• রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১১:৩৫
সর্বশেষ :
খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদারের কবর জিয়ারত ও মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ খবর ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে খুলনা মহানগর ও জেলা তাঁতীদলের নেতৃবৃন্দ খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদার এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় খালিশপুর চিত্রালী মার্কেট বাজার জামে মসজিদে বাদ জুম্মা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি সোনা মিয়া সরদারকে হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচী গ্রহনের লক্ষ্যে খালিশপুর থানা তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ‘পোস্টারে আমার ছবি নয়’ – সদস্য সচিব রুবেল। এপ্রিলে সাঁড়াশি অভিযান, প্রস্তুত অপরাধীদের তালিকা! দালাল নির্ভরতা কমাতে না পারলে রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়বে”—রুবেলের সতর্কবার্তা

মাগুরায় বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসব

মুরাদ হোসেন, মাগুরা প্রতিনিধি / ২০৮ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর, ২০২৫

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। বৃহস্পতিবার বিজয়া দশমী, প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হচ্ছে পাঁচদিন ব্যাপী শারদীয় দূর্গোৎসব। পূজার নানা আচার-অনুষ্ঠান, ভক্তদের আনন্দ-উচ্ছ্বাস, ঢাকঢোলের বেজে ওঠা আর আলো ঝলমলে সাজসজ্জার সমাপ্তি ঘটতে চলছে আজ। ১৭ আশ্বিন (২অক্টোবর) মাগুরা জেলার প্রতিটি উপজেলায় পূজা মন্দির-মণ্ডপে এখন বিদায়ের আবেগ, দেবী দুর্গাকে কৈলাশে স্বামীর গৃহে ফিরে যাওয়ার প্রার্থনায় ভক্তরা মগ্ন।

 

এদিন সকালে উপজেলার বিভিন্ন মন্দির ও পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখা গেছে, সকাল থেকেই বৃষ্টি উপেক্ষা করে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের ভিড়। নবমীর সকালে সম্পন্ন হয় মহাস্নান ও তর্পণ, ষোড়শ উপচারে পূজা, এবং দেবীকে নিবেদন করা হয় ১০৮টি নীলপদ্ম। এরপর যথারীতি ভক্তরা অঞ্জলি দেন এবং প্রসাদ বিতরণ করা হয়।

 

ধর্মগ্রন্থ অনুযায়ী, মূলত নবমীই পূজার শেষ দিন। নবমীর নিশীথেই উৎসবের সমাপ্তি ঘটে। এ কারণে নবমী শুধু আধ্যাত্মিকতা নয়, বিদায়ের বেদনায়ও ভরে ওঠে। সনাতন বিশ্বাস মতে, নবমী তিথিতে দেবী দুর্গা অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটিয়ে শুভ শক্তির আবির্ভাব ঘটান। এদিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আচার হলো সন্ধিপূজা—যা অষ্টমীর শেষ ২৪ মিনিট এবং নবমীর প্রথম ২৪ মিনিট মিলিয়ে ৪৮ মিনিটব্যাপী চলে। এ সময়ে দেবী চামুণ্ডার পূজা হয়। বিশ্বাস করা হয়, এই মুহূর্তেই মহিষাসুর বধ হয়েছিল এবং ভগবান রামচন্দ্র জয় করেছিলেন রাবণকে।

 

উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শ্রী কানু তেওয়ারি বলেন, “দুর্গা মায়ের বিদায়ের ঘণ্টা বেজে গেছে। কৈলাশে ফিরে যাবেন মা দুর্গা। আবার আমাদের অপেক্ষা শুরু হবে আগামী বছরের পূজার জন্য। এবারের পূজা শান্তিপূর্ণভাবে, নিরাপত্তার ঘেরাটোপে এবং ভক্তদের অংশগ্রহণে অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। রাজনৈতিক দল, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতার কারণে এ বছর সনাতনী ধর্মাবলম্বীরা নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপন করতে পেরেছেন বলেও তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছেন প্রশাসন, পূজামণ্ডপগুলোতে দিয়েছেন কড়া নিরাপত্তা। প্রতিটি মন্দির ও মণ্ডপে রয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি ও বাড়তি টহল। মন্দির ও মণ্ডপে মৃৎশিল্পীরা মনের মধ্যে লুকায়িত মাধুর্য দিয়ে অপরুপ সৌন্দর্য্যে ফুটিয়ে তুলেছেন মা দূর্গার অনিন্দ্য সুন্দর রুপ।

 

১৩ আশ্বিন (২৮ সেপ্টেম্বর) মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। এদিন দেবী দুর্গার বোধন, অধিবাস ও আমন্ত্রণের মধ্য দিয়ে পূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এ বছর দেবী দুর্গার আগমন ঘটে গজে এবং গমন হবে দোলায়। যা শুভ ও সমৃদ্ধির ইঙ্গিত বহন করে।

 

বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানাবেন ভক্তরা। ঢাকঢোলের তালে, উলুধ্বনি আর শঙ্খধ্বনির সঙ্গে নদী, বাওড় ও জলাশয়ে প্রতিমা বিসর্জন হবে। তবে বিদায়ের সুরের মধ্যেও লুকিয়ে থাকে আগামী বছরের জন্য নতুন আশার আলো। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটিয়ে দেবী দুর্গা আবারও ফিরে আসবেন মতের্য, শান্তি, সমৃদ্ধি ও আনন্দের বার্তা নিয়ে।

 

অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রহমান বলেন, প্রতিটি পূজা মন্ডপে নির্বিঘ্নে দুর্গোৎসব পালিত হচ্ছে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পূজা মণ্ডপে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন এবং আমরা প্রতিটি মণ্ডপে নজরদারি অব্যাহত রেখেছি। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার খবর নেই। সকলের সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপিত হচ্ছে।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com