• রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১১:১৩
সর্বশেষ :
খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদারের কবর জিয়ারত ও মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ খবর ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে খুলনা মহানগর ও জেলা তাঁতীদলের নেতৃবৃন্দ খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদার এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় খালিশপুর চিত্রালী মার্কেট বাজার জামে মসজিদে বাদ জুম্মা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি সোনা মিয়া সরদারকে হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচী গ্রহনের লক্ষ্যে খালিশপুর থানা তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ‘পোস্টারে আমার ছবি নয়’ – সদস্য সচিব রুবেল। এপ্রিলে সাঁড়াশি অভিযান, প্রস্তুত অপরাধীদের তালিকা! দালাল নির্ভরতা কমাতে না পারলে রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়বে”—রুবেলের সতর্কবার্তা

সাতক্ষীরায় মাদক মা’ম’লায় এক নারীর যাবজ্জীবন কা’রা’দ’ণ্ড

জিএম আমিনুল হক / ১২২ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫

সাতক্ষীরায় মাদক মামলায় খাদিজা বেগম নামের এক নারীকে মাদক মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। গত ১৫ অক্টোবর বুধবার বিকেলে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক সাবিনা ইয়াসমিন জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার আসামি পলাতক ছিলেন বলে বেঞ্চ সহকারী কবিরন হোসেন নিশ্চিত করেছেন।

 

সাজাপ্রাপ্ত খাদিজা বেগম সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শ্রীরামপুর এলাকার মৃত করিম সরদার মেয়ে।

 

আদালত সূত্রে জানা যায়, সেশন – ৪৭/০২ মামলায় ২০০১ সালের ২১ সেপ্টেম্বর সকালে সাতক্ষীরা খুলনা মহাসড়কের নারকেলতলা ব্রিজের উপর আসামি খাদিজা বেগম রিকশা যোগে খুলনা গামী বাসে ওঠার প্রাক্কালে রিকশা প্রতিরোধপূর্বক ঘেরাও কোরিয়া উপস্থিত সাক্ষীদের মোকাবেলায় আসামীর জিজ্ঞাসাবাদ করিলে আসামী তার শরীর থেকে লুকায়িত ১১০ বোতল (১১ লিটার)ফেনসিডিল বের করে দেয়।

 

এ ঘটনায় একই দিনে সাতক্ষীরা সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের১৯৯০এর ১৯(১)৩(খ) ধারায় মামলা দায়ের করে।এই মামলার বাদী ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সাতক্ষীরা জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক কাজী হাবিবুর রহমান। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন পরিদর্শক বেলায়েত হোসেন। আসামি জামিন নিয়ে পলাতক ছিলেন।

 

দীর্ঘ তদন্ত ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে এই দণ্ডের আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট মোস্তফা জামান ও শিহাব মাসউদ সাচ্চু।

 

রাষ্ট্রপক্ষ৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ৪ জন সাক্ষীর স্বাক্ষর প্রদান করেন। অত্র মামলা তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগ পত্র দাখিল করেন ২০০২ সালের ৩ মার্চ । আদালত অভিযুক্ত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ২০ নভেম্বর ২০০৩ তারিখে। আসামি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন বলে জানাযায়।

 

রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। আসামীর সাজার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পিপি এড. মোস্তফা জামান।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com