• সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০৩:২৭
সর্বশেষ :
খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদারের কবর জিয়ারত ও মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ খবর ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে খুলনা মহানগর ও জেলা তাঁতীদলের নেতৃবৃন্দ খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদার এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় খালিশপুর চিত্রালী মার্কেট বাজার জামে মসজিদে বাদ জুম্মা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি সোনা মিয়া সরদারকে হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচী গ্রহনের লক্ষ্যে খালিশপুর থানা তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ‘পোস্টারে আমার ছবি নয়’ – সদস্য সচিব রুবেল। এপ্রিলে সাঁড়াশি অভিযান, প্রস্তুত অপরাধীদের তালিকা! দালাল নির্ভরতা কমাতে না পারলে রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়বে”—রুবেলের সতর্কবার্তা

সালিশে গিয়ে লা ঞ্ছ নার শিকার স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা নিরব, সুষ্ঠু বিচারের দাবি

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ২৫৫ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৫

সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সাতক্ষীরা সদরের পরানদাহ ও জগন্নাথপুর এলাকায় জমি দখল ও ধান কেটে নেওয়ার অভিযোগে মোঃ ইসমাইল হোসেন নিরবের নাম জড়ানো হয়, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে জানিয়েছেন তিনি।

 

জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন নিরব জানান, “ঘটনার দিন আমি সাতক্ষীরা শহরের বাজারে অবস্থান করছিলাম। হঠাৎ করে সদর থানা পুলিশের দুইজন সদস্য এসে আমাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জগন্নাথপুরে নিয়ে যান। সেখানে পৌঁছানোর পর অজয় কুমার সরকার, যিনি স্থানীয়ভাবে ‘অজয় মাস্টার’ নামে পরিচিত, তার জমি নিয়ে বিরোধের বিষয়ে তদন্ত চলছিল।”

 

তিনি বলেন, “পুলিশ সদস্যরা অজয় মাস্টারকে কাগজপত্র আনতে বলেন এবং আমি তদন্তকারী দারোগার পেছনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। এ সময় হঠাৎ করে কিছু দুষ্কৃতিকারী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এসে অজয় মাস্টারের ওপর হামলা চালায়। আমি এবং পুলিশ সদস্যরা হামলাকারীদের প্রতিহত করার চেষ্টা করি। কিন্তু সেই সময় আমার উপরেও হামলা চালানো হয়। আমি কোনোমতে নিরাপদে সরে যাই।”

 

ঘটনার পর ইসমাইল হোসেন নিরব জানতে পারেন, তার মোটরসাইকেলটি, যা অজয় মাস্টারের বাড়িতে ছিল, সেটি হামলাকারীরা ভেঙে চুরমার করে দেয়। পরে সাতক্ষীরা সদর থানার সহযোগিতায় পুলিশ বাহিনী মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

 

তিনি আরও বলেন, “আমি ওই জমির মালিক নই, এবং জমি সংক্রান্ত কোনো বিরোধে জড়িত নই। বরং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনুরোধে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। অথচ আমাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অপচেষ্টা চলছে।”

 

মোঃ ইসমাইল হোসেন নিরব প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত দোষীদের বিচারের দাবি জানিয়েছেন। একইসঙ্গে নিজের মানহানির বিরুদ্ধে ন্যায়বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com