• সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১২:২৪
সর্বশেষ :
খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদারের কবর জিয়ারত ও মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ খবর ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে খুলনা মহানগর ও জেলা তাঁতীদলের নেতৃবৃন্দ খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদার এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় খালিশপুর চিত্রালী মার্কেট বাজার জামে মসজিদে বাদ জুম্মা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি সোনা মিয়া সরদারকে হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচী গ্রহনের লক্ষ্যে খালিশপুর থানা তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ‘পোস্টারে আমার ছবি নয়’ – সদস্য সচিব রুবেল। এপ্রিলে সাঁড়াশি অভিযান, প্রস্তুত অপরাধীদের তালিকা! দালাল নির্ভরতা কমাতে না পারলে রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়বে”—রুবেলের সতর্কবার্তা

ব্রহ্মরাজপুরে পরিবারিক বি’রো’ধে র’ক্ত’ক্ষ’য়, ১০ জন হাসপাতালে

জিএম আমিনুল হক / ২৫৩ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর বাজারে জমি-বিতর্ক ও দোকান ঘর দখলকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে মারামারি ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

উমরাপাড়া গ্রামের মৃত সৈয়দ আলী সরদারের বড়পুত্র নোবাত আলী সরদার ও ছোটপুত্র নজরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে জমি-বিতর্কে জড়িয়ে ছিলেন। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল আনুমানিক ৮:৩০ টার দিকে ব্রহ্মরাজপুর বাজারের একটি চায়ের দোকানে উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারামারি শুরু হয়।

 

নোবাত আলীর পক্ষের আহতরা হলেন: নোবাত আলী, তার তিন পুত্র সেলিম হোসেন, শিমুল হোসেন, শামীম হোসেন, স্ত্রী রিজিয়া বেগম ও দোকান ভাড়াটিয়া রবিউল ইসলাম।
নজরুল ইসলামের পক্ষের আহতরা হলেন: নজরুল ইসলাম, তার ভাতিজা সালাউদ্দিন ও আলাউদ্দিন এবং জামাতা আহাদ আলী। প্রত্যেকের মাথায় গুরুতর জখম রয়েছে।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মারামারির সময় কেটলির গরম পানিতে একজন দগ্ধ হন। চারিদিকে এসিড নিক্ষেপের গুজব ছড়ানো হলেও তা সত্য নয়। তবে চিকিৎসকরা রেজিস্টারে “ক্যামিক্যাল জাতীয় দাহ্য পদার্থ” উল্লেখ করেছেন।

 

ঘটনার পর উভয়পক্ষ থানায় পাল্টা-পাল্টি মামলা দায়ের করেছে। সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ শামিনুল হক বলেন, “উভয়পক্ষের এজাহার গ্রহণ করেছি। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com