• রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১১:৩১
সর্বশেষ :
খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদারের কবর জিয়ারত ও মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ খবর ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে খুলনা মহানগর ও জেলা তাঁতীদলের নেতৃবৃন্দ খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদার এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় খালিশপুর চিত্রালী মার্কেট বাজার জামে মসজিদে বাদ জুম্মা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি সোনা মিয়া সরদারকে হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচী গ্রহনের লক্ষ্যে খালিশপুর থানা তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ‘পোস্টারে আমার ছবি নয়’ – সদস্য সচিব রুবেল। এপ্রিলে সাঁড়াশি অভিযান, প্রস্তুত অপরাধীদের তালিকা! দালাল নির্ভরতা কমাতে না পারলে রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়বে”—রুবেলের সতর্কবার্তা

বন্দিশিবির থেকে পালানো ৪১ রোহিঙ্গাকে ধরলো মালয়েশিয়া

প্রতিনিধি: / ৩৯৪ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

বিদেশ :  মালয়েশিয়ায় একটি বন্দিশিবির থেকে শতাধিক রোহিঙ্গা পালিয়ে যায়। একটি দাঙ্গার পরে এই ঘটনা ঘটে। তবে তাদের মধ্যে থেকে অন্তত ৪১ জনকে পুনরায় ধরতে সক্ষম হয়েছে মালয়েশিয়ার পুলিশ। তাদেরকে ক্লান্ত ও ক্ষুধার্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। মূলত গত বৃহস্পতিবার একটি দাঙ্গার পর মালয়েশিয়ার বন্দিশিবির থেকে ১১৫ রোহিঙ্গা শরণার্থী পালায়। তাদের সবাই পুরুষ। মিয়ানমারে হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হয়ে মুসলিম দেশগুলোতে আশ্রয় নিয়েছে রোহিঙ্গারা, যা এখনো অব্যহত রয়েছে। বাংলাদেশের পাশাপাশি মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া রোহিঙ্গাদের অন্যতম গন্তব্য। এসব রোহিঙ্গারা অনেক সময় সমুদ্রপথে ঝুঁকি নিয়ে মালয়েশিয়ায় যায়। আবার অনেক সময় থাইল্যান্ড সীমান্ত দিয়েও যাওয়ার চেষ্টা করে। তবে অবৈধ পথে যাওয়ার পর তাদেরকে অনেক সবয় বন্দিশিবিরে রাখা হয়। তবে বিভিন্ন অধিকার সংগঠনগুলো জানিয়েছে, রোহিঙ্গাদের যে পরিবেশে রাখা হয় তা যথাযথ নয়। ২০২৩ সালে সাগরে অন্তত ৫৬৯ রোহিঙ্গা মারা গেছেন অথবা নিখোঁজ হয়েছেন, যা ২০১৪ সালের পর সর্বোচ্চ। মূলত দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ পথে ভ্রমণ করার সময় দুর্ঘটনায় তাদের মৃত্যু হয়। বলা হয়েছে, গত বছর যারা ঝুঁকিপূর্ণ পথে অন্য দেশে পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেছে তাদের প্রতি আটজনে একজন হয় মারা গেছেন না হয় নিখোঁজ হয়েছেন।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com