• শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৪৯
সর্বশেষ :
নিরাপদ খুলনা চাই এর মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা খুলনার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দায় প্রশাসন এড়াতে পারেনা। নিরাপদ খুলনা চাই এর মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা খুলনার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দায় প্রশাসন এড়াতে পারেনা বিকেলে সিইসির মুখোমুখি হচ্ছে বিএনপি দরজায় তালা লাগিয়ে’ বিএনপি নেতার ঘরে আগুন, ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু, দগ্ধ আরও ৩ মেয়েকে নিয়ে ২৫ ডিসেম্বর সকালে ফিরবেন তারেক রহমান তফসিল ঘোষণার পর নিজেই পোস্টার অপসারণ করলেন খুলনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল ঝাঁকঝমকপূর্ণ আয়োজনে ওব্যাট থিংক ট্যাংক খুলনার সপ্তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন আরো ৩৬ টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি চাঁদা তুলতে গিয়ে ছাত্রদল নেতাসহ আটক ৩ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ঢাকা-ময়মনসিংহে ট্রেন চলাচল বন্ধ

মোরেলগঞ্জের একটি ইউনিয়নে জেলেদের চাল বিতরনে অনিয়মের অভিযোগ

প্রতিনিধি: / ১৯৯ দেখেছেন:
পাবলিশ: শুক্রবার, ২৯ মার্চ, ২০২৪

মোরেলগঞ্জ প্রতিনিধি: বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে খাউলিয়া ইউনিয়নে জেলেদের
চাল বিতরনে অনিয়মের অভিযোগে সুবিধা বঞ্চিতদের হট্টগোলে ৩ ঘন্টা
বিতরন বন্ধ। চাল না পেয়ে উপজেলা মৎস্য অফিসে অর্ধশত জেলেদের অবস্থান।
জানা গেছে, উপজেলার খাউলিয়া ইউনিয়নে জাটকা আহরনে বিরত থাকা জেলেদের
খাদ্য সহয়তা মার্চ মাসের জন প্রতি ৪০ কেজি চাল বৃহস্পতিবার সকালে ৫১৯ জন
সুবিধাভোগীর মাঝে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিতরন শুরু করেন সংশ্লীষ্ট ইউপি
চেয়ারম্যান মাষ্টার সাইদুর রহমান। এ সময় তালিকা থেকে বাদ পড়া, বঞ্চিত অনেক
জেলে ওই ইউনিয়নের পুরাতণ পরিষদ ভবনের সামনেই বিক্ষোভ করেন। এক পর্যায়ে
সুবিধা বঞ্চিতদের হট্টগোলে চাল বিতরন স্থগীত করে দেয় চেয়ারম্যান।
পরবর্তীতে মধ্য বরিশাল, ফাসিয়াতলা, পশ্চিম বরিশাল ও পূর্ব বরিশাল গ্রামের অর্ধ
শতাধীক সুবিধা বঞ্চিত নারী-পুরুষ উপজেলা মৎস্য অফিসে অবস্থান নিয়ে মৎস্য
কর্মকতা বিনয় কুমার রায়ের নিকট অভিযোগ তুলে ধরেন। এ সময় তারা দাবী
করেন, সাগরে মাছ ধরে জীবীকা নির্বাহ করি, জাটকা আহরনে বিরত থাকায় সরকার
বছরে ৪ মাস খাদ্য সহয়তা দিয়ে আসছেন অসহায় জেলেদের। আমরা নিবন্ধিকৃত ও
তালিকাভুক্ত প্রকৃত জেলে হওয়া স্বত্তেও চাল বিতরনে চেয়ারম্যান তাদের নাম বাদ
দিয়ে চাল দেয় নি। তারা এ ঘটনার বিষয় তদন্ত পূর্বক বিচার ও তাদের প্রাপ্য চাল
পাওয়ার দাবী জানান।
এ দিকে সকাল থেকে শত শত জেলে চাল নিতে আসলেও অনেককে খালি হাতে ফিরে
যেতে হয়েছে। চেয়ারম্যান চাল বিতরন ১১টার দিকে বন্ধ করলেও ৩ ঘন্টা পর পুনরায়
ওই তালিকায় চাল বিতরন শুরু করেন। স্থানীয় সুবিধাভোগী কুমারখালী গ্রামের
আব্দুস সত্তার গাজী, ছাইদুল শিকদার, কাঞ্চন শিকদার, ফাসিয়াতলা গ্রামের
মজিবর শেখ, তাছলিমা বেগম, শাহনাজ বেগম, রেখা খানম, পূর্ব বরিশাল গ্রামের
আনোয়ার শিকদার, মাধ্য বরিশাল গ্রামের বারেক হাওলাদার, পূর্ব আমতলী গ্রামের
সজিব শিকদার, মাসুদ আকনসহ একাধীকরা অভিযোগ করে বলেন, সকাল ৮টায় চাল
নিতে এসে বসে রয়েছি। ১১টার পরে চেয়ারম্যান হঠাৎ চাল বন্ধ করে দিয়েছেন। চাল
পাবো ৪০ কেজি, দিচ্ছেন ৩০ কেজির ১ বস্তা। বিশেষ ব্যক্তিদের সুপারীশে পরে
এসেও চাল নিয়ে গেছে অনেকেই, এ পেশার সাথে জড়িত নয়, আবার তালিকায়ও
নাম নেই এমন পান বিক্রেতাও পেয়েছেন ৩০ কেজির ১ বস্তা চাল।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com