• সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০২:৩৯
সর্বশেষ :
খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদারের কবর জিয়ারত ও মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ খবর ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে খুলনা মহানগর ও জেলা তাঁতীদলের নেতৃবৃন্দ খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদার এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় খালিশপুর চিত্রালী মার্কেট বাজার জামে মসজিদে বাদ জুম্মা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি সোনা মিয়া সরদারকে হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচী গ্রহনের লক্ষ্যে খালিশপুর থানা তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ‘পোস্টারে আমার ছবি নয়’ – সদস্য সচিব রুবেল। এপ্রিলে সাঁড়াশি অভিযান, প্রস্তুত অপরাধীদের তালিকা! দালাল নির্ভরতা কমাতে না পারলে রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়বে”—রুবেলের সতর্কবার্তা

হারানো ঐতিহ্যের খোঁজে—শিশুদের হাতে ঘুড়ি ফিরিয়ে আনছে শৈশব

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ১৯৫ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ১৫ জুন, ২০২৫
Oplus_131072

প্রযুক্তির আধিপত্যে যখন বাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা হারিয়ে যেতে বসেছে, তখন সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলার কয়েকজন শিশুর হাতে আবারও দেখা গেলো *বর্ণিল ঘুড়ি*—একটা সময়কার জনপ্রিয় গ্রামীণ খেলনা।

 

 

দেবহাটার এক গ্রামে দেখা যায় তিন শিশু হাতে করে বিশাল আকৃতির একটি ঘুড়ি নিয়ে হাসিমুখে দাঁড়িয়ে আছে। এ দৃশ্য যেন গ্রামীণ বাংলার শৈশবকে ফিরিয়ে আনে।

 

 

এক সময় বিকেল হলেই ছেলেরা মাঠে ছুটে যেত ঘুড়ি উড়াতে। এখন সেই জায়গা নিয়েছে মোবাইল গেম ও ইউটিউব। তবে এই শিশুদের ঘুড়ি বানানোর আগ্রহ প্রমাণ করে—সুযোগ পেলে এখনো শিশুরা ঐতিহ্যকেই আঁকড়ে ধরতে চায়।

 

 

স্থানীয় এক অভিভাবক বলেন, ঘুড়ি শুধু খেলা নয়, এটা এক ধরনের চর্চা, সৃজনশীলতা, আর বন্ধুত্বের বাঁধন। এই চর্চা ফিরিয়ে আনা খুব দরকার।

 

প্রয়োজন শুধু উৎসাহ ও আয়োজনের। স্থানীয় প্রশাসন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো চাইলে ঘুড়ি উৎসব ও প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এই ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে পারে।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com