• বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৩
সর্বশেষ :
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতীদলের খুলনা মহানগরের অন্তর্গত খানজাহান আলী থানার কমিটি গঠন বাজার কমিটির নব-নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক কে খুলনা জেলা তাঁতী দলের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন। নারী পাচারকারীর নতুন ফাঁদ। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এর ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে খুলনা মহানগর তাঁতীদলের উদ্যোগে ‘বৃক্ষরোপণ” কর্মসূচি অনুষ্ঠিত চুকনগরে অসহনীয় যানজট নিরসন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির দাবিতে সোচ্চার ‘নিরাপদ খুলনা চাই’ বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এর ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকীতে খুলনা মহানগর তাঁতীদলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল ও তৃষ্ণার্তদের মাঝে বিশুদ্ধ খাবার পানি ও স্যালাইন বিতরন খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

শ্যামনগরে ক্রয়কৃত ও জাল সনদে চাকরী নেওয়া হাফিজুর সরকারী স্কুলের লাইব্রেরিয়ান থেকে শিক্ষক 

এস এম মিজানুর রহমান শ্যামনগর, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ৩৯৪ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ৭ মে, ২০২৪

শ্যামনগরে ক্রয়কৃত ও জাল সনদে লাইব্রেরিয়ান থেকে পরবর্তীতে সরকারী স্কুলের  সহকারী শিক্ষক হয়েছেন মো: হাফিজুর রহমান। সাতক্ষীরা  জেলার শ্যামনগর উপজেলাধীন নকিপুর সরকারি হরিচরন পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জনাব মোঃ হাফিজুর রহমান এইচ এস সি পরীক্ষায় নকল করার দায়ে বহিষ্কৃার হন।
পরবর্তীতে উম্নুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এইচ এস সি ও বিএ পাস করেন। তৎকালীন সময়ে নকিপুর এইচ এস সি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক ও সহকারী লাইব্রেরিয়ান পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলে তিনি তড়িঘড়ি  করে দারুল এহসান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লাইব্রেরিয়ান  সাইন্সে ডিপ্লোমার সনদ ক্রয় করে আবেদন করেন এবং ২০১১ সালে কৌশলে চাকুরীও পেয়ে যান।
যেহেতু চাকুরীকালীন সনদ জাল ছিল সেহেতু তিনি আবারও পরীক্ষা দেওয়ার কথা বলে জাল সনদ দিয়ে বেতন গ্রহন করেন। স্কুল সরকারীকরনের ঘোষণা আসলে তিনি পূনরায় শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন দেখেন। পরে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এড সনদ ক্রয় করেন।
উল্লেখ্য  তার লাইব্রেরিয়ান  সাইন্সের সনদ ও বি এড সনদ একই সনের। ১৯৮৩ বিধিতে স্কুলটি সরকারী হলেও সেখানে কোথাও লাইব্রেরিয়ান  শিক্ষক হবে এমন বিধান ছিলনা, শুধুমাত্র  প্রধান শিক্ষকের আনুকূল্যের কারনে এটা সম্ভব হয়েছিল। উল্লেখ্য  ২০২০ সালে বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর ওড়না টেনে শ্লীলতাহানির অপরাধে এফ আই আর ভূক্ত কেসের  আসামী হয়ে তিনি দীর্ঘদিন পালিয়ে থাকেন। আলোচিত  এই শিক্ষক ক্লাস করার পরিবর্তে থানায় ও অফিস পাড়ায় বেশি তদবীরে থাকেন বলে শিক্ষক ও অবিভাবকবৃন্দ অভিযোগ তুলেছেন। তিনি সহকর্মীদের সব সময় ষড়যন্ত্র ও হুমকিতে রাখতে পছন্দ করেন। সঙ্গত কারনে নকলের দায়ে অভিযুক্ত জাল সনদে চাকরী করা হাফিজুর রহমানের সকল প্রাতিষ্ঠানিক সনদের বিষয়ে  তদন্ত পূর্বক উদ্ধোতন ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিকট প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন অত্র স্কুলের শিক্ষকবৃন্দ, প্রতিষ্ঠানের অবিভাবকবৃন্দ এবং সচেতন মহল।
এবিষয়ে মোঃ হাফিজুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন আমি জাল কাগজপত্র জমা দিয়ে চাকরি করছি।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com