• সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৬
সর্বশেষ :
নিরাপদ খুলনা চাই’ সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী কে ফুলেল শুভেচ্ছা ১৩ নং ওয়ার্ডবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মো: রফিকুল ইসলাম খান খুলনাবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী রাসেল শিকদার ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও খুলনা মহানগর যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য নাসির উদ্দীন আকন ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: আবুল কালাম ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন যুবদল নেতা শাহীন পাটোয়ারী খুলনায় উদ্বোধনী দিনে ফ্যামিলি কার্ড পাচ্ছেন ১ হাজার নারী ১২ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ রমযানে মানব সেবায় ওব্যাট হেল্পার্স ৬০০ পরিবারকে মানবিক সহায়তা ওব্যাট হেল্পার্স ও হিউম্যানিটি’র দুঃস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

ফকরাবাদ হাফিজিয়া নূরানিয়া মাদ্রাসার ছাত্রদের মাঝে কম্বল বিতরণ

বিএম আলাউদ্দীন আশাশুনি ব্যুরো / ১২৯ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৫
মাদ্রাসার ছাত্রদের মাঝে কম্বল বিতরণ

আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের ফকরাবাদ হাফিজিয়া নূরানিয়া মাদ্রাসার ছাত্রদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কৃষ্ণা রায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মাদ্রাসার দুইজন শিক্ষক ও ৩৮ জন শিক্ষার্থী সহ মোট ৪০ জনের মাঝে এ কম্বল বিতরণ করেন।

 

কম্বল বিতরণকালে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম, আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) বিএম আলাউদ্দীন, ক্লাবের সদস্য ও ফকরাবাদ ঈদগাহ কমিটির সভাপতি এস এম শরিফুল ইসলাম শরীফ, মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ মোঃ মফিজুল ইসলাম ও মাওঃ মারুফ বিল্লাহ, প্রতিষ্ঠানের কার্যকারী সদস্য মিত্র তেতুলিয়া হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক এস এম আবু ছাদেক, সদস্য শিক্ষক এস এম মুরশিদ আলম, জাহিদ আলী সরদার, মাওঃ জাহাঙ্গীর আলম, আলহাজ্ব হাসমত গাইন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

উল্লেখ্য উক্ত হাফিজিয়া মাদ্রাসাটি ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সেই থেকে হাটি হাটি পা পা করে ১৭টি বছর সুনামের সহিত অতিক্রম করেছে। বর্তমান মাদ্রাসাটিতে ৩৮ জন ছাত্র লেখাপড়ায় নিয়োজিত আছেন। এরমধ্যে বেশ কিছু ছাত্র এতিম রয়েছে। এই পর্যন্ত ৪৩ জন ছাত্র কুরআনের হাফেজ হয়ে বের হয়েছে।

 

প্রতিষ্ঠানটি লেখাপড়ার মান অত্যন্ত ভালো কিন্তু সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে কোন অনুদান পাইনি সে কারণে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষের। তাই মাদ্রাসাটি পরিচালনার জন্য সরকারি বেসরকারি সংস্থা সহ অর্থশালী ব্যক্তিদের কাছে আর্থিক সহায়তা কামনা করেছেন মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি, শিক্ষক ও অভিভাবক সহ ছাত্রবৃন্দ।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com