নারী পাচারকারীর নতুন ফাঁদ।
ইমরান হোসেন ক্রাইম রিপোর্টার
খুলনা তেরখাদা উপজেলার ৬ নং মধুপুর ইউনিয়নের মোকামপুর গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে নারী পাচারকারী একটি চক্র বিভিন্ন এলাকার গরীব সহজ সরল নারীদেরকে মোবাইলে প্রেমের ফাঁদে ফেলিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিয়ে করে , বিয়ের কিছুদিন পর ওই নারীকে ভারতে পাচার করে দেহ ব্যবসার মতন জঘন্যতম ব্যবসায় লাগিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে , এমন একটি অভিযোগ উঠেছে তেরখাদা ৬ নং মধুপুর ইউনিয়নের মোকামপুর গ্রামে ইসরাফিল ও তার সহযোগী শহীদ গাজী ও ইয়াসিন শেখের বিরুদ্ধে, এ বিষয়ে সাংবাদিক অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে ইসরাফিল প্রথমে গ্রামের গরীব সহজ সরল নারীদেরকে বিভিন্ন প্রলোভন
দেখিয়ে মোবাইলে তাদের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে এমনই একজন ভুক্তভোগী হাজির হয় অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের সামনে নড়াইল জেলার বাহিরদিয়া গ্রামের বিলকিস বেগম দুই সন্তানের জননী তিনি বিগত দুই বছর আগে ইসরাফিলের সাথে মোবাইলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে দুই তিন মাস পার হওয়ার পরে তাকে নিয়ে সাতক্ষীরা পালিয়ে যায় ইসরাফিল ,সেখানে কিছু অসাধু লোকজনের মাধ্যমে ইসরাফিল তাকে বিয়ে করে , বিবাহের ১৫ দিনের পর ইসরাফিল তাকে নিয়ে ভারতে চলে যায় একটি যৌনপল্লীতে সেখানে দুই বছর যাবত বিলকিস বেগম কে দিয়ে দেহ ব্যবসা করিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করছে এই ইসরাফিল দুই বছর পর বিলকিসকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশে তার নিজ বাড়ি মোকামপুর নিয়ে আসে চার পাঁচ দিন পর ইসরাফিল বিলকিস বেগমের সাথে বিভিন্ন অজুহাতে গোলমাল করে টাকা পয়সা নিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেয় , বিলকিস কে বের করে দিয়ে আবার নতুন একটি নারীকে বিয়ে করছে ইসরাফিল ,এমন খবর বিলকিস জানতে পারলে গত বৃহস্পতিবার সকাল দশ ঘটিকায় বিলকিস বেগম মোকামপুর ইসরাফিলের বাড়িতে হাজির হলে ইসরাফিল তাকে মারধর করে আবার ও বাড়ি থেকে বের করে দেয় ,এখন বিলকিস নেই বিচারের আশায় প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে , স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি দ্রুত এই নারী পাচারকারীর মূল হোতা ইসরাফিল ও তার সহযোগীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দেয়া হোক।
https://www.kaabait.com