• সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১২:০০
সর্বশেষ :
খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদারের কবর জিয়ারত ও মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ খবর ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে খুলনা মহানগর ও জেলা তাঁতীদলের নেতৃবৃন্দ খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদার এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় খালিশপুর চিত্রালী মার্কেট বাজার জামে মসজিদে বাদ জুম্মা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি সোনা মিয়া সরদারকে হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচী গ্রহনের লক্ষ্যে খালিশপুর থানা তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ‘পোস্টারে আমার ছবি নয়’ – সদস্য সচিব রুবেল। এপ্রিলে সাঁড়াশি অভিযান, প্রস্তুত অপরাধীদের তালিকা! দালাল নির্ভরতা কমাতে না পারলে রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়বে”—রুবেলের সতর্কবার্তা

গণঅভ্যুত্থানে নিহত ৮৭৫ জনের মধ্যে ৪২২ জনই বিএনপির

অনলাইন ডেস্ক / ৪৯১ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

কোটা সংস্কারের দাবিতে গড়ে ওঠা জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের মধ্যে ৪২২ জন বিএনপির রাজনীতি সঙ্গে জড়িত ছিল বলে দাবি করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) গুলশানে বিএনপির চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি করেন তিনি।

 

মির্জা ফখরুল বলেন, বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী জুলাই গণহত্যায় ১৩ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশে শহীদ হন ৮৭৫ জন। যার মধ্যে কমপক্ষে ৪২২ জন মানুষ বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল। দেশজুড়ে শহীদ হওয়া সব শ্রেণি-পেশা-রাজনীতির মানুষগুলোর বিশাল অংশ যে বিএনপির নেতাকর্মী-এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বরং আমাদের সুদীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের অনিবার্য ফল।

 

তিনি আরও বলেন, এই ৪২২ জনের নাম-গ্রামসহ সম্পূর্ণ তালিকা আমাদের কাছে আছে। এটি আমাদের ওয়েবসাইট প্রকাশ করা হবে।

 

মির্জা ফখরুল বলেন, পোশাকশ্রমিক কিংবা রিকশাচালক, পাবলিক কিংবা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। বাম কিংবা ডান আদর্শের অনুসারী, সব মত ও পথের রাজনৈতিক কিংবা অরাজনৈতিক ব্যক্তি-হতাহতের পরিচয় যাই হোক না কেন, প্রতিটি প্রাণের মূল্য ও রক্তের মর্যাদা সমান। আর তাই, সমান গুরুত্বের সঙ্গেই প্রণয়ন করতে হবে প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের তালিকা ও নিশ্চিত করতে হবে সুবিচার।

 

শেখ হাসিনার পদত্যাগের জন্য যে জাতীয় ঐকমত্য আমরা দেখতে পাই, তা কিন্তু হঠাৎ করে গড়ে ওঠেনি বলে উল্লেখ করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, এটি মূলত অবৈধ সরকারের অত্যাচার-অবিচার, দুর্নীতি-দুঃশাসন, বঞ্চনা-অবজ্ঞা এবং শোষণ-নির্যাতনের বিরুদ্ধে মানুষের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।

 

সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, যারা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে যুক্ত ছিল, গণতান্ত্রিক প্রতিটি ব্যক্তি, দল, সংগঠন ও গোষ্ঠী; তাদের সবার আত্মত্যাগের যথাযথ স্বীকৃতি না দিলে তা হবে ইতিহাসের প্রতি অবিচার।

 

জনগণের লুণ্ঠিত ভোটাধিকার ফিরিয়ে এনে একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার বলে উল্লেখ করেন বিএনপির মহাসচিব। তিনি বলেন, সেই পথযাত্রায় ও রাষ্ট্র সংস্কারে বিএনপি ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়ন করে গড়ে তুলতে হবে একটি নিরাপদ ও মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ। যেখানে প্রতিফলন ঘটবে জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশার।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com