• সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০২:৫৭
সর্বশেষ :
খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদারের কবর জিয়ারত ও মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ খবর ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে খুলনা মহানগর ও জেলা তাঁতীদলের নেতৃবৃন্দ খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদার এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় খালিশপুর চিত্রালী মার্কেট বাজার জামে মসজিদে বাদ জুম্মা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি সোনা মিয়া সরদারকে হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচী গ্রহনের লক্ষ্যে খালিশপুর থানা তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ‘পোস্টারে আমার ছবি নয়’ – সদস্য সচিব রুবেল। এপ্রিলে সাঁড়াশি অভিযান, প্রস্তুত অপরাধীদের তালিকা! দালাল নির্ভরতা কমাতে না পারলে রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়বে”—রুবেলের সতর্কবার্তা

শ্যামনগরে ভূমিহীনদের জায়গা ফেরত ও মি থ্যা মা ম লা থেকে রেহায় পেতে মানববন্ধন

এস এম মিজানুর রহমান শ্যামনগর, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ২৫২ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
মামলা থেকে রেহায় পেতে মানববন্ধন

শ্যামনগরে সৈদালীপুর ভূমিহীনদের ইজারা নেওয়া সম্পত্তি জালিয়াতির মাধ্যমে দখল করে ভূমিহীনদের বাড়িঘর মসজিদ ঘর ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে উচ্ছেদ করায় ও মিথ্যা মামলা থেকে রেহায় পেতে ভূমিদস্যু গুলি গফুরের ছেলে আলমগীর ও ভটুক বাহিনীর বিরুদ্ধে শ্যামনগরে মানববন্ধন করেছে ভূমিহীনরা। ১৮ই সেপ্টেম্বর বুধবার বেলা ১১ টায় শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সামনে সৈদালীপুর ৩৮ ঘর ভূমিহীন ও মিথ্যা মামলায় ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের আয়োজনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ভূমিহীন মোহাম্মদ আলী হোসেন,কোহিনুর বেগম, আব্দুল হাই, রমেসা বেগম ও মুজিবর রহমান (মসজিদের ইমাম)।মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আমরা ৩৮ টি পরিবার ২০০৪ সালে ডিসিআর হিসেবে ইজারা নেই এবং সরকারের পক্ষ থেকে দখল বুঝিয়ে দেয়। আমার সেই থেকে শান্তিতে বসবাস করছিলাম, কিন্তু ১৯ সালে আমাদের ভয় দেখিয়ে জোর করে উচ্ছেদ করা হয়। আমরা আবার ও দখল নিয়ে বসবাস শুরু করি।
তবে ০৯ই মার্চ ২৩ সালে তৎকালীন পুলিশ প্রশাসন দিয়ে আমাদের ভয় দেখিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দিয়ে, মসজিদ,  ঘরবাড়ি ভাঙচুর লুটপাট করে গুড়িয়ে দেওয়া হয়। এবং রাতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। তখন আমরা নিরুপায় হয়ে পরিবার নিয়ে রাস্তার ওপর বসবাস শুরু করি। কিন্তু তারা আমাদের নামে মিথ্যা ভাবে ১৪ টি মামলা দেয়। আদালত থেকে ৩ বার আমাদের পক্ষে রায় হলেও আমরা আমাদের জায়গা ফিরে পাচ্ছি না।
ভূমিদস্যুরা জোর করে টাকার জোরে দখল করে খাচ্ছে। আমাদের প্রশাসন, ছাত্র ও সকল দলের নেতাদের কাছে আমাদের একটাই দাবি আমাদের জায়গা যাতে করে ফিরে পেতে পারি ও মিথ্যা মামলা থেকে অব্যহতি পেতে পারি সেই ব্যবস্থা করার।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com