• সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০১:৪৯
সর্বশেষ :
খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদারের কবর জিয়ারত ও মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ খবর ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে খুলনা মহানগর ও জেলা তাঁতীদলের নেতৃবৃন্দ খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদার এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় খালিশপুর চিত্রালী মার্কেট বাজার জামে মসজিদে বাদ জুম্মা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি সোনা মিয়া সরদারকে হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচী গ্রহনের লক্ষ্যে খালিশপুর থানা তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ‘পোস্টারে আমার ছবি নয়’ – সদস্য সচিব রুবেল। এপ্রিলে সাঁড়াশি অভিযান, প্রস্তুত অপরাধীদের তালিকা! দালাল নির্ভরতা কমাতে না পারলে রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়বে”—রুবেলের সতর্কবার্তা

নামজারি জটলার ক ল ঙ্ক থেকে মুক্ত হচ্ছে ডুমুরিয়ার ভূমি অফিস

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া, খুলনা প্রতিনিধি  / ২০৫ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৪
ডুমুরিয়ার ভূমি অফিস

দীর্ঘদিনের নামজারি জটলার কলঙ্ক থেকে মুক্ত হতে যাচ্ছে ডুমুরিয়ার ভূমি অফিস। আগামী মাসের মধ্যে সকল গ্রাহক কাগজপত্র ঠিক থাকলে আবেদনের পর ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে নামজারির কেস নিষ্পত্তি হবে।

 

জানা যায়, ২০ নভেম্বর বুধবার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরাফাত হোসেন তিনি গোল ঘরে বসে নামজারির আবেদন শুনানি করেন বর্তমানে নামজারির কেস নিষ্পত্তির সংখ্যা প্রায় ১শত ৬৫ জন । এরমধ্য থেকে মঞ্জর হয়েছে ১১৫টি। মিস কেসের নিষ্পত্তি হয়েছে ৫০টি আবেদন। নামজারির আবেদন খারিজ হওয়ার বিষয়টি নিয়ে তথ্য নিলে হিন্দু সম্পত্তি স্ত্রী এক পুত্রের সমান অংশ পাবেন। অধিকাংশ দলিলেই মাতার অংশ না রেখেই পুত্ররা সম্পত্তি হস্তান্তর করেছেন।

 

জমি ক্রয় করা একাধিক দাগে কিন্তু ভোগদখলে থাকা একদাগে নামজারির আবেদন করা। মূল কাগজ পত্র দেখানো সহ শুনানিতে উপস্থিত না হওয়ার বিষয়টি উঠে আসে। অনেকে অভিযোগ করেন মোবাইলে ম্যাসেজ না পাওয়া নামজারি না
করার। খোঁজ নিয়ে দেখা যায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে যাদেরকে দিয়ে আবেদন করানো হয়েছিল বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সেই সকল লোকদের মোবাইল নাম্বার দেয়া ছাড়াও অনেকে সেই সিম ব্যবহার করছেন না। এছাড়া নামজারি না করার কারণ উল্লেখ করে বার্তা পাঠানোর তথ্য মিলেছে।

 

গত ২০ নভেম্বর সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, নোটিশ করে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে ১৬৫ জনকে। কিন্তু উপস্থিত হয়েছেন ১১৫ জন। কথা বললে শাহিপুর এলাকার নয়ন (৫৩) বলেন, আমি অনেক দিন ঘুরেছি। এই স্যার আসার পর বাড়ি থেকে ডেকে এনে নাম সংশোধন করা সহ নামজারি করে দিয়েছেন। ইতিপূর্বে রেওয়াজ ছিল টাকা ও দালাল ছাড়া নামজারি হয় না।  ভূমি অফিসে গ্রাহক ছাড়া অন্য কাউকে দেখা যায়নি। এমনকি শুনানি করতে আসা উপস্থিত সকলেই ভূমি অফিসের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করাসহ ভবিষ্যতে যেন এমন পরিস্থিতি থাকে তার জন্য আশবাদ ব্যাক্ত করেন।

 

বিষয়টি নিয়ে কথা বললে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরাফাত হোসেন বলেন, আমি চাই প্রকৃত গ্রাহক এসে হাজির হয়ে তার কাগজ পত্র দেখিয়ে নামজারি করে নিয়ে যাক। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগামী মাসের মধ্যে নামজারির জটলা
কেটে স্বাভাবিক হয়ে যাবে তখন আর সমস্যা হবে না।

 

এবিষয়ে এডিসি(রাজস্ব) মুকুল কুমার মিত্র বলেন, আমরা নির্দেশনা দিয়েছি আইনের ভিতরে থেকে নামজারি কেসের নিষ্পত্তি করার জন্য। যাতে গ্রাহক তার সঠিক সেবা পায় কোন অবস্থাতেই কেউ যেন হয়রানি না হয়। আশা করছি আগামী মাসে বিধি মোতাবেক ২৮ দিনের মধ্যে নামজারি কেসের নিষ্পত্তি হবে।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com