• বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:০০
সর্বশেষ :
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতীদলের খুলনা মহানগরের অন্তর্গত খানজাহান আলী থানার কমিটি গঠন বাজার কমিটির নব-নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক কে খুলনা জেলা তাঁতী দলের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন। নারী পাচারকারীর নতুন ফাঁদ। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এর ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে খুলনা মহানগর তাঁতীদলের উদ্যোগে ‘বৃক্ষরোপণ” কর্মসূচি অনুষ্ঠিত চুকনগরে অসহনীয় যানজট নিরসন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির দাবিতে সোচ্চার ‘নিরাপদ খুলনা চাই’ বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এর ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকীতে খুলনা মহানগর তাঁতীদলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল ও তৃষ্ণার্তদের মাঝে বিশুদ্ধ খাবার পানি ও স্যালাইন বিতরন খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

শ্যামনগরে জাল দলিলের খপ্পরে পড়ে অসহায় হতদরিদ্র নুরুন নাহার দিশেহারা

এস এম মিজানুর রহমান, শ্যামনগর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ২৫৮ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৫

শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ী গ্রামের শফিকুল গাজীর স্ত্রী হতদরিদ্র নুরুন নাহার জানান, তার স্বামীর ও শিশু পুত্রের ইটভাটা শ্রমিকের হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রমের অতি কষ্টের টাকা ও বাবার বাড়ীর শেষ সম্বল টুকু বিক্রি করে একই গ্রামের আরশাফ গাজীর ছেলে আব্দুর রাজ্জাক ওরফে(জাল রাজ্জাক) এর নিকট থেকে দলিল লেখক শ্যামনগর বিসমিল্লাহ সেরেস্থার এস এম মাহবুবুর রসিদ ( লাইসেন্স নম্বর ৩৬/১৯৮৭) দলিল লেখক মোঃ আমজাদ হোসেন (লাইসেন্স নম্বর ৫২/৭৮) ও মিজানূর রহমান মিন্টু ( লাইসেন্স নম্বর ৩০/১৯৮৭) এর সহযোগিতা ও তৎকালীন সাব রেজিস্টার মইনুল হককে মোটা অংকের টাকায় ম্যানেজ করে গত ১৪/৩/২০২৩ তারিখে ৩০ শতক জমি রেজিস্ট্রি করে দেয়। যার দলিল নম্বর ১৩৪৯।

 

উক্ত দলিলে মোঃ আমজাদ হোসেন স্বাক্ষর করেছেন। উক্ত জমি ক্রয় করতে নুরুন নাহার প্রথমে রাজ্জাককে ৪ লক্ষ টাকা প্রদান করে। এরপর রেজিস্ট্রি হওয়ার দিনে এস এম মাহবুবুর রশিদ, মোঃ আমজাদ হোসেন ও মিজানুর রহমান মিন্টুর উপস্থিতিতে আব্দুর রাজ্জাক আরও ৪ লক্ষ্য ২৫ হাজার টাকা গ্রহণ করেন মোট ৮ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা গ্রহণ করেছেন।

 

তিনি আরো জানান, খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে বর্তমান দলিলে যে সমস্ত কাগজপত্র ও দলিল সংযুক্ত করা হয়েছে তার সবগুলোই জাল কাগজপত্র।

 

 

এছাড়া রাজ্জাক যে দলিল দিয়ে জমি বিক্রি করেছেন উক্ত দলিলটি ১৭/৫/১৯৬৭ সালে রাজ্জাকের জন্ম ১০//০৮/১৯৬৭ সাল। এখানে দেখা গেছে রাজ্জাকের জন্মের তিন মাস পূর্বে দলিলটি সৃষ্টি হয়েছে। হতদরিদ্র নুরুন নাহার শ্যামনগর তৎকালীন স্বাব রেজিস্টার মহোদয়ের নিকট লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। কিন্তু তিনি হঠাৎ বদলি হয়ে যাওয়ায় বিষয়টি স্থগিত রয়েছে। বর্তমানে নুরুন নাহার টাকা অথবা জমি ফেরত পাওয়ার জন্য প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। এ ধরনের জাল দলিল লেখকদের লাইসেন্স বাতিল সহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নুরুন নাহার শ্যামনগরের দায়িত্বরত স্বাব রেজিস্টার, সাতক্ষীরা জেলা স্বাব রেজিস্টার, জেলা প্রশাসক মহোদয়ের , দুর্নীতি দমন কমিশন ,আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

এ বিষয়ে বিসমিল্লাহ সেরেস্তার মালিক এসএম মাহবুবুর রশিদ এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন ,যেদিন এই দলিলটি রেস্ট্রি হয়েছিল ঐদিন আমার সেরেস্তায় অনেক দলিল রেস্ট্রি হয়েছিল , ব্যস্ততার মধ্যে ভালো করে কাগজপত্র দেখতে পারিনি বিষয়টি একটু ভুল হয়েছে।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com