• বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৩
সর্বশেষ :
খুলনাবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী রাসেল শিকদার ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও খুলনা মহানগর যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য নাসির উদ্দীন আকন ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: আবুল কালাম ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন যুবদল নেতা শাহীন পাটোয়ারী খুলনায় উদ্বোধনী দিনে ফ্যামিলি কার্ড পাচ্ছেন ১ হাজার নারী ১২ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ রমযানে মানব সেবায় ওব্যাট হেল্পার্স ৬০০ পরিবারকে মানবিক সহায়তা ওব্যাট হেল্পার্স ও হিউম্যানিটি’র দুঃস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ স্ত্রী-কন্যাকে নিয়ে বইমেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী স্ত্রী-কন্যাকে নিয়ে বইমেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

১৯৭১ সালে ডুবে যাওয়া পাকিস্তানি সাবমেরিন ভারত খুঁজে পেল

প্রতিনিধি: / ২৬৬ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

আন্তর্জাতিক: বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়া পাকিস্তানি সাবমেরিন পিএনএস গাজির ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পেয়েছে ভারতীয় নৌবাহিনীর উদ্ধারকারী জলযান ‘ডিপ সাবমার্জেন্স রেসকিউ ভেহিকেল’। বিশাখাপত্তনমের খুব কাছেই ওই সাবমেরিনের ধ্বংসাবশেষ মিলেছে বলে জানিয়েছে ভারতের সংবাদ মাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস। বঙ্গোপসাগরে তলিয়ে যাওয়া পাকিস্তানি সাবমেরিনটি আগে ছিল মার্কিন নৌবহরের অংশ। মার্কিন সামরিক বাহিনীতে এই ডুবোজাহজটি ইউএসএস ডিবালো নামে ব্যবহার করা হত। পরে সেটি পাকিস্তানের নৌবাহিনীকে দিয়েছিল আমেরিকা। হিন্দুস্তান টাইমস বলছে, বিশাখাপত্তনম থেকে মাত্র আড়াই কিলোমিটার দূরে পানির তলায় মাত্র ১০০ মিটার গভীরে সাবমেরিনটিকে খুঁজে বের করে ভারতীয় নৌসেনার ‘ডিপ সাবমার্জেন্স রেসকিউ ভেহিকেল’। ডুবে যাওয়ার সময়ে পাকিস্তানের এই সাবমেরিনে ছিলেন ৯৩ জন নাবিক। যাদের ১১ জন অফিসার। ভারতের পূর্ব উপক‚লের কাছে সমুদ্রে মাইন বসানোর জন্যে এই সাবমেরিন পাঠানো হয়েছিল। এ ছাড়া ভারতের বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রান্ত ধ্বংস করারও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল পিএনএস গাজিকে। ১৯৭১ সালের ১৪ নভেম্বর পাকিস্তান ছেড়ে ৪ হাজার ৮০০ কি. মি. পথ পাড়ি দিয়ে বিশাখাপত্তনমের কাছে এসে পৌঁছেছিল পিএনএস গাজি। এই সাবমেরিনকে ধ্বংস করতে আইএনএস রাজপুত নামক রণতরীকে মোতায়েন করে ভারত। সমুদ্রে পাকিস্তানি ডুবোজাহাজকে চিহ্নিত করে ‘ডেপথ চার্জ’-এর মাধ্যমে সেটিকে ধ্বংস করে ভারতীয় রণতরী। অন্যদিকে পাকিস্তানের দাবি ছিল, দুর্ঘটনার কারণে ধ্বংস হয়ে যায় সেটি।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com