• মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৩৮
সর্বশেষ :
নিরাপদ খুলনা চাই এর মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা খুলনার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দায় প্রশাসন এড়াতে পারেনা। নিরাপদ খুলনা চাই এর মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা খুলনার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দায় প্রশাসন এড়াতে পারেনা বিকেলে সিইসির মুখোমুখি হচ্ছে বিএনপি দরজায় তালা লাগিয়ে’ বিএনপি নেতার ঘরে আগুন, ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু, দগ্ধ আরও ৩ মেয়েকে নিয়ে ২৫ ডিসেম্বর সকালে ফিরবেন তারেক রহমান তফসিল ঘোষণার পর নিজেই পোস্টার অপসারণ করলেন খুলনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল ঝাঁকঝমকপূর্ণ আয়োজনে ওব্যাট থিংক ট্যাংক খুলনার সপ্তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন আরো ৩৬ টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি চাঁদা তুলতে গিয়ে ছাত্রদল নেতাসহ আটক ৩ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ঢাকা-ময়মনসিংহে ট্রেন চলাচল বন্ধ

ডুমুরিয়ায় বিলুপ্তির পথে রয়না মাছ

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া, খুলনা প্রতিনিধি  / ১৭১ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৫
ডুমুরিয়ায় বিলুপ্তির পথে রয়না মাছ

খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের খালবিলে দেশীয় মাছ রয়না বিলুপ্তির পথে। এমন একটা সময় আসবে যখন ‘মাছে ভাতে বাঙালি’ এটা কথাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে, বাস্তবে মিলবে না। গোলাভরা ধান আর পুকুরভরা মাছ- এসব এখন অতীত। বিভিন্ন ডায়িং, কলকারখানার বর্জ্য ও বিষাক্ত কেমিক্যাল নদী, খাল, বিল ও পুকুরের পানিতে এসে মিশে দেশীয় প্রজাতির শিং, কৈ, টেংরা, পুঁটি, মলা, মাগুর মাছসহ ইত্যাদি প্রজাতিকে বিলুপ্তির পথে নিয়ে গেছে।

 

পুকুরে এখন রুই, কাতল, মৃগেল, পাঙ্গাশ, তেলাপিয়া, সরপুঁটি, মাগুর, শিং, কৈ, পাবদা ইত্যাদি মাছ চাষ করা হয়। এতে করে দেশের মানুষের মাছের চাহিদা হয়তোবা পূরণ হচ্ছে কিন্তু দেশীয় মাছের যে স্বাদ বা পুষ্টি, তা আমরা পাচ্ছি না। আগে দেশীয় একটি কৈ বা শিং মাছ খেয়ে যে তৃপ্তি পাওয়া যেত, তা এখন চাষ করা মাছে পাওয়া যায় না। বাণিজ্যিক আকারে মাছ চাষের কারণে বিভিন্ন খাবার বা ওষুধ মাছে প্রয়োগ করা হয়। এতে দেশীয় প্রজাতির মাছের স্বাদ থাকে না।

এ ব্যাপারে খুলনার ডুমুরিয়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান বলেন, আমরা বিভিন্ন যুগোপযোগী পদ্ধতির মাধ্যমে দেশীয় মিঠা পানির মাছের ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করব। দেশীয় মাছ আমাদের দেশের সম্পদ, তা রক্ষা করতে যাবতীয় ব্যবস্থা আমাদের পক্ষ থেকে নেয়া হবে, সেই সঙ্গে দেশীয় প্রজাতির মাছ রক্ষায় সচেতন মানুষদের এগিয়ে আসতে হবে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে মিঠা পানির ২৬০ প্রজাতির মধ্যে ১৪৩টি ছোট মাছ। এর মধ্যে ৬৪ প্রজাতির মাছ বিলুপ্তপ্রায়। ফলে এক দশক আগেও বাজারে ছোট মাছের প্রাপ্যতায় ছিল নানা সংকট। ছোট মাছ পাওয়া গেলেও দাম ছিল ক্রেতাদের নাগালের বাইরে।

 

বিশেষ করে দেশীয় কৈ, শিং, মাগুর, পাবদা কেনার সামর্থ্য ছিল না অনেকের। আবহমান গ্রামবাংলার নদ-নদী, হাওর-বাঁওড় ও খালবিল শুকিয়ে যাওয়াসহ জলবায়ুর প্রভাবে দেশীয় প্রজাতির সুস্বাদু, বাহারি এসব মাছ প্রায় বিলুপ্তির পথে।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com