• সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০২:০৮
সর্বশেষ :
নিরাপদ খুলনা চাই’ সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী কে ফুলেল শুভেচ্ছা ১৩ নং ওয়ার্ডবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মো: রফিকুল ইসলাম খান খুলনাবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী রাসেল শিকদার ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও খুলনা মহানগর যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য নাসির উদ্দীন আকন ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: আবুল কালাম ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন যুবদল নেতা শাহীন পাটোয়ারী খুলনায় উদ্বোধনী দিনে ফ্যামিলি কার্ড পাচ্ছেন ১ হাজার নারী ১২ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ রমযানে মানব সেবায় ওব্যাট হেল্পার্স ৬০০ পরিবারকে মানবিক সহায়তা ওব্যাট হেল্পার্স ও হিউম্যানিটি’র দুঃস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

শ্যামনগরে চার গ্রামের মানুষের যাতায়াতের ভরসা মাদার নদীর উপরে নির্মিত বাঁশের সাঁকো

এস এম মিজানুর রহমান, শ্যামনগর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ১৩৬ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে সুন্দরবন থেকে বেরিয়ে আসা মাদার নদীর ওপরে বাঁশের সাঁকোটি শ্যামনগর উপজেলার ৪ গ্রামের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

এ উপজেলার তারানিপুর, ভবানীপুর, সৈদালীপুর ও মানিকপুর গ্রামের মানুষেরা প্রতিনিয়ত এই মাদার নদীর উপরে নির্মিত সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করে থাকেন।

 

স্থানীয় তপন কুমার মন্ডল জানান, তাদের এই বাঁশের সাঁকো দিয়ে যাতায়াতে নানাবিধ সমস্যা জড়িয়ে আছে, রাতের আঁধারে কোন অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে পারে না তারা, ভারি কোন মালপত্র নিয়ে আসতে পারে না বাজার থেকে বাড়িতে, ছোট ছোট বাচ্চা ও প্রতিবন্ধী মানুষেরা নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে না, স্থানীয়ভাবে তারা কোন রকমে বাঁশের সাঁকো তৈরি করে শ্যামনগর সদর সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাওয়া আসা করে থাকেন বলে আরও একাধিক ভুক্তভোগী গ্রামবাসীরা জানান।

 

দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকার মানুষ একটি ব্রিজের দাবি করে আসছে, কিন্তু আজও তাদের সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি । ওই এলাকার ইউপি মেম্বর আবু বক্কর জানান, দীর্ঘদিন ধরে মাদার নদীর উপরে তাদের যাতায়াতের জন্য একটি ব্রিজের দাবি করে আসতেছিল গ্রামবাসীরা, তবে আজও তাদের দাবি এখনো পূরণ হয়নি।

 

তিনি আরো বলেন, জরাজীর্ণ বাসের সাঁকো দিয়ে যাতায়াত মানুষের প্রতিটি মুহূর্ত আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হয়, বিশেষ করে বাচ্চাদের ও বয়স্ক মানুষের জন্য খুবই বিপদজনক সাঁকোটি, রাতে নেই কোন আলোর ব্যবস্থা, সংকীর্ণ সাঁকো দিয়ে উপজেলার চার গ্রামের মানুষ যাতায়াত করে থাকে, যে কোন মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে এমন আতঙ্ক নিয়ে প্রতিটি মুহূর্ত চলতে হয় তাদেরকে।

 

ভুক্তভোগী গ্রামবাসীরা দ্রুত মাদার নদীর ওপর একটি ব্রীজ নির্মাণের দাবি করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com