• সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০১:৪৭
সর্বশেষ :
খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদারের কবর জিয়ারত ও মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ খবর ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে খুলনা মহানগর ও জেলা তাঁতীদলের নেতৃবৃন্দ খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদার এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় খালিশপুর চিত্রালী মার্কেট বাজার জামে মসজিদে বাদ জুম্মা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি সোনা মিয়া সরদারকে হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচী গ্রহনের লক্ষ্যে খালিশপুর থানা তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ‘পোস্টারে আমার ছবি নয়’ – সদস্য সচিব রুবেল। এপ্রিলে সাঁড়াশি অভিযান, প্রস্তুত অপরাধীদের তালিকা! দালাল নির্ভরতা কমাতে না পারলে রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়বে”—রুবেলের সতর্কবার্তা

কাদা-পানিতে চলাচলে ভোগান্তি, বিদ্যালয়ে যাওয়া কষ্টসাধ্য

মো: আলাউদ্দিন, কৃষ্ণনগর, কালিগঞ্জ প্রতিনিধি / ১৯৭ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর মাহবুব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে দিয়ে প্রতিদিন শত শত শিশু হেঁটে আসে স্কুলে। এই রাস্তা দিয়েই স্থানীয় হাইস্কুল, মাদ্রাসা আর গার্লস স্কুলের শিক্ষার্থীরাও যাতায়াত করে। আবার ব্যবসায়ীরাও কৃষ্ণনগর ও নয়াবেকী বাজারের মধ্যে আসা–যাওয়া করেন।

 

কিন্তু এত গুরুত্বপূর্ণ এই মেইন সড়কের স্কুলের সামনের প্রায় এক কিলোমিটার অংশ বছরের পর বছর ধরে কাঁচা পড়ে আছে। চারপাশের রাস্তা কার্পেটিং হলেও স্কুলের মুখের এইটুকু অংশ যেন উপেক্ষিতই থেকে গেছে।

 

শুকনো মৌসুমে কোনো রকমে চলা যায় কিন্তু বর্ষা এলেই রাস্তায় জমে যায় হাঁটু–কাদা। তখন বই–খাতা হাতে কাদার মধ্যে দিয়েই যেতে হয় শিক্ষার্থীদের। অনেক সময় ছোট ছোট পা পিছলে পড়ে, ভিজে জামাকাপড়ে ক্লাস করে তারা। বিদ্যালয়ের শিক্ষক হুমায়ুন কবির বলেন, প্রতিদিন শিক্ষার্থীদের এই দুর্ভোগ চোখের সামনে দেখি। খুব কষ্ট লাগে, কিন্তু কিছুই করার নেই। আরেক শিক্ষক সাইফুল ইসলাম জানান, বর্ষায় শিশু শিক্ষার্থীরা প্রায়ই পানি কাদায় ভিজে ক্লাসে আসে। অসুখ–বিসুখও হয়।

 

আরো পড়ুন :- অসহায়দের মাঝে ভ্যান ও টিনসহ অনুদান প্রদান করলেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক

 

প্রথম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মা জানান, মেয়ে কাদার ভয়ে স্কুলেই যেতে চায় না। কখনো কোলে, কখনো কাঁধে করে স্কুলে নিয়ে যাই। একাধিক অভিভাবক বলেন, বৃষ্টির দিনে এই রাস্তায় সন্তানকে স্কুলে পাঠানো মানেই চিন্তা আর বিড়ম্বনা।

 

শুধু শিক্ষার্থী নয়, এই রাস্তা ব্যবহার করেন কৃষ্ণনগর ও নয়াবেকী বাজারের ব্যবসায়ীরাও। কাঁচা রাস্তার জন্য এখন শ্যামনগর ঘুরে অন্তত ৭ কিলোমিটার বাড়তি পথ পাড়ি দিতে হয়, এতে সময়, খরচ আর ভোগান্তি—সবই বেড়ে গেছে।

 

এক অভিভাবক আক্ষেপ করে বলেন, এতটুকু রাস্তা, তাও বছরের পর বছর কাঁচা পড়ে আছে। বৃষ্টি হলে বাচ্চারা ভিজে যায়, অসুখ হয়, খুব কষ্ট লাগে। এলাকাবাসী সহ শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের একটাই দাবি—এই এক কিলোমিটার রাস্তা দ্রুত পাকা হোক। শুধু শিশু শিক্ষার্থী নয়, পুরো এলাকার মানুষ স্বস্তি পাক। কারণ এই কাদার ভেতর দিয়ে প্রতিদিন যে শিশুরা হাঁটে—ওদের হাত ধরেই তো আগামীর বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com