে গরান জ্বালানী কাঠ আহরনের অনুমতির জন্য বনবিভাগ সহ উর্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

 

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-সুন্দরবন বনজীবি ব্যবসায়ী বাওয়ালী মালিক ফেডারেশনের সভাপতি কামরুজ্জামান বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিজ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলি, বাওয়ালী আব্দুল হাই, নুর মোহাম্মদ, সিরাজুল ইসলাম ও মফিদুল ইসলাম প্রমূখ।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com