• শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৫০
সর্বশেষ :
নিরাপদ খুলনা চাই এর মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা খুলনার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দায় প্রশাসন এড়াতে পারেনা। নিরাপদ খুলনা চাই এর মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা খুলনার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দায় প্রশাসন এড়াতে পারেনা বিকেলে সিইসির মুখোমুখি হচ্ছে বিএনপি দরজায় তালা লাগিয়ে’ বিএনপি নেতার ঘরে আগুন, ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু, দগ্ধ আরও ৩ মেয়েকে নিয়ে ২৫ ডিসেম্বর সকালে ফিরবেন তারেক রহমান তফসিল ঘোষণার পর নিজেই পোস্টার অপসারণ করলেন খুলনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল ঝাঁকঝমকপূর্ণ আয়োজনে ওব্যাট থিংক ট্যাংক খুলনার সপ্তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন আরো ৩৬ টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি চাঁদা তুলতে গিয়ে ছাত্রদল নেতাসহ আটক ৩ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ঢাকা-ময়মনসিংহে ট্রেন চলাচল বন্ধ

ডুমুরিয়ায় জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রশাসনের যৌথ অভিযান: নেট-পাটা ও জাল উচ্ছেদে কঠোর পদক্ষেপ

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া, খুলনা প্রতিনিধি / ২৯৯ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫

খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার বিভিন্ন নদ-নদীতে পানির স্বাভাবিক প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী অবৈধ নেট-পাটা ও নিষিদ্ধ জাল অপসারণে বুধবার এক বিশেষ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

 

ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মো: জিল্লুর রহমান রিগান এর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে সহায়তা করেন ডুমুরিয়া উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শেখ হেলাল উদ্দীন, বয়াশিং ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, ডুমুরিয়া থানা পুলিশের এস আইও সদস্যরা।

 

অভিযানে ঘ্যাংরাইল নদীর বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে স্থাপিত ৩০টি নেট-পাটা উচ্ছেদ করা হয়। এছাড়াও, জব্দ করা হয় ২৫টি চায়না দুয়ারী জাল, ২হাজার‌ মিটার কারেন্ট জাল, ১০টি দুহোড় এবং একটি বেহুন্দি জাল। অভিযান শেষে জব্দকৃত সব নিষিদ্ধ জাল ও সরঞ্জামাদি পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ২ লক্ষ টাকা।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য দপ্তরের টেকনিক্যাল অফিসার প্রণব কুমার দাস, আশিকুর রহমান ও ক্ষেত্র সহকারী জনাব কে এম মহসিন আলম।

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মো: জিল্লুর রহমান রিগান বলেন, “জলাবদ্ধতা নিরসনে অবৈধ জাল ও নেট-পাটা অপসারণ অত্যন্ত জরুরী। এগুলো শুধু পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে না, বরং মাছের প্রজনন ব্যাহত করে এবং পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে।

 

তিনি আরও বলেন জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং অবৈধ মৎস্য আহরণ ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, কৃষি, মৎস্য এবং পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে নদী-খাল অবমুক্ত রাখা এবং অবৈধ নেট-পাটা-বাধ রোধে সবাইকে আরও সচেতন ও সহযোগিতাশীল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। জনস্বার্থে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com