• সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১২:২৮
সর্বশেষ :
খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদারের কবর জিয়ারত ও মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ খবর ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে খুলনা মহানগর ও জেলা তাঁতীদলের নেতৃবৃন্দ খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদার এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় খালিশপুর চিত্রালী মার্কেট বাজার জামে মসজিদে বাদ জুম্মা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি সোনা মিয়া সরদারকে হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচী গ্রহনের লক্ষ্যে খালিশপুর থানা তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ‘পোস্টারে আমার ছবি নয়’ – সদস্য সচিব রুবেল। এপ্রিলে সাঁড়াশি অভিযান, প্রস্তুত অপরাধীদের তালিকা! দালাল নির্ভরতা কমাতে না পারলে রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়বে”—রুবেলের সতর্কবার্তা

কেজরিওয়াল জয়ী

প্রতিনিধি: / ৩১০ দেখেছেন:
পাবলিশ: শনিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

আন্তর্জাতিক: প্রত্যাশা মতোই বিধানসভায় আস্থাভোটে জয়ী হলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। ভারতের দিল্লির আম আদমি পার্টির (আপ) সরকারের মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষে শনিবার ভোট দিয়েছেন সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়ক। সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের বরাত দিয়ে আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, ধ্বনিভোটে কেজরিকে সমর্থন করেছেন ৫৪ জন। আনন্দবাজারের প্রতিবেদন অনুসারে, কেজরিওয়াল ভোট পর্বের পর বলেছেন, ‘আমাদের দলের ৬২ জন বিধায়কের মধ্যে দুইজন জেলে রয়েছেন (মণীশ সিসোদিয়া এবং সত্যেন্দ্র জৈন)। অন্যদের মধ্যে কেউ অসুস্থ, কেউ বাইরে রয়েছেন। যাঁরা বিধানসভায় হাজির ছিলেন, তাঁরা সবাই আস্থাভোটের সমর্থনে ভোট দিয়েছেন।’ আস্থাভোটে জয়ের পরে কেজরি ঘোষণা করেন, ‘বিজেপি দেশের পক্ষে সবচেয়ে বড় বিপদ। এবারের ভোটে ওরা জিতলে ২০২৯ সালে আপ দেশকে বিজেপিমুক্ত করবে।’ প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, কেজরি আপ পরিষদীয় দলে ভাঙনের কথা উড়িয়ে দিলেও জল্পনা রয়েছে, কয়েকজন আপ বিধায়কের আস্থাভোটে অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্নও উঠেছে। ৭০ আসনের দিল্লি বিধানসভার সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ৩৬ বিধায়কের সমর্থন। বিজেপির রয়েছে মাত্র আটজন বিধায়ক। আপের ৬২। এই পরিস্থিতিতে ২৮ জন আপ বিধায়ককে দলে টানা বিজেপির পক্ষে অসম্ভব বলেই পূর্বাভাস দিয়েছিলেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। সেই ভবিষ্যদ্বাণী মিলেও গেছে। কিন্তু লোকসভা ভোটের আগে প্রশ্ন উঠেছে, পরিষদীয় পাটিগণিতে কেজরির দলের হিসাবে গরমিল নিয়ে। প্রসঙ্গত শুক্রবার আচমকাই আস্থাভোট নেওয়ার কথা ঘোষণা করেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল। তিনি জানান, বিজেপি আপ বিধায়কদের একাংশকে কিনে তাঁর সরকারকে বিপদে ফেলার চেষ্টা করছে। অন্তত সাতজন আপ বিধায়কের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিজেপির পক্ষ থেকে ২৫ কোটি রুপি করে ঘুষের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। যদিও শনিবার নিজেই পরিষদীয় দলের ভাঙনের অভিযোগ খারিজ করেছেন তিনি।

 

 

 


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com