• সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১২:২০
সর্বশেষ :
খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদারের কবর জিয়ারত ও মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ খবর ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে খুলনা মহানগর ও জেলা তাঁতীদলের নেতৃবৃন্দ খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদার এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় খালিশপুর চিত্রালী মার্কেট বাজার জামে মসজিদে বাদ জুম্মা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি সোনা মিয়া সরদারকে হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচী গ্রহনের লক্ষ্যে খালিশপুর থানা তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ‘পোস্টারে আমার ছবি নয়’ – সদস্য সচিব রুবেল। এপ্রিলে সাঁড়াশি অভিযান, প্রস্তুত অপরাধীদের তালিকা! দালাল নির্ভরতা কমাতে না পারলে রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়বে”—রুবেলের সতর্কবার্তা

হাসারাঙ্গার ক্ষোভ আম্পায়ারের ওপর

প্রতিনিধি: / ২৯৪ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

স্পোর্টস: আফগানিস্তানের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার তৃতীয় টি-টোয়েন্টিটি ছিল রোমাঞ্চপূর্ণ। শেষ ওভারের শেষ দুই বলে নির্ধারিত হয়েছে ম্যাচের ভাগ্য। আগের দুই ম্যাচ জিতে সিরিজ নিশ্চিত করা শ্রীলঙ্কা শেষ ম্যাচে পরাজিত হয়েছে ৩ রানে। তার আগে চতুর্থ বলটি ছিল হাই ফুলটস! কিন্তু স্কয়ার লেগ আম্পায়ার লিন্ডন হানিবাল সেটা নো দেননি। তাতে ম্যাচের পর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন, শ্রীলঙ্কার টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। তিনি আম্পায়ারকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, হানিবাল অন্য কাজ করলেই ভালো করতেন! বোঝা যাচ্ছে শেষ ওভারের চতুর্থ বলটি নো দিলে শেষ দুই বলে হিসেব নিকেশ অন্যরকম হতে পারতো শ্রীলঙ্কার। তখন ১০ রানের প্রয়োজন পড়লেও মাত্র ৬ রান নিতে পারেন বিস্ফোরক ব্যাটিং করতে থাকা কামিন্দু মেন্ডিস। তাও সেটা করতে পেরেছেন শেষ বলে! তখন বল করছিলেন ওয়াফাদার মোমান্দ। ডেলিভারিটি ছিল কোমরের অনেক ওপর! তখন কিছুটা এগিয়েও এসেছিলেন কামিন্দু। কিন্তু পপিং ক্রিজে দাঁড়ালে সেটা কোমরের নিচে নামার সম্ভাবনা ছিল না। ফলে আইসিসির প্লেয়িং কন্ডিশন অনুযায়ী সেটা ছিল নো। কিন্তু ম্যাচের পর এভাবেই ক্ষোভ উগড়ে দেন লঙ্কান অধিনায়ক। তিনি অবশ্য কারো নাম উল্লেখ করে মন্তব্য করেননি, ‘আন্তর্জাতিক ম্যাচে এই ধরনের কিছু হওয়া উচিত নয়। যদি বলটির উচ্চতা কোমর পর্যন্ত হতো সমস্যা ছিল না। কিন্তু এত উচ্চতায় থাকার পরেও… বলটা আরেকটু উঁচুতে থাকলে ব্যাটারের মাথায় আঘাত করতো।’ তার পর আম্পায়ারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেছেন, ‘যদি কেউ এটা চোখে না দেখতে পায় তাহলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তার জন্য নয়। অন্য কোনো কাজ করলে আমার মনে হয় তার জন্য ভালো হতো।’ আম্পায়ার ডেলিভারিটি নো দেননি দেখে কামিন্দু নো বলের জন্য আবেদন করেছিলেন তখন। রিভিউ নিতেও দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী আউট সংক্রান্ত বিষয় না হলে রিভিউ নেওয়ার নিয়ম নেই। আউট সংক্রান্ত বিষয় না হলে রিভিউ নেওয়ার নিয়ম নেই আম্পায়ারেরও।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com