• সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৩১
সর্বশেষ :
নিরাপদ খুলনা চাই এর মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা খুলনার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দায় প্রশাসন এড়াতে পারেনা। নিরাপদ খুলনা চাই এর মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা খুলনার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দায় প্রশাসন এড়াতে পারেনা বিকেলে সিইসির মুখোমুখি হচ্ছে বিএনপি দরজায় তালা লাগিয়ে’ বিএনপি নেতার ঘরে আগুন, ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু, দগ্ধ আরও ৩ মেয়েকে নিয়ে ২৫ ডিসেম্বর সকালে ফিরবেন তারেক রহমান তফসিল ঘোষণার পর নিজেই পোস্টার অপসারণ করলেন খুলনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল ঝাঁকঝমকপূর্ণ আয়োজনে ওব্যাট থিংক ট্যাংক খুলনার সপ্তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন আরো ৩৬ টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি চাঁদা তুলতে গিয়ে ছাত্রদল নেতাসহ আটক ৩ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ঢাকা-ময়মনসিংহে ট্রেন চলাচল বন্ধ

দেবহাটায় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার প্যান্ডেল ও বিদ্যালয়ের ১১টি ফ্যান ভাং চু র

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ১৫৪ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

দেবহাটা উপজেলা সদরের সরকারী বিবিএমপি ইনস্টিটিউশন হাইস্কুলের একটি বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থার আয়োজনে কন্যা শিশুদের অংশগ্রহনে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণের জন্য তৈরি করা প্যান্ডেল ও বিদ্যালয়ের ১১টি ফ্যান ভাংচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। রবিবার রাতের কোনো এক সময় এসব ভাংচুর করা হয়। বিষয়টি তদন্তের জন্য উক্ত স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলামকে প্রধান করে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

 

দেবহাটা সরকারী বিবিএমপি ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক মদন মোহন পাল জানান, তাদের বিদ্যালয়ে কন্যা শিশু দিবস উপলক্ষ্যে একটি বেসরকারি সংস্থা ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন করে। এ জন্য রবিবার সন্ধ্যায বিদ্যালয় চত্বরে পুরস্কার বিতরণের জন্য একটি প্যান্ডেল করা হয়।

 

সোমবার সকালে যেয়ে তারা দেখেন প্যান্ডেলটির টেবিল ভাংচুর করে পাশের পুকুরে ফেলে দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি স্কুলের ষষ্ঠ, সপ্তম ও নবম শ্রেণির (বি সেকশন) ক্লাসরুমের ১১টি সিলিং ফ্যানের পাখা দুমড়ে মুচড়ে দেওয়া হয়েছে।

 

তিনি আরও জানান, সোমবার সকাল ৯টার দিকে এসে তারা এসব দেখতে পান। পরে নতুন প্যান্ডেল তৈরি করে ঐ বেসরকারি সংস্থা ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন সম্পন্ন করে। এবিষয়ে তিনি দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে জানিয়েছেন।

 

পাশাপাশি স্কুলের সহকারি প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলামকে প্রধান ও সরকারী শিক্ষক গৌর চন্দ্র পালকে সদস্য সচিব করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন তার কাছে জমা দেবেন।

 

এ বিষয় দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হযরত আলী জানান, মৌখিকভাবে স্কুলের কর্তৃপক্ষ তাকে জানানোর পর তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে নেশাখোররা এসব করেছে। তারপরও খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।

 

দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান জানান, বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com