• রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১১:১১
সর্বশেষ :
খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদারের কবর জিয়ারত ও মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ খবর ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে খুলনা মহানগর ও জেলা তাঁতীদলের নেতৃবৃন্দ খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদার এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় খালিশপুর চিত্রালী মার্কেট বাজার জামে মসজিদে বাদ জুম্মা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি সোনা মিয়া সরদারকে হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচী গ্রহনের লক্ষ্যে খালিশপুর থানা তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ‘পোস্টারে আমার ছবি নয়’ – সদস্য সচিব রুবেল। এপ্রিলে সাঁড়াশি অভিযান, প্রস্তুত অপরাধীদের তালিকা! দালাল নির্ভরতা কমাতে না পারলে রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়বে”—রুবেলের সতর্কবার্তা

ছন্দহীন হকি জেগেছে !

প্রতিনিধি: / ৬৭৮ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৪

স্পোর্টস: হকি লিগের শেষ দিকে এসে রাসেল মাহমুদ তাঁর ক্যারিয়ারের সেরা সময়টাই মনে করাচ্ছেন যেন। অবলীলায় প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেঙে ঢুকে পড়ছেন, মুগ্ধ করছেন ড্রিবলিংয়ে। মেরিনার ইয়াংসের বিপক্ষে ম্যাচে নাকে-ঠোঁটে আঘাত পেয়েছিলেন, তাতে ব্যান্ডেজ জড়িয়ে ঊষার বিপক্ষে ৬-৫ গোলের জয়ে নিজের শতভাগ ঢেলে দিলেন। হকি লিগের শেষ পর্যায়ে এসে শুধু রাসেলই নন, প্রত্যেক খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্সই যেন শীর্ষ ছুঁয়েছে। ঊষা-মোহামেডানের ৬-৫ গোলের অনবদ্য ম্যাচটি তারই বড় উদাহরণ। হকিতে যেমনটা বলা হয়, এক-দুই মিনিটে দুই-তিন বা তারও বেশি গোল হয়ে যাওয়াটা অস্বাভাবিক নয়, খেলাটা এতই গতিময়। এই ম্যাচে সেই ছবিটা ছিল। কিন্তু মৌসুম শুরুর ক্লাব কাপের কথা মনে করুন, মাঠে ছিল হকি। খেলার গতি ছিল ধীর। জাতীয় দলের খেলোয়াড়রাও নিজেদের যেন হারিয়ে খুঁজছিলেন। ‘তা হবে না কেন, এতদিন বসে থাকলে পারফরম্যান্স, ফিটনেস কিছু থাকে নাকি। আমরা বাহিনীর খেলোয়াড়রা তা-ও কিছুটা অনুশীলনের মধ্যে ছিলাম, কিন্তু বাকিরা! সেই খেলোয়াড়দের সংখ্যাটাই তো বেশি। ওদের মানিয়ে নিতে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে।’-বলছিলেন মোহামেডানের হয়ে খেলা নৌবাহিনীর রাসেল। ক্লাব কাপে এবং লিগের প্রথম পর্যায়েও যে ভ‚রি ভ‚রি একতরফা ম্যাচ হয়েছে; ১২, ১৩ বা তারও বেশি গোল হজম করেছে নিচের দিকের দলগুলো। তার কারণও দীর্ঘদিন না খেলার অনভ্যস্ততা বলে মনে করেন মেরিনার ইয়াংসের কোচ ও সাবেক তারকা খেলোয়াড় মামুন উর রশিদ, ‘এই খেলোয়াড়রা ২৩টা মাস মাঠের বাইরে ছিল। সেখান থেকে স্বাভাবিক পারফরম করা কঠিনই। তাই শুধু ওই খেলোয়াড়দের বা দলগুলোকে আমি দোষ দেব না।’ মৌসুম যত এগিয়েছে খেলোয়াড়রাও ছন্দে ফিরেছেন ধীরে ধীরে। ঊষার সিনিয়র খেলোয়াড় হাসান জুবায়েরের মতে শেষ এই সময়টায় খেলোয়াড়রা পৌঁছেছেন তাঁদের সেরাটায়, ‘শুরুর দিকে আমাদের জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স, ফিটনেস সব দিক দিয়ে অনেক সমস্যা ছিল। এখন এসে আমরা সবাই একটা ভালো অবস্থায় পৌঁছেছি। কিন্তু খেলায় না আবার বিরতি পড়ে যায়।’ হকিতে সেই শঙ্কা থাকে। এক লিগ শেষ হলে পরের লিগের কথা কেউ বলতে পারে না। ফলে ছন্দে ফেরা খেলোয়াড়রা আবার নিজেদের হারিয়ে ফেলেন। যদিও আগামী মাস থেকেই ‘অফিস টুর্নামেন্ট’ নামে আরেকটি আসর করার কথা চলছে। যেখানে সার্ভিসেস দলগুলোর সঙ্গে বিকেএসপি, পুলিশ, সোনালী ব্যাংকের মতো দলগুলো খেলবে। বলা হচ্ছে, জুনেই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের দ্বিতীয় আসর শুরু করে দেওয়ার কথা। সেটি হলে হকির সরগরম মাঠ শিগগির নীরব হচ্ছে না। ভারত, পাকিস্তান বা মালয়েশিয়ান যে খেলোয়াড়রা ঢাকায় এসে খেলেছেন, তাঁদের দ্রæত এখানকার কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে পারফরম করতে পারাটা মাঝে মাঝে বিস্ময়কর। সাবেক খেলোয়াড় মওদুুদুর রহমানের মতে, ‘সেটা সম্ভব হয় ওই খেলোয়াড়রা নিয়মিত খেলার মধ্যে থাকেন বলেই। মোহামেডানে যে মালয়েশিয়ানরা খেলছে, ওরা মাত্রই লিগ খেলে এসেছে, আবার জাতীয় দলে ডাক পেয়েছে আজলান শাহ ট্রফির জন্য। ঢাকা থেকেই ওরা সেই ক্যাম্পে চলে যাবে। ভারতীয় প্রদীপ মোর, বাল্মীকিরাও সারা বছর প্রচুর টুর্নামেন্ট খেলেন।’ মওদুদুরের ভাবনা এই লিগে নিজেদের মেলে ধরা তরুণ খেলোয়াড়দের নিয়ে, ‘বিকেএসপির বেশ কিছু তরুণ খেলোয়াড় এবার ভালো করেছে। মোহামেডানে যেমন সৈকত, আবাহনীতে আব্দুল্লাহ, জয়; ঊষায় তৈয়ব-ওরা আবার এইচএসসি শেষ করে বিকেএসপি থেকে বেরিয়েও যাবে কিছুদিনের মধ্যে। এখন বাইরে যদি নিয়মিত খেলা না থাকে এই খেলোয়াড়রা কিন্তু হারিয়ে যাবে।’ হকি মাঠটা এমনই সরগরম থাক, এটাই তাই চাওয়া সবার।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com