• সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০১:৩৩
সর্বশেষ :
খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদারের কবর জিয়ারত ও মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ খবর ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে খুলনা মহানগর ও জেলা তাঁতীদলের নেতৃবৃন্দ খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদার এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় খালিশপুর চিত্রালী মার্কেট বাজার জামে মসজিদে বাদ জুম্মা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি সোনা মিয়া সরদারকে হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচী গ্রহনের লক্ষ্যে খালিশপুর থানা তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ‘পোস্টারে আমার ছবি নয়’ – সদস্য সচিব রুবেল। এপ্রিলে সাঁড়াশি অভিযান, প্রস্তুত অপরাধীদের তালিকা! দালাল নির্ভরতা কমাতে না পারলে রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়বে”—রুবেলের সতর্কবার্তা

জীবন যুদ্ধে হার না মানা প্রতিবন্ধী পলাশ

মোঃ তাজমুল ইসলাম, তালা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি / ২১৯ দেখেছেন:
পাবলিশ: শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৪
জীবন যুদ্ধে হার না মানা প্রতিবন্ধী পলাশ

জীবন যুদ্ধের পথ যত কঠিন-ই হোক না কেন তাকে পরাজিত করে এগিয়ে যাওয়ার নামই হলো সফলতা। এমনই এক জীবন যুদ্ধে হার না মানা যোদ্ধা যুবক খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার কাকুড়পাড়া গ্রামের প্রতিবন্ধী যুবক পলাশ শেখ। সে প্রতিদিন কাক ডাকা ভোর থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যান্ত তালা উপজেলার সুভাষিণী বাজারে সালাউদ্দিনের দোকানের বারান্দায় বসে ফ্লাক্সিলোড দিয়ে সেবা দিয়ে আসছেন এলাকার মানুষদের। জীবিকার তাগিদে বেছে নিয়েছেন ফ্লেক্সিলোডের ব্যবসা।

 

সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার সুভাষিণী বাজারে আলাপ হয় প্রতিবন্ধী পলাশ শেখ (২২) এর সাথে। দরীদ্র কৃষক বাবা হাফেজ শেখের ছেলে পলাশ শেখ জন্মকাল থেকেয় প্রতিবন্ধী টাকা অভাবে ভাল চিকিৎসা করাতে পারেননি। অভাব অনটনের সংসারের চাকা তো আর থেমে থাকে না। কিন্তু সে আর দশজনের মত ভিক্ষা করার পেশা বেছে নেয়নি। সংসারের বোঝা কাঁধে নিয়ে বেছে নিয়েছে ফ্রেক্সিলোডের ব্যবসা। তার বাবার সহায় সম্বল বলতে যা আছে তাদিয়ে কোন রকমে পরিবার নিয়ে সুখে-দুখে দিন চলে। বাধ্য হয়ে প্রতিবন্ধী পলাশ শেখ ফ্লেক্সিলোডের ব্যবসা করতে হয়।

 

 

সে অশ্রু সজল চোখে বলেন সংসারের অভাব অনটনের কারনে উন্নত চিকিৎসা করা সম্ভব হয়নি। করতে পারলে হয়তো সেরে উঠা সম্ভব হতো।

 

প্রতিবন্ধি পলাশ শেখ আরোও বলেন, আমার বড় লোক হবার স্বপ্ন নয়, এই ব্যবসা করে দু-বেলা দু’ মুঠো খাবার খেতেপারি ও দিনমজুর বৃদ্ধ বাবা-মাকে একটু সহযোগিতা করতে পারি। প্রতিবন্ধী পলাশের মতো যোদ্ধাদের সহযোগিতার জন্য এগিয়ে আসতে পারেন সমাজের বিত্তবান ও পরোপকারী ব্যক্তিরাও। শারীরিক প্রতিবন্ধী পলাশের সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসতে পারেন আপনিও।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com