• বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৭
সর্বশেষ :
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতীদলের খুলনা মহানগরের অন্তর্গত খানজাহান আলী থানার কমিটি গঠন বাজার কমিটির নব-নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক কে খুলনা জেলা তাঁতী দলের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন। নারী পাচারকারীর নতুন ফাঁদ। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এর ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে খুলনা মহানগর তাঁতীদলের উদ্যোগে ‘বৃক্ষরোপণ” কর্মসূচি অনুষ্ঠিত চুকনগরে অসহনীয় যানজট নিরসন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির দাবিতে সোচ্চার ‘নিরাপদ খুলনা চাই’ বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এর ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকীতে খুলনা মহানগর তাঁতীদলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল ও তৃষ্ণার্তদের মাঝে বিশুদ্ধ খাবার পানি ও স্যালাইন বিতরন খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

দুপচাঁচিয়া জে কে ডিগ্রি কলেজে পাঁচ বছরেও অধ্যক্ষ নিয়োগ হয়নি

বগুড়া প্রতিনিধি / ৭৫০ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৪
পাঁচ বছরেও অধ্যক্ষ নিয়োগ হয়নি

বগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়া উপজেলার জাহানারা কামরুজ্জামান (জে কে) ডিগ্রি কলেজে পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে অধ্যক্ষ নিয়োগ হয়নি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে চলছে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দিয়ে। এদিকে দীর্ঘ দিনেও ১৭ জন শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্ত না হওয়ায় তারা মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

 

জানাযায়, ১৯৭২ সালের দুপচাঁচিয়া জাহানারা কামরুজ্জামান কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়। শুরুতেই উপজেলার তালুচ এলাকায় কলেজটির কার্যক্রম শুরু করে। সেই সময় অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন নৃপেন্দ্র নাথ। এরপর ১৯৭৩ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে মুনিষ চৌধুরী, আব্দুল জলিল, ফনিন্দ্র নাথ বসাক, আমিনুল ইসলাম, ফনিন্দ্র নাথ বসাক, আবুল বাসার পর্যায়ক্রমে দায়িত্ব পালন করেন।

 

১৯৮৩ সালে কলেজটি দুপচাঁচিয়া উপজেলা সদরে স্থানান্তরিত হয়। ২০১০ সালের ৭ জানুয়ারি আব্দুল মজিদ প্রামানিক নিয়োগপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি ৩০ আগস্ট ২০১৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করে অবসর গ্রহণ করেন। এরপর থেকে জহুরুল ইসলাম জহির, আব্দুল মান্নান সরদার, রাবেয়া খাতুন, তাজুল ইসলাম তালুকদার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। প্রায় পাঁচ বছরের বেশি সময় কলেজটিতে অধ্যক্ষ নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়নি।

 

আজ সোমবার (৭ অক্টোবর) এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তাজুল ইসলাম তালুকদার জানান, এর আগে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্বে থাকাকালে জহুরুল ইসলাম জহির ও আব্দুল মান্নান সরদার অধ্যক্ষ নিয়োগের জন্য স্থানীয় পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। যোগ্যতা সম্পন্ন অধ্যক্ষ না পাওয়ায় নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি।

 

তিনি আগামী ডিসেম্বরে চাকরি থেকে অবসর নিবেন। এই স্বল্প সময়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে অধ্যক্ষ নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। আগামীতে যিনি দায়িত্ব গ্রহণ করবেন তিনিই অধ্যক্ষ নিয়োগ কার্যক্রমটি সম্পন্ন করবেন বলে জানান তিনি। কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি ইউএনও জান্নাত আরা তিথি জানান তিনি সরকারের এক প্রজ্ঞাপনে সম্প্রতি গভর্নিং বডির দায়িত্ব নিয়েছেন। দীর্ঘ পাঁচ বছরেও কেন অধ্যক্ষ নিয়োগ হয়নি বিষয়টি তার বোধগম্য নয়। সরকারি নির্দেশনা মেনে কলেজটি পরিচালনা করছেন তিনি। এক্ষেত্রে নতুন করে অধ্যক্ষ নিয়োগের বিষয়ে তার কিছুই করার নেই।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com