• শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৪
সর্বশেষ :
বি এন পি’র ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী যথাযথ ভাবে পালনের লক্ষ্যে খুলনা মহানগর তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত খুলনা মহানগর তাঁতীদলের উদ্যোগে তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, আপোষহীন নেত্রী, গণতন্ত্রের মা, বি এনপি’র সাবেক চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার ৮২ তম জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতীদল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে বৃক্ষরোপন ও বিতরণ কর্মসূচী অনুষ্ঠিত খুলনা সড়কে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে একই মোটর সাইকেলে থাকা স্ত্রী, শালী ও ২২ মাসের শিশুকন্যা নিহত সোনাডাঙ্গা থানা তাঁতীদলের সাধারণ সম্পাদকের পিতার আশু রোগ মুক্তি ও সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতীদলের খুলনা মহানগরের অন্তর্গত খানজাহান আলী থানার কমিটি গঠন বাজার কমিটির নব-নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক কে খুলনা জেলা তাঁতী দলের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন। নারী পাচারকারীর নতুন ফাঁদ। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এর ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে খুলনা মহানগর তাঁতীদলের উদ্যোগে ‘বৃক্ষরোপণ” কর্মসূচি অনুষ্ঠিত চুকনগরে অসহনীয় যানজট নিরসন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির দাবিতে সোচ্চার ‘নিরাপদ খুলনা চাই’

থানা থেকে লুট করা অস্ত্রের সন্ধানে নদীতে জাল ফেলে তল্লাশি

বগুড়া প্রতিনিধি / ৩৩১ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
অস্ত্রের সন্ধানে নদীতে জাল ফেলে তল্লাশি

বগুড়া সদর থানা থেকে লুট করা অস্ত্রের সন্ধানে জাল দিয়ে করতোয়া নদীর তিন কিলোমিটার জুরে তল্লাশিকরেছে পুলিশ। তিন ঘন্টার তল্লাশিতে একটি অস্ত্রও উদ্ধার হয়নি। গত সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শহরের চেলোপাড়া থেকে দক্ষিণে ভাটকান্দি ব্রীজ পর্যন্ত করতোয়া নদীতে এই তল্লাশি চালানো হয়। নারুলী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক তারিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট বিকেলে জনরোষ থেকে বাঁচতে বগুড়া সদর থানা পুলিশ সদস্যরা পুলিশ লাইন্সে আশ্রয় নেয়। থানা অরক্ষিত হয়ে পড়লে বিকেল ৫টার পর জনগণ সদর থানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর লুটপাট এবং অগ্নিসংযোগ করে।
থানার অন্যান্য মালামালের সঙ্গে লুট করা হয় ৩৯টি বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে উদ্ধার করা হয় ১২টি অস্ত্র। এখনও ২৭টি অস্ত্র পাওয়া যায়নি। যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত থাকার পরেও খোয়া যাওয়া অস্ত্র উদ্ধার হচ্ছে না।
পুলিশের ধারণা খোয়া যাওয়া অস্ত্র নদীতে ফেলে দেওয়া হতে পারে। এ কারণে নদীতে তল্লাশি চালানো হয়।
পুলিশ পরিদর্শক তারিকুল ইসলাম জানান চেলোপাড়া থেকে এসপি ব্রীজ পর্যন্ত নারুলী ফাঁড়ি এবং এসপি ব্রীজ থেকে ভাটকান্দি পর্যন্ত বনানী পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যদের উপস্থিতিতে  জাল দিয়ে তল্লাশি করে একটি অস্ত্রও পাওয়া যায়নি।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com